তিন ইস্যুতে আলোচনা

পল কাপুরের সঙ্গে বিএনপির বৈঠক

তিন ইস্যুতে আলোচনা

ফন্ট সাইজ:

দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন সহকারী সেক্রেটারি পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল। এতে ডিপ্লোম্যাটিক, বৈদেশিক এবং অর্থনৈতিক ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে। মূলত এই তিন ইস্যু বৈঠকে গুরুত্বসহকারে আলোচনা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খানের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি গুলশানে আমেরিকা রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে যান। বৈঠক শেষ তারা বের হন ১১টা ৫০ মিনিটে। প্রতিনিধি অন্য সদস্যরা হলেন-ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, ডা. মাহবুবুর রহমান, নায়েবা ইউসুফ এমপি, ঢাকা জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মঈন খান বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একজন অত্যন্ত শুভাকাঙ্ক্ষী রাষ্ট্র হিসেবে আমাদের বিভিন্নভাবে অতীতে সহযোগিতা করেছে। আজকে নতুন সরকার এসেছে, কাজেই তারা স্বাভাবিকভাবেই এদেশে আসবে, বাংলাদেশে কী হচ্ছে, আমাদের নীতিমালাগুলো কী, আমাদের ভবিষ্যৎ যে কর্মপন্থা-সেগুলো কী এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমাদের যে পারস্পরিক সম্পর্ক, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের যে সম্পর্ক-সেসব বিষয় নিয়ে তারা সার্বিক আলোচনায় অংশগ্রহণ করার জন্যই এ দেশে এসেছেন।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এই বিষয়টি নিয়ে তারা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেছে, কী আলোচনা করেছে, সেটা হয়তো সরকার আপনাদের জানিয়েছে এবং তারাও আপনাদের জানাবে। আজকে আমরা যে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি, সেগুলো মূলত দু’টি দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যে সম্পর্ক, সেই সম্পর্কের বিষয়গুলো এবং ভবিষ্যৎ যে সরকার-সেই সরকারের যে নীতিমালার বিষয়গুলো এবং আপনারা জানেন যে, আজকের বিশ্বে যে বিভিন্ন ধরনের যে ঘটনা প্রবাহ, সে সমস্ত কিছু সার্বিক বিষয় নিয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে মঈন খান বলেন, ‘বিরোধী দলের বিষয় নিয়ে সরাসরি আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। সেটা হয়তো তারা বিরোধী দলের সঙ্গে করে থাকতে পারে। সেটা আমাদের বিবেচ্য বিষয় নয়। আমাদের সঙ্গে বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে যে, আমাদের যে ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশন সেটা, দ্বিতীয়ত আমাদের যে বৈদেশিক সম্পর্ক সেটা এবং তৃতীয়ত আমাদের সঙ্গে তাদের যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সেটা-এই তিনটি বিষয় আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।’

অন্য আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিএনপি সরকারের পাশে আমেরিকা থাকবে কি থাকবে না, এটা তো আলোচনার বিষয় নয়। আলোচনার বিষয় হচ্ছে যে, আমরা বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিশ্বাস করি এবং একটি স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে জনগণের সমর্থনে আমরা একটি সরকার গঠন করেছি। আজকের মূল বিষয় হচ্ছে এটি যে, আমরা মানুষের যে কথা বলার স্বাধীনতা, মানুষের যে মত প্রকাশের স্বাধীনতা, মানুষের যে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা-সে বিষয়গুলো নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের যে নীতি, সেই নীতির পারস্পরিক সম্পর্কের জন্য আমরা আলোচনা করেছি।’

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন