বাংলাদেশ ক্রিকেট লীগের (বিসিএল) ফাইনালে দুর্দান্ত ব্যাটিং উপহার দিলেন তাওহীদ হৃদয়। তবে সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়ে ফিরতে হলো তাকে। নর্থ জোনের শেষ ব্যাটার হিসেবে ৯৮ বলে ৯৬ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন হৃদয়। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে সবগুলো উইকেট হারিয়ে ২৩৮ রান তোলে নর্থ জোন। এদিন ওপেনিংয়ে আসেন হাবিবুর রহমান সোহান এবং তানজিদ হাসান তামিম। উদ্বোধনী জুটিতে স্কোরকার্ডে যোগ হয় ২২ রান। ১৭ বলে ৫ রান করে আউট হন সোহান। তিনে নেমে তানজিদকে সঙ্গ দেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ২৩ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে তানজিদ।
চার নম্বর ব্যাটার হিসেবে ক্রিজে আসেন হৃদয়। তাকে দারুণভাবে সঙ্গ দেন শান্ত। পরবর্তীতে দলীয় ৮৬ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৩৫ রানের ইনিংসে থামেন তিনি। শান্ত বিদায় নিলে নর্থ জোনের রানের গতি কিছুটা কমে। পাঁচ নম্বর ব্যাটার এস এম মেহেরব হোসেনের অবদান ২৮ রানের। একই ওভারে মেহরবের পর আকবর আলীকেও (০) ফেরান রাকিবুল হাসান। এক প্রান্ত আগলে রেখে রান যোগ করেন হৃদয়। সাতে নামা সাব্বিরও দারুণ কিছু শট খেলে রান বের করেন। এর মধ্যে ব্যক্তিগত ফিফটি তুলে নেন হৃদয়। দলীয় ১৮৬ রানের মাথায় ফিরে যান সাব্বির (২৪)। এরপর হৃদয়ের সাথে যোগ দেন রিশাদ হোসেন। লড়াকু ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরির দিকে ছুটতে থাকেন হৃদয়। ব্যক্তিগত ১৬ রানে রিশাদের বিদায়ের পর ক্রিজে আসা আবদুল গাফফার সাকলাইন (২) ফেরেন দ্রুতই। শেষদিকে শরিফুল ইসলামের সঙ্গে জুটি বেঁধে এগোতে থাকেন হৃদয়। তবে ইনিংসের শেষ ওভারে ফিরতে হয় তাকে। ৮ চার ও ১ ছক্কায় সাজানো তার ৯৬ রানের ইনিংস।
সেন্ট্রাল জোনের হয়ে ৪ উইকেট নেন রিপন মণ্ডল। এছাড়া, ২টি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ এবং রাকিবুল হাসান। ১ উইকেট পান সাইফ হাসান।
বিসিএল ওয়ানডে ফাইনাল
সেঞ্চুরির আক্ষেপ হৃদয়ের
স্পোর্টস ডেস্ক
৪ মার্চ (বুধবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
