সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সরকার জনকল্যাণে প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে দেশব্যাপী খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। জনগণের কাছে দেয়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তবে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনসচেতনতা ও সম্মিলিত অংশগ্রহণ ছাড়া এ ধরনের কর্মসূচি শতভাগ সফল করা সম্ভব নয়। তাই খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। রোববার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে দেশব্যাপী খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য এম এ মালিক ও সংসদ সদস্য মুফতি আবুল হাসান। সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেন, সরকারের এই মহৎ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হবে। কোন খাল কোথায় খনন হবে এবং কোথায় বৃক্ষরোপণ করা হবে তা এক সপ্তাহের মধ্যে নির্ধারণ করতে হবে। সভায় সিলেট জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি শহিদ আহমদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট হাসান আহমদ পাটোয়ারী রিপন, সিলেট সদর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রকল্প বাস্তবায়নে বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন।
২০২৬ সালের ১৬ই মার্চ থেকে বাংলাদেশ সরকার কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং জলাশয় পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে দেশব্যাপী খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি শুরু করেছে। গত ২রা মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেটে বাসিয়া খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এই উদ্যোগের আওতায় আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা রয়েছে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়সহ সরকারের চারটি সংস্থা এ প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করছে।
