সপ্তমবারের মতো বিশ্বকাপে খবরের মাঠ তাতাবেন মতিউর রহমান চৌধুরী

সপ্তমবারের মতো বিশ্বকাপে খবরের মাঠ তাতাবেন মতিউর রহমান চৌধুরী

ফন্ট সাইজ:

কূটনীতির দুঁদে রিপোর্টার। রাজনীতির অন্দরের খবর আর অনুসন্ধানের জাঁদরেল লিখিয়ে। সব ছাপিয়ে এখন তিনি ছুটছেন বিশ্বকাপ ফুটবলের মাঠে। আমেরিকা-কানাডা-মেক্সিকো। দুনিয়ার সবচেয়ে বড় খেলার আসরে পায়ে পায়ে বল যখন ছুটতে থাকবে তখন তিনি কলম নিয়ে ছুটবেন খেলার অসাধারণ সব কেমিস্ট্রি লিখতে। যাতে থাকবে গৎবাঁধা খেলার রিপোর্টের বাইরে একেবারেই ভিন্ন স্বাদের কিছু। প্রতিদিনের প্রকাশিত পত্রিকা আর অনলাইনে ঠাসা থাকবে মাঠের টাটকা সব খবর। সপ্তমবারের মতো বিশ্বকাপের মাঠে হাজির থাকছেন মানবজমিন প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী। তিনি খেলার মাঠে খবরের মাঠ তাতাবেন বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে।

মতিউর রহমান চৌধুরী কী করে ফুটবলে? সেই প্রশ্নের উত্তরে তিনি নিজেই বলেছেন এক রোমাঞ্চকর গল্প। তখন ইত্তেফাকে কূটনৈতিক রিপোর্টার। পিঠে ক্রীড়া সাংবাদিকের তকমা লাগালেই খেলা নিয়ে রিপোর্ট করতে হবে এমন ধারণা নিয়ে টেবিলে বসে আপসোস করবো- এমনটা ছিলাম না। নাছোড়বান্দা হয়েই গিয়েছিলাম ইতালির বিশ্বকাপে।
’৮৬-র বিশ্বকাপে জাদুকরি আর অবিশ্বাস্য সব ঘটনা হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার মতো আমাকে টেনে নিয়ে গিয়েছিল মিলানে। দিনগুলোর কথা ভাবলে আজও অবিশ্বাস্য মনে হয়।

ভিসা, টিকিট, অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড কিচ্ছু নেই। অর্থকড়ির টানাপড়েন আর বলতে! ইত্তেফাকে কূটনৈতিক রিপোর্টার থেকে হয়ে গেলাম ক্রীড়া সাংবাদিক। দিয়াগো ম্যারাডোনার ফুটবল নিয়ে ছুটোছুটির মোহময় ভঙ্গি আমাকে সেদিন বিশ্বকাপের মাঠে জাদুর মতোই টেনেছিল- এটাই অমোঘ সত্য। তারপরের ঘটনা তো ইতিহাস। ’৯০-এর বিশ্বকাপ দিয়ে শুরু অভিযাত্রা। এরপর সেই যে ফুটবলে মজেছি, আজও সেই গোলাকার হাওয়া ভর্তি বস্তুটির পেছনে ছুটছি। যাচ্ছি এবারো বিশ্বকাপে। বিশ্বকাপের এবারের আসর নিয়েও আমার কলম ছুটতে থাকবে ফুটবল মাঠে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন