ব্রিকসে ইরান-আরব আমিরাতের তীব্র বাগবিতণ্ডা

ব্রিকসে ইরান-আরব আমিরাতের তীব্র বাগবিতণ্ডা

ফন্ট সাইজ:

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ব্রিকসের বৈঠকে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স তাদের অনলাইন প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

খবরে বলা হয়েছে, বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি অভিযোগ করেন যে, তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে সরাসরি জড়িত ছিল আমিরাত।

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি দাবি করেন যে ইরান যুদ্ধের সময় তিনি আরব আমিরাত সফর করেছেন। তার এই দাবির পরদিনই ইরান ও আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের তুমুল উত্তেজনা প্রকাশ্যে এলো।

তবে আমিরাত নেতানিয়াহুর এমন দাবি অস্বীকার করেছে।
বৃহস্পতিবার বৈঠকে আমিরাতের প্রতিনিধির বক্তব্যের জবাবে আরাঘচি বলেন, ঐক্যের স্বার্থে আমি ব্রিকসের বিবৃতিতে আরব আমিরাতের নাম উল্লেখ করিনি। তবে সত্য ঘটনা হলো, আমার দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসনে আরব আমিরাত সরাসরি জড়িত ছিল।

ইরানে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলা শুরুর পরে আমিরাত নিন্দাও জানায়নি বলে উল্লেখ করেন আরাঘচি। তবে আমিরাতের প্রতিনিধি ঠিক কী মন্তব্য করেছিলেন, তা ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম স্পষ্ট করেনি।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, আরাঘচি আরও দাবি করেন যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বা ইসরাইলের সঙ্গে জোট আরব আমিরাতকে নিরাপত্তা দিতে পারেনি। তিনি আরব আমিরাতকে তেহরানের প্রতি তাদের নীতি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।

এদিন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের পাশাপাশি বসবাস করতে হবে। এ জন্য দুই দেশের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক ও পূর্ণ বোঝাপড়া প্রয়োজন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ইসরাইল ও মার্কিন বাহিনী অতর্কিত হামলা শুরু করে। টানা ৪০ দিন ব্যাপী এই যুদ্ধ চলে। দেশ দুইটির যৌথ হামলার জেরে ইরানি বাহিনী উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এর মধ্যে আরব আমিরাতে ইরানের হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে।

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন