আদিবাসী প্রেমিকার মুখ: এক আদিবাসী প্রেমিকার প্রতিচ্ছবি’ গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত

আদিবাসী প্রেমিকার মুখ: এক আদিবাসী প্রেমিকার প্রতিচ্ছবি’ গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত

ফন্ট সাইজ:

সাংবাদিক, কবি ও কথাসাহিত্যিক এহসান মাহমুদের দ্বিভাষিক কাব্যগ্রন্থ ‘আদিবাসী প্রেমিকার মুখ : এক আদিবাসী প্রেমিকার প্রতিচ্ছবি’-এর প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার বিকেল ৪টায় বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে প্রকাশনা সংস্থা ‘ঐতিহ্য’-এর উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম। তিনি বলেন, আদিবাসী ও সমতলবাসীদের মধ্যে বিভাজন কমিয়ে একটি মানবিক ও কল্যাণরাষ্ট্র গড়ে তুলতে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। উভয় সম্প্রদায়ের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থাকা জরুরি।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম, গবেষক ও শিক্ষক কুদরত-ই-হুদা, লেখক ও গবেষক পাভেল পার্থ, অধিকারকর্মী মেইনথিন প্রমীলা, গ্রন্থটির লেখক এহসান মাহমুদ, অনুবাদক আলমগীর মোহাম্মদ এবং ‘ঐতিহ্য’-এর প্রকাশক আরিফুর রহমান নাইম।
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক সত্তা ও বাস্তবতার বিভিন্ন দিক এই কাব্যগ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। একইসঙ্গে এটি আদিবাসী ও সমতলবাসীদের মধ্যে এক ধরনের সংলাপ তৈরির প্রয়াস হিসেবেও কাজ করতে পারে।

গবেষক ও শিক্ষক কুদরত-ই-হুদা আদিবাসী জনগণের চলমান বেদনা ও বাস্তবতার বিষয় তুলে ধরে বলেন, কবি এ গ্রন্থে একজন আদিবাসীর দৃষ্টিকোণ থেকে পাহাড় ও প্রকৃতিকে দেখার যে চেষ্টা করেছেন, তা অনেকাংশেই সফল হয়েছে।
লেখক ও গবেষক পাভেল পার্থ বক্তব্যে মিথ, প্রাণপ্রকৃতি ও বিভিন্ন রূপকের ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করেন।

অনুবাদক আলমগীর মোহাম্মদ বলেন, অনুবাদের ক্ষেত্রে তিনি কবিতার ভাব ও ভাষ্যের মধ্যে অর্থবহ সামঞ্জস্য বজায় রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। লেখক এহসান মাহমুদ গ্রন্থভুক্ত কবিতাগুলোর পেছনের অভিজ্ঞতা ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।

অধিকারকর্মী মেইনথিন প্রমীলা বলেন, এ কাব্যগ্রন্থে ‘প্রেমিকা’ একটি প্রতীকী রূপ ধারণ করেছে, যা একইসঙ্গে পাহাড় ও তার সংস্কৃতিকে নির্দেশ করে। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকাশনা সংস্থা ‘ঐতিহ্য’-এর কর্ণধার আরিফুর রহমান নাইম। প্রকাশনা উৎসবে সাহিত্যপ্রেমী, পাঠক, সাংবাদিক, সংস্কৃতিকর্মী এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন