দুই ভাই ও প্রবীণতম কোচ নিয়ে রূপকথার অপেক্ষায় কুরাসাও

দুই ভাই ও প্রবীণতম কোচ নিয়ে রূপকথার অপেক্ষায় কুরাসাও

ফন্ট সাইজ:

ইতিহাসের সবচেয়ে কম জনসংখ্যার (দুই লাখের কম) দেশ হিসেবে এবার বিশ্বকাপে অভিষেক হতে যাচ্ছে কুরাসাওয়ের। নিজেদের এই ঐতিহাসিক অভিযাত্রার জন্য ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে ক্যারিবীয় দ্বীপ রাষ্ট্রটি। সেখানে সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন দুই সহোদর- লিয়েন্দ্রো বাকুনা ও জুনিও বাকুনা।
বিশ্ব মঞ্চে কুরাসাওকে নেতৃত্ব দেবেন অ্যাস্টন ভিলার সাবেক মিডফিল্ডার ৩৪ বছর বয়সী লিয়েন্দ্রো বাকুনা। বড় ভাইয়ের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মাঝমাঠ মাতাবেন তার ২৮ বছর বয়সী ছোট ভাই জুনিও বাকুনা। বাছাই পর্বে দুর্দান্ত তিনটি গোল করেন জুনিও। দুই ভাইয়ের পাশাপাশি দলটির আক্রমণভাগে বড় ভরসা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক একাডেমি খেলোয়াড় তাহিথ চং।

নেদারল্যান্ডসের বয়সভিত্তিক দলে খেলা চং গত বছর কুরাসাওয়ের নাগরিকত্ব নেন। এ ছাড়া, শুরান্ডি সাম্বো ও রিশেডলি বাজোয়েরের মতো ডাচ্‌ বংশোদ্ভূত আরও চার ফুটবলারকে দলে ভিড়িয়েছে তারা। কুরাসাওয়ের এই রূপকথার পেছনের মূল কারিগর তাদের ৭৮ বছর বয়সী ডাচ্‌ কোচ ডিক অ্যাডভোকাট। গত ফেব্রুয়ারিতে পদত্যাগ করলেও বিশ্বকাপের ঠিক আগে আবারো ডাগআউটে ফিরেছেন তিনি। এর মাধ্যমে বিশ্বকাপের ইতিহাসের সবচেয়ে বয়স্ক কোচ হওয়ার রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন প্রবীণ মাস্টারমাইন্ড।

এর আগে অ্যাডভোকাট ১৯৯৪ বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডস ও ২০০৬ বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার দায়িত্ব পালন করেন। ডিফেন্সে জুরিয়েন গারি, আক্রমণভাগে অভিজ্ঞ জুর্গেন লোকাডিয়া ও বাছাইয়ে ৮ গোল করা জারভেনে কাস্তানিরকে নিয়ে বেশ ভারসাম্যপূর্ণ দল গড়েছে কুরাসাও। ‘ই’ গ্রুপে থাকা নবাগত দলটি আগামী ১৪ই জুন শক্তিশালী জার্মানির বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তাদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে। কুরাসাওয়ের বাকি দুই প্রতিপক্ষ ইকুয়েডর ও আইভরি কোস্ট।

কুরাসাওয়ের বিশ্বকাপ স্কোয়াড:
গোলকিপার: টাইরিক বোডাক, ট্রেভর ডুরনবুশ, এলয় রুম।
ডিফেন্ডার: রিশেডলি বাজোয়ের, জশুয়া ব্রেনেট, রোশন ভ্যান ইজমা, শেরেল ফ্লোরানুস, ডেভেরন ফনভিল, জুরিয়েন গারি, আরমান্ডো ওবিস্পো, শুরান্ডি সাম্বো। মিডফিল্ডার: জুনিও বাকুনা, লিয়েন্দ্রো বাকুনা, লিভানো কোমেনেনসিয়া, কেভিন ফেলিডা, আর’জানি মার্থা, টাইরেস নোসলিন, গডফ্রেড রোমেরাথু।
ফরোয়ার্ড: জেরেমি আন্তোনিসে, তাহিথ চং, কেঞ্জি গোরি, সন্টজে হ্যানসেন, জার্ভেন কাস্তানির, ব্র্যান্ডলি কুয়াস, ইয়ুর্গেন লোকাডিয়া, জের্ল মার্গারিটা।

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন