মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সন্দেহভাজন একটি ইরানি ড্রোন দুবাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটে আঘাত হানে। পার্কিং লটে এই হামলার ফলে আগুন ধরে যায় এবং কালো ধোঁয়ার বড় বড় কুণ্ডলী আকাশে উঠতে দেখা যায়। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, হামলার পর কনস্যুলেটের সব কর্মী নিরাপদে আছেন। সবাইকে খুঁজে পাওয়া গেছে।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরান যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ধারাবাহিক আক্রমণ চালাচ্ছে তারই অংশ হিসেবে এই হামলা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ খবর দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিনের অনলাইন সংস্কর। এতে আরও বলা হয়, এই হামলাগুলো হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক অভিযানের প্রতিশোধ হিসেবে। ওই যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন।
রুবিও সাংবাদিকদের বলেন, দুঃখজনকভাবে একটি ড্রোন চ্যান্সেলারি ভবনের পাশের পার্কিং লটে আঘাত করে এবং সেখানে আগুন ধরে যায়। তিনি আরও বলেন, ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলা বাড়তে থাকায় যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে কনস্যুলেট ও দূতাবাসগুলোর কর্মী সংখ্যা অত্যন্ত সীমিত পর্যায়ে নামিয়ে এনেছে।
রুবিও বলেন, আমরা সৌভাগ্যবান যে বড় কোনো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু আমাদের দূতাবাস ও কূটনৈতিক স্থাপনাগুলো একটি সন্ত্রাসী শাসনের সরাসরি হামলার মুখে পড়েছে।
এদিকে দুবাই সরকারের মিডিয়া অফিস সামাজিক মাধ্যমে জানায়, কনস্যুলেটের কাছে ‘ড্রোন-সংক্রান্ত একটি ঘটনার’ কারণে যে আগুন লেগেছিল তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং পরে সম্পূর্ণভাবে নিভিয়ে ফেলা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
