সোনাইমুড়ীতে কিশোর গ্যাংয়ের তাণ্ডব, মামলা করেও নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগীরা

ফন্ট সাইজ:

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে ছাগল চুরিকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ হামলার কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় ৪ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মো. সোহাগ বর্তমানে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় জাহাঙ্গীর আলমবাদীহয়ে সোনাইমুড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করে। এখন পর্যন্ত কোনো অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাহাঙ্গীর আলমের একটি ছাগল রাতের আঁধারে চুরি করে নিয়ে যায় কামরুল হাসান ও সবুজসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। গত ১৪ই ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টার দিকে ডুমুরিয়া এলাকার জাহেরের চায়ের দোকানের সামনে ১০-১৫ জন অস্ত্রধারী দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মো. সোহাগ ও জাহাঙ্গীর আলমের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা সোহাগের বুকের বাম পাশে, কাঁধে, হাতে, পিঠ ও কানে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে তিনি মারাত্মকভাবে রক্তাক্ত হন। এ সময় তার মা ও স্বজনরাসহ ৪ জন এগিয়ে এলে তাদেরকে মারধর করে। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কামরুল ও সবুজের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ গ্যাং দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরি, মাদকবিক্রি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। তারা সাধারণ মানুষের ওপর বিভিন্ন সময় অত্যাচার চালিয়ে আসছে। ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলম মানবজমিনকে জানান, গত ৪ঠা মার্চ দুপুর ২টার দিকে কামরুল হাসান ও সবুজসহ কয়েকজন মুখোশধারী ব্যক্তি তাদের বাড়িতে এসে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলা প্রত্যাহার না করলে জাহাঙ্গীর আলমসহ পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যায়। বর্তমানে আমিসহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি এবং অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সোনাইমুড়ী থানার এসআই মিথুন চন্দ্র শীল জানান, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন