মাঠে বিএনপি জামায়াতের প্রার্থীরা

শায়েস্তাগঞ্জে নির্বাচনী হাওয়া

মাঠে বিএনপি জামায়াতের প্রার্থীরা

ফন্ট সাইজ:

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দামামা বাজার আগেই শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভায় তোড়জোড় শুরু করেছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তফসিল ঘোষণা না হলেও দলীয় মনোনয়ন পেতে প্রার্থীরা মাঠ বিএনপি ও জামায়াত দলীয় প্রার্থীরা চষে বেড়াচ্ছেন। বিশেষ করে প্রার্থীর নীরব প্রচারণা এখন টক অব দ্য টাউন গত নির্বাচনের বিজয়ী দল বিএনপি’র ভেতরে এবার একাধিক নেতার তৎপরতা চোখে পড়ার মতো। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় দলটির যাচ্ছে না। কোনো প্রার্থীকে এখনো মাঠে দেখা চার প্রার্থী পৌর এলাকায় কান পাতলেই এখন চারজন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। তারা হলেন- পৌর বিএনপি’র সভাপতি ও সাবেক মেয়র ফরিদ আহমেদ অলি, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক প্রভাষক কামরুল হাসান রিপন, পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল মজিদ এবং উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইয়াসির খান। সম্ভাব্য এই প্রার্থীরা বিভিন্ন সামাজিক-ধর্মীয় অনুষ্ঠানে নিয়মিত অংশ নিচ্ছেন। পাড়া-মহল্লার চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সমর্থকদের প্রচারণা তুঙ্গে। ২০২০ সালের নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীকে হারিয়ে বিজয়ী হওয়া সাবেক মেয়র ফরিদ আহমেদ অলি বলেন- বিগত নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে আমি জয় লাভ করেছিলাম। আশা করি, দল এবারও আমার ওপর আস্থা রাখবে। দলীয় মনোনয়নের দৌড়ে পিছিয়ে নেই উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরুল হাসান রিপন। তিনি বলেন- আমার বাবা এই এলাকায় বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। আশা করি, দল সঠিক মূল্যায়ন করবে। সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল মজিদও এবার মনোনয়নের ব্যাপারে আশাবাদী। তিনি জানান, গতবার তাকে আশ্বস্ত করা হয়েছিল। এবার মনোনয়ন দেয়ার বিষয়ে। এদিকে জামায়াত নেতা ইয়াসির খান বলেন- পৌরবাসী নানা সমস্যায় জর্জরিত। তারা পরিবর্তন চায়। আমি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত সাড়ে ৬ বর্গকিলোমিটার আয়তনের শায়েস্তাগঞ্জ এখন প্রথম শ্রেণির পৌরসভা। সর্বশেষ আদমশুমারি অনুযায়ী ৩২ হাজার জনসংখ্যা অধ্যুষিত এই জনপদে ভোটার সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার। সাধারণ ভোটাররা বলছেন, সিনি অবকাঠামো উন্নয়ন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করবেন, তাকেই তারা বেছে নেবেন।




কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন