আমেরিকা-ইসরাইলের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইরান হরমুজ প্রণালীতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এতে হরমুজ প্রণালীর দু’দিকে আটকে রয়েছে শত শত জাহাজ। না-এগোতে পারছে, না-পেছাতে পারছে। এর মধ্যে রয়েছে ভারতের ৩৭টি জাহাজ।
বুধবারই ইরানের ‘ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড’ দাবি করেছে, তারা হরমুজ প্রণালী ‘সম্পূর্ণ দখল’ করে নিয়েছে। ইরান হরমুজ় প্রণালী ‘বন্ধ’ করে রাখায় অন্য বহু জাহাজের সঙ্গে সমস্যায় পড়েছে ভারতীয় জাহাজগুলোও। পারস্য উপসাগর, ওমান উপসাগর এবং সংলগ্ন সমুদ্রে আটকে রয়েছে এই জাহাজগুলো। ভারতের পতাকাবাহী ওই জাহাজগুলোতে এক হাজারেরও বেশি নাবিক এবং নৌকর্মী রয়েছেন বলে সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গেছে।
আটকে পড়া ভারতীয় জাহাজগুলোকে নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল শিপওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে ভারতের জাহাজ চলাচল নিয়ামক সংস্থা ডিরেক্টরেট জেনারেল অব শিপিংও। জাহাজ সংস্থাগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে তারা।
সংবাদসংস্থা পিটিআই জানাচ্ছে, পশ্চিম এশিয়ার সংঘর্ষের পরিস্থিতিতে বিদেশি জাহাজে অন্তত তিন ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন এক জন। জানা যাচ্ছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা এবং ভারতীয় নাবিকদের দ্রুত সাহায্য করার জন্য ইতিমধ্যে একটি কুইক রেসপন্স টিমও গঠন করেছে জাহাজ পরিবহন মন্ত্রক। ভারত সরকার যাতে এই সমস্যা কাটাতে হস্তক্ষেপ করে, সেই আর্জিও জানিয়েছে ভারতের জাহাজ মালিকদের সংগঠনটি।
এক বিবৃতিতে জাহাজ মালিকদের ওই সংগঠন জানিয়েছে, দেশের চাহিদা পূরণ করার জন্যই ভারতের পতাকাবাহী প্রায় ৩৭টি জাহাজ পশ্চিম এশিয়ায় রয়েছে। জাহাজগুলো ইতিমধ্যেই পণ্যবোঝাই হয়ে গিয়েছে। কিছু পণ্যবোঝাইয়ের জন্য যাচ্ছে। বিবৃতিতে তারা লিখেছে, হরমুজ প্রণালীর উভয় পাশেই এই জাহাজগুলো রয়েছে। এই জাহাজগুলো যাতে নিরাপদে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করতে পারে, সে বিষয়ে পদক্ষেপ করার জন্য সরকারের কাছে আর্জি জানানো হয়েছে।
হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলে ইরানের নিষেধাজ্ঞায় আটকে ৩৭টি ভারতীয় জাহাজ
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা
অনলাইন
৩ মাস আগে
৫ মার্চ (বৃহস্পতিবার), ২০২৬, ৩ঃ০৩ (অপরাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
