ট্রাম্পকে অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেয়া রিপাবলিকান সিনেটরের পুনঃনির্বাচনী লড়াই

ট্রাম্পকে অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেয়া রিপাবলিকান সিনেটরের পুনঃনির্বাচনী লড়াই

ফন্ট সাইজ:

২০২১ সালের অভিশংসন বিচারে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে দোষী সাব্যস্ত করার পক্ষে ভোট দেয়া রিপাবলিকান সিনেটর বিল ক্যাসিডি এখন রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকার লড়াই করছেন। শনিবারের প্রাইমারি নির্বাচনে তিনি ট্রাম্প-সমর্থিত প্রতিদ্বন্দ্বীর মুখোমুখি হয়েছেন। লুইজিয়ানার এই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসওম্যান জুলিয়া লেটলোর প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি বর্তমান সিনেটর ক্যাসিডিকে অবিশ্বস্ত বিপর্যয় বলে আখ্যা দিয়েছেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।

বেশিরভাগ জরিপে দেখা যাচ্ছে, প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লেটলো এবং আরেক ট্রাম্পপন্থী প্রার্থী অঙ্গরাজ্যের কোষাধ্যক্ষ জন ফ্লেমিংয়ের তুলনায় ক্যাসিডি পিছিয়ে রয়েছেন। এই প্রাইমারি নির্বাচনকে ট্রাম্পের জন্য আরেকটি পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তা হলো তার বিরোধিতা করা রিপাবলিকানদের তিনি কতটা রাজনৈতিকভাবে শায়েস্তা করতে পারেন। যদি কোনো প্রার্থী সরাসরি সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পান, তাহলে শীর্ষ দুই প্রার্থী জুনের শেষ দিকে রানঅফ নির্বাচনে মুখোমুখি হবেন। 

৬৮ বছর বয়সী ক্যাসিডি ছিলেন সেই সাতজন রিপাবলিকান সিনেটরের একজন, যারা ২০২১ সালে ক্যাপিটলে ৬ জানুয়ারির হামলার পর ট্রাম্পের অভিশংসন বিচারে তাকে দোষী সাব্যস্ত করার পক্ষে ভোট দেন। সিনেটে ৫৭-৪৩ ভোটে ট্রাম্প স্বস্তি পান। কারণ প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জিত হয়নি। যে সাতজন রিপাবলিকান ট্রাম্পকে দোষী সাব্যস্তের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে এখনো মাত্র তিনজন সিনেটে আছেন। তারা হলেন আলাস্কার লিসা মারকাওস্কি, মেইনের সুসান কলিন্স ও লুইজিয়ানার বিল ক্যাসিডি।

পুনঃনির্বাচনী প্রচারণার সময় লুইজিয়ানার এই সিনেটর ট্রাম্পের সঙ্গে টানাপড়েনপূর্ণ সম্পর্ক মেরামতের চেষ্টা করেন। গত সপ্তাহে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি সত্যিই মনে করি না প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমাকে খুব পছন্দ করেন। কিন্তু আমরা একসঙ্গে খুব ভালোভাবে কাজ করি। তিনি উল্লেখ করেন, তার উত্থাপিত বেশ কয়েকটি বিল পরে প্রেসিডেন্ট আইনে পরিণত করেছেন।

ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের ঘনিষ্ঠতা তুলে ধরার চেষ্টা করলেও, চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ৪৫ বছর বয়সী জুলিয়া লেটলোকে ক্যাসিডির বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে উৎসাহ দেন। শনিবার সকালে লুইজিয়ানায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পরপরই ট্রাম্প আবারও ক্যাসিডির বিরুদ্ধে আক্রমণ করেন এবং লেটলোর প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন