ট্রাইব্যুনালে জেরায় ইকবাল করিম ভূঁইয়া

কেনাকাটা সংক্রান্ত দুর্নীতি এখতিয়ারে বাহিরে ছিলো বিধায় তদন্ত করিনি

ফন্ট সাইজ:

আমি সেনাপ্রধান থাকাকালীন সময়ে কেনাকাটা সংক্রান্ত দুর্নীতি হয়েছিল, তবে এটি আমার এখতিয়ারের বাহিরে বিধায় আমি এই বিষয়ে তদন্ত করি নাই বলে জেরায় উল্লেখ করেছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া। শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়া সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিমের জেরা শেষ হয়েছে। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৯ মার্চ দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ জেরা সম্পন্ন হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন-বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এদিন, ইকবাল করিমকে জেরা করেন জিয়াউলের আইনজীবী আবুল হাসান। এর আগে তিনদিন যথাক্রমে ১৮ ও ২৩ ফেব্রুয়ারি এবং ১রা মার্চ জেরা করেন আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো।

জেরায় সাবেক সেনাপ্রধান বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘আমি সেনাবাহিনীর কোনো কেনাকাটা চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না এবং সেনাপ্রধান থাকাকালীন সময়ে কেনাকাটা সংক্রান্ত দুর্নীতি হয়েছিল কিন্তু আমি কোনো তদন্ত করি নাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘কেনাকাটা সংক্রান্ত দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম বলে তদন্ত করিনি এটা সত্য নয়। এটি আমার এখতিয়ারের বাহিরে বিধায় আমি এই বিষয়ে তদন্ত করি নাই।’

এর আগে, ৯ ফেব্রুয়ারি ইকবাল করিমে সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। ৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া জবানবন্দিতে জিয়াউল আহসানের বেপরোয়া তুলে ধরেন তিনি। একইসঙ্গে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা র‌্যাবে গিয়ে পেশাদার খুনি হয়ে ফিরে আসতেন বলে ট্রাইব্যুনালকে জানানো হয়। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ নিয়েও চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন এই সেনাপ্রধান।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন