‘১৯’ বিশ্বকাপেই বাংলাদেশে ক্রিকেটে আমার চ্যাপ্টার ক্লোজ করেছি

‘১৯’ বিশ্বকাপেই বাংলাদেশে ক্রিকেটে আমার চ্যাপ্টার ক্লোজ করেছি

ফন্ট সাইজ:

সিডনিতে শেন ওয়াটসনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে একটি ক্রিকেট একাডেমি প্রতিষ্ঠা করছেন ইমরুল কায়েস। সেখানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ছেলেদের ক্রিকেট শেখাচ্ছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক এই ক্রিকেটার। গতকাল সিডনি লাকেমবায় নারী এশিয়ান কাপ ফুটবল কাভার করতে আসা বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সম্মানে দেয়া এক ইফতারে কথা হয় ইমরুল কায়েসের সঙ্গে। সেখানে ইমরুল কায়েস আক্ষেপ নিয়ে বলেন, আমি ২০১৯ সালে বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার পর থেকে বাংলাদেশে আমার ক্রিকেটের চ্যাপ্টার ক্লোজ করে দিয়েছি। দেশের ক্রিকেটে সম্মান নেই।’ অস্ট্রেলিয়াতে আসার পর বাংলাদেশে ক্রিকেট বোর্ডে কাজ করার অফার পেয়েছেন জানিয়ে ইমরুল কায়েস বলেন, আমি এখানে আসার পর নির্বাচক হওয়ার প্রস্তাব পেয়েছি। কিন্ত যেখানে সম্মান নেই, সেখানে কাজ করার ইচ্ছা নেই।’ জাতীয় দলের এখন প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব পালন করেছেন গাজী আশরাফ হোসেন লিপু। তিন মাস আছে তার চুক্তির মেয়াদ। বিসিবি চুক্তি নবায়ন করলেও আর কাজ চালিয়ে যেতে চান না লিপু। তার জায়গায় প্রধান নির্বাচক হতে আবেদন করবেন মিনহাজুল আবেদিন নান্নু। এ নিয়ে ইমরুল কায়েস বলেন, এরাই দেশের অনেক ক্রিকেটারের ক্যারিয়ার ধ্বংস করেছেন। তারা আবার যদি নির্বাচকের দায়িত্ব নেন দেশের ক্রিকেটে পিছিয়েই যাবে, সামনে এগোবে না।’ একজন ব‍্যক্তি ১০-১২ বছর একই পদে কাজ করার পর আবার কীভাবে ওই পদের জন‍্য আবেদন করে জানিয়ে ইমরুল কায়েস বলেন, লজ্জা থাকলে নান্নু ভাইদের এই পদে আবেদন করা উচিত না। তাদের উচিত নতুন ছেলেদের সুযোগ করে দেয়ার। তাদের বোঝা উচিত তাদের আর দেয়ার কিছু নাই। ২০১৯ সালের নভেম্বরে এই জাতীয় দলের হয়ে শেষ টেস্ট খেলা ইমরুল বোর্ডের কাছে নতুনদের সুযোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশে অনেক আছেন যারা জাতীয় পর্যায়ে কিংবা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভালো করা অনেকে আছে। তাদের যোগ্যতা আছে, কিন্তু কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে না। তাদের এসব পদে কাজ করার সুযোগ পেলে ওরা ভালো করবে। সামনে ঢাকা প্রিমিয়ার লীগে খেলার ইচ্ছা আছে জানিয়ে ইমরুল বলেন, এখানে প্রথম টায়ারের একটি দলে লীগ খেলছি। তবে খেলা সপ্তাহ একদিন। নিজেকে ফিট রাখা কঠিন। এ কারণে বিপিএল খেলেনি। তবে ঢাকা প্রিমিয়ার লীগ খেলতে প্রস্তুত হচ্ছি। সবশেষে নারী ফুটবল দলের সফলতা কামনা করে সাবেক এই জাতীয় ক্রিকেটার বলেন, আমি প্রথমবার মেয়েদের খেলা দেখেছি, আমার কাছে অবাক লেগেছে। আমার বিশ্বাস আমাদের এসব মেয়েরা নতুনভাবে আমাদের দেশকে বিশ্বের দরবারে পরিচিত করবে।


not interested

৩ মাস আগে

No more Nannu

মন্তব্য করুন