গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় মানিক মিয়া (২২) নামের এক যুবককে অপহরণের পর পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনায় আপন মিয়া (২২) নামের আরেক যুবকের বিরুদ্ধে থানায় একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে। সোমবার এই এজাহার দাখিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার উপ-সহকারী পুলিশ পরিদর্শক লুৎফর রহমান। ভুক্তভোগী মানিক মিয়া উপজেলার বুজরুক পাটানোছা (সোনারপাড়া) গ্রামের মচকুট মিয়ার ছেলে ও অভিযুক্ত আপন মিয়া একই গ্রামের আব্দুল লতিফ সোনারের ছেলে।
দায়ের করা এজাহারের বিবরণে উল্লেখ করা হয়Ñ আর্থিক লেনদেন নিয়ে মানিক মিয়ার সঙ্গে আপন মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে শত্রুতা ছিল। এরই একপর্যায়ে গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত প্রায় সাড়ে ১১টার দিকে মানিক মিয়া সাদুল্লাপুর থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে সাদুল্লাপুর-ধাপেরহাট সড়কের বুজরুক পাটানোছাস্থ কালভার্টের উপর পৌঁছলে আপন মিয়া তার দলবল নিয়ে মানিক মিয়াকে পথরোধ করেন। এরপর একটি মোটরসাইকেলে জোরপূর্বক উঠিয়ে নিয়ে মানিককে অপহরণ করে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে হবিবুল্লাহপুর গ্রামের শ্মশানঘাট নামকস্থানে মানিককে বেধড়ক মারপিটসহ শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেন। এসময় আশপাশে লোকজনের আনাগোনা দেখে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এতে মানিক মিয়া গুরুতর আহত হন। কিছুক্ষণ পর এ দৃশ্য দেখে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে অবস্থার অবনতি হলে মানিক মিয়াকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান স্বজনরা।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মানিক মিয়ার পিতা মচকুট মিয়া বলেন, আমি অত্যন্ত গরিব মানুষ। আপন মিয়া পরিকল্পিতভাবে আমার ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করেছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। অভিযুক্ত আপন মিয়ার স্বজনরা বলেন, মানিক মিয়াকে কে বা কারা মারধর করছে সেটি আমরা জানি না। তবে মানিক ছেলেটি চুরির অপকর্মে জড়িত। সাদুল্লাপুর থানার এএসআই লুৎফর রহমান বলেন, মারধরের ঘটনায় মানিক মিয়া একটি অভিযোগ করেছেন। সেটি তদন্তাধীন রয়েছে।
সাদুল্লাপুরে যুবককে অপহরণের পর পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
৩ মার্চ (মঙ্গলবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
