পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার

হবিগঞ্জের নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনালের বিচারককে তলব হাইকোর্টের

ফন্ট সাইজ:

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানার ২০২১ সালের একটি চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচারকাজ পাঁচ বছরেও শেষ না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের বিচারককে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার বিচারপতি ইমরানুল কাদের ও বিচারপতি সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানায় দায়ের হওয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার এক আসামি গোলাম হোসেনের জামিন আবেদন শুনানির সময় হাইকোর্ট মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করেন। তখন দেখা যায়, ২০২১ সালের ডিসেম্বরে দায়ের হওয়া মামলাটিতে এখন পর্যন্ত সাক্ষ্যগ্রহণই শুরু হয়নি এবং বিচার কার্যক্রমও শেষ হয়নি।

এ অবস্থায় আদালত বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, আইন অনুযায়ী চার্জ গঠনের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিচার সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও প্রায় পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও মামলাটির বিচার উল্লেখযোগ্যভাবে অগ্রসর হয়নি।

পরে হাইকোর্ট হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক সৈয়দা মিনহাজুম মনিরাকে আগামী ২৩ জুন আদালতে হাজির হয়ে মামলার বিচারকাজ কেন শেষ হয়নি, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষ আদালতকে জানায়, মামলাটি একটি নৃশংস ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগীকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করা হয়। মামলার দুই প্রধান আসামিরই ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রয়েছে। শুনানিতে আদালত পর্যবেক্ষণ দেন যে, এ ধরনের গুরুতর অপরাধের মামলার বিচার দীর্ঘদিন ঝুলে থাকলে সমাজে নেতিবাচক বার্তা যায় এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি উৎসাহিত হতে পারে। সে কারণেই বিচার বিলম্বের কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট বিচারককে তলব করা হয়েছে।

ট্যাগসমূহ:

Rashed

১ ঘন্টা আগে

বিচারের বেহাল দশা। বিচারকের বিচার করবে কে?

মন্তব্য করুন