টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৯ উইকেটে হেরে বিদায় নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়াদের বিদায়ে আবারো আলোচনায় সেই পুরনো ‘চোকার্স’ তকমা। সংবাদ সম্মেলনে কথা উঠলে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান কোচ শুশ্রি কনরাড তা নাকচ করে দেন। তিনি বলেন, এটি স্রেফ হার নয়, বরং রীতিমতো ‘ধোলাই’ হওয়া। শুশ্রি কনরাড বলেন, ‘হারটি মোটেও ‘চোক’ (দম আটকে যাওয়া বা জয়ের খুব কাছ থেকে ফেরা) ছিল না। আমার মতে, এটি ছিল স্রেফ একটি ‘ওয়ালপিং’ বা ধোলাই। চোকার তকমা পেতে হলে আপনাকে অন্তত জয়ের একটু সুযোগ বা নিঃশ্বাস নেয়ার জায়গা থাকতে হয়। ম্যাচে আমরা জয়ের ছিটেফোঁটা সুযোগও পাইনি।’
হারের তীব্রতা বোঝাতে গিয়ে কনরাড বলেন, ‘আজ আমরা একটা প্রপার ‘স্নটক্লাপ’ খেয়েছি।’ আফ্রিকানস এই শব্দের অর্থ হলো- কাউকে এমনভাবে আঘাত করা যে, সে একদম কুপোকাত হয়ে যায়। সহজ বাংলায় যাকে বলে ‘উত্তম-মধ্যম’ বা ‘পিটুনি’।
টুর্নামেন্টে একমাত্র অপরাজিত দল হিসেবে সেমিফাইনালে খেলে দক্ষিণ আফ্রিকা। টানা সাত জয়ের সেই রথ থামলো ইডেনে এসে। কনরাড বলেন, ‘আমি জানি অনেকে এখন সমালোচনা শুরু করবে। তবে আমি আমার ছেলেদের নিয়ে গর্বিত। দেশ ছাড়ার আগে আমাদের যে ফর্ম ছিল, তাতে খুব কম মানুষই বাজি ধরেছিলেন যে, আমরা সেমিফাইনাল পর্যন্ত আসবো। যদিও বিদায়টা সান্ত্বনা দেয়ার মতো নয়।’
নিউজিল্যান্ডের বোলারদের প্রশংসা করে প্রোটিয়া কোচ জানান, কিউইরা তাদের বিস্ফোরক ব্যাটিং লাইনআপকে ১৬৯ রানে আটকে দিয়ে ম্যাচটি তখনই নিজেদের করে নেয়। তিনি বলেন, ‘ওরা আমাদের কোনো সুযোগই দেয়নি, বিশেষ করে ওদের স্পিনাররা ছিল অসাধারণ। টসে জিতলে হয়তো ভালো হতো, তবে সেটি কোনো অজুহাত হতে পারে না। আমরা মোটেও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক স্কোর গড়তে পারিনি।’
‘আমরা মোটেও দম আটকে হারিনি, স্রেফ ধোলাই হয়েছি’
স্পোর্টস ডেস্ক
৬ মার্চ (শুক্রবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
