জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১৭০ রান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের মতো মঞ্চে এই লক্ষ্য খুব একটা ছোট নয়। কিন্তু ফিন অ্যালেন সেটাকে মামুলি বানিয়ে আনলেন। ডানহাতি ব্যাটারের মাত্র ৩৩ বলের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে দক্ষিণ আফ্রিকার হৃদয়ভঙ্গ করে ফাইনালে পা রাখলো নিউজিল্যান্ড। তারা এখন আহমেদাবাদের ফাইনালের অপেক্ষায়। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ নির্ধারণ হবে আজ। ভারত ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিতীয় সেমিফাইনালের বিজয়ী হবে কিউইদের শিরোপা জয়ের পেছনে শেষ বাঁধা।
গতকাল লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই প্রোটিয়া বোলারদের ওপর চড়াও হন দুই কিউই ওপেনার ফিন অ্যালেন ও টিম সিফার্ট। উদ্বোধনী জুটিতে মাত্র ৯ ওভারে তারা স্কোরবোর্ডে যোগ করেন ১১৭ রান। ৩৩ বলে ৫৮ রান করে সিফার্ট যখন কাগিসো রাবাদার বলে বোল্ড হন। নিউজিল্যান্ড তখন জয়ের খুব কাছে। সিফার্টের বিদায়েও অ্যালেনের তাণ্ডব থামেনি। রাচিন রবীন্দ্রকে সঙ্গে নিয়ে মাত্র ১২.৫ ওভারেই দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তিনি। মার্কো জানসেনকে চার মেরে যেমন দলের জয় নিশ্চিত করেন, তেমনি ৩৩ বলে পূর্ণ করেন নিজের ক্যারিয়ারের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি। অপরাজিত ১০০ রানের ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও ৮টি বিশাল ছক্কার মার।
এর আগে টসে হেরে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই কুইন্টন ডি কক (১০) ও রায়ান রিকেলটনকে (০) হারিয়ে চাপে পড়ে তারা। অধিনায়ক এইডেন মার্করাম (১৮) ও ডেওয়াল্ড ব্রেভিস (৩৪) সেই চাপ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও বড় স্কোর গড়তে ব্যর্থ হন। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে একপর্যায়ে ৭৭ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে প্রোটিয়ারা।
ষষ্ঠ উইকেটে ট্রিস্টান স্টাবস ও মার্কো জানসেনের ৪৬ বলে ৭৩ রানের ঝোড়ো জুটি দক্ষিণ আফ্রিকাকে লড়াকু পুঁজি এনে দেয়। স্টাবস ২৯ রান করে আউট হলেও জানসেন শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন। মাত্র ৩০ বলে ২ চার ও ৫ ছক্কায় জানসেনের খেলা ৫৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে ভর করে ১৬৯ রান সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে কোল ম্যাককনকি, ম্যাট হেনরি ও রাচিন রবীন্দ্র ২টি করে উইকেট নেন। ১টি করে উইকেট পান জেমস নিশাম ও লকি ফার্গুসন।
সেমিফাইনাল থেকে বিদায় দক্ষিণ আফ্রিকার
ফাইনালের প্রতিপক্ষের অপেক্ষায় নিউজিল্যান্ড
স্পোর্টস ডেস্ক
খেলা
৩ মাস আগে
৫ মার্চ (বৃহস্পতিবার), ২০২৬, ২ঃ৪২ (অপরাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
