তদারকি নেই লক্ষ্মীপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে মিলছে না সেবা

তদারকি নেই লক্ষ্মীপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে মিলছে না সেবা

ফন্ট সাইজ:

লক্ষ্মীপুরে কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা মিলছে না বলে অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তদারকির অভাবে কার্যক্রম অনেকটা ঝিমিয়ে পড়েছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা। নিয়মিত উপস্থিত থাকছেন না স্বাস্থ্য সহকারীসহ ও অন্যরা। লক্ষ্মীপুরের দালাল বাজার, চররুহিতা, ভাঙ্গাখা ও পিয়ারাপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র এবং কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে এলাকার সাধারণ মানুষজন। অনেক সময় কেন্দ্রে অফিস সহায়ক ছাড়া আর কোনো কর্মকর্তা থাকেন না বলে জানা গেছে। সরজমিন দেখা যায়, দালাল বাজার জবায়েদ উল্লাহ হাওলাদার বাড়ি কমিউনিটি ক্লিনিক তালা বদ্ধ। গত সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও আব্দুল বাতেন স্বাস্থ্য সহকারী, ফাবিয়া ফেরদৌস সিএইচসিপি, অঞ্জনা রানী মজুমদার এফডাব্লিউ কাউকে সেন্টারে আসতে দেখিনি। পরে তাৎক্ষণিক ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

৩নং দালাল বাজার ইউনিয়নে কর্মরত স্বাস্থ্য সহকারী আবদুল বাতেন যিনি ১ নং ওয়ার্ডের জবায়েদ উল্লাহ হাওলাদার বাড়ি কমিউনিটি ক্লিনিকে সপ্তাহে দুইদিন ডিউটি করার কথা থাকলেও আসেন না। অতীতেও তাকে পাওয়া যায়নি। এবং টিকাদান কেন্দ্রেও খুব দেরিতে আসেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বাস্থ্য সহকারী বেশির ভাগ অনুপস্থিত থাকেন। সরজমিন দেখা যায়, দালাল বাজার ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডে ৬০ বছর বয়সী হোসেন আহমদ ও তার স্ত্রীকে নিয়ে সেবা নিতে আসেন।

ওই সময় কাউকে না পেয়ে তারা ফিরে যেতে বাধ্য হন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কর্তব্যরত আব্দুল বাতেন স্বাস্থ্য সহকারী, ফাবিয়া ফেরদৌস সিএইচসিপি,অঞ্জনা রানী মজুমদার এফডাব্লিউ এ ক্লিনিকে নিয়মিত আসেন না। স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এ ক্লিনিকে কাঙ্ক্ষিত কোনো স্বাস্থ্যসেবা আগেও পাওয়া যায়নি, বর্তমানে তো কেউ নেই। কর্তৃপক্ষের সঠিক তদারকি না থাকায় এ অবস্থা হয়েছে। এ ব্যপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কাজী আবদুল মমিনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। অফিস ফাঁকি দেয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে জানান তিনি।


ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন