প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের নতুন ব্যাকরণ

প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের নতুন ব্যাকরণ

ফন্ট সাইজ:

৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান ও ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে, তার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে যাত্রা শুরু করেছে এক নতুন বাংলাদেশ। এই নতুন বাংলাদেশে, নতুন প্রত্যাশা ও পূর্ণ উদ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। প্রধানমন্ত্রী তার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনে, যখন লাখ লাখ জনতা তার বক্তব্য শুনতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষারত, তখন তিনি মাইক হাতে বললেন, ও যধাব ধ ঢ়ষধহ। এরপর তিনি নেমে পড়লেন কাজে, বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করলেন। ক্ষমতাকে দায়িত্ব হিসেবে নিয়ে পরদিন থেকেই নেমে পড়লেন দেশ পুনর্গঠনে ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণে।
প্রতিদিন সকাল ৯টায় অফিস শুরু হয়ে শেষ হচ্ছে রাত ৯টা-১০টা পেরিয়ে। এই দেশে রাজনীতিবিদরা নির্বাচনের আগে কথার ফুলঝুরিতে প্রতিশ্রুতি দেন। আমরা রাজনৈতিক সংস্কৃতি দেখেছি, নির্বাচনের প্রতিশ্রুতির কথা রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের পর ভুলে যায়।

কিন্তু তারেক রহমানের নেতৃত্বের সরকার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ করছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এত দ্রুত কোনো সরকার জনগণের কাছে দেয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের উদ্যোগ নিয়েছে কিনা, তা সন্দেহজনক। সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গেই তিনি তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন।

কৃষিঋণ মওকুফ: প্রধানমন্ত্রী তার নির্বাচনী জনসভায় বলেছিলেন, তিনি ক্ষমতায় আসলে কৃষকের কৃষিঋণ মওকুফের ব্যবস্থা করবেন। ক্ষমতায় আসার মাত্র ১ সপ্তাহের মধ্যে তার সরকার প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ঋণ, সুদসহ মওকুফ করেছে।

সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ: ফ্যামিলি কার্ড
প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দেন। ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে, গত ১০ই মার্চ, প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি পরিবারের কাছে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেয়ার পাইলট প্রকল্প শেষ হয়েছে। ইতিমধ্যে ৩৭,৫৬৭ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হয়েছে। প্রতিটি কার্ডে মাসিক ২,৫০০ টাকা নগদ সহায়তা দেয়া হচ্ছে, যা নারীর অর্থনৈতিক, পারিবারিক ও সামাজিক ক্ষমতায়নের এক আন্তর্জাতিক রোল মডেল। আগামী চার বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। সরকার এমন কর্মসূচির মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে ‘চরম দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে চায়।
কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের নগদ আর্থিক ও কৃষি উপকরণ নিশ্চিতের উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর আরেকটি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দেশের কৃষক-কৃষাণীর জন্য ১০টি সুবিধা ও নগদ অর্থায়ন সংবলিত “কৃষক কার্ড” প্রচলন করা। ইতিমধ্যে প্রাথমিকভাবে ১০টি জেলার ২২ হাজারেরও বেশি প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষককে “কৃষক কার্ড” প্রদানের মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের সঙ্গে যারা যুক্ত এবং খামারিরাও এই সুবিধা পাচ্ছেন।

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতার ব্যবস্থা: ৪,৯০৮টি মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন, ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জা যাজক ও পালকরা মাসিক সম্মাননা পাচ্ছেন। এই কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে সব মসজিদ ও ধর্মীয় উপাসনালয়ে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ওই নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী নিয়োগ দেয়া হয়েছে, যা ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবার অধিকার প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

কর্মসংস্থান তৈরিতে সরকারের জোর: দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থান বাড়ানোর অংশ হিসেবে সরকার বিদেশে অধিকসংখ্যক জনশক্তি রপ্তানির উদ্যোগ নিয়েছে। দক্ষ এবং আধা-দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির ওপর গুরুত্ব দিয়ে দেশ জুড়ে টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার ও কারিগরি শিক্ষায় বহুভাষা ও দক্ষতা বৃদ্ধির কারিকুলামে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন পর আবারো খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। দুই দেশের অভূতপূর্ব যৌথ বিবৃতিতে উঠে এসেছে অভিবাসন ব্যয় হ্রাস, স্বচ্ছ প্রক্রিয়া ও প্রবাসীদের জনকল্যাণ। বিকল্প শ্রমবাজার খুঁজতে ইউরোপের ৭টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। দেশগুলো হলো- সার্বিয়া, গ্রিস, নর্থ মেসিডোনিয়া, রোমানিয়া, পর্তুগাল, ব্রাজিল ও রাশিয়া।

স্বাস্থ্য কার্ড ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ: সঠিক ও গুণগত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। সারা দেশে হাসপাতালগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েনের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এই নিয়োগের ক্ষেত্রে নারী ক্ষমতায়নকে প্রাধান্য দিয়ে মোট কর্মীর ৮০ শতাংশ নারী থেকে নেয়া হবে।

শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ: প্রতি বছর পুনরায় ভর্তি ফি বাতিল, অর্থাৎ পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ হওয়ার পর নতুন করে আর ভর্তি ফি না নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সব স্তরের শিক্ষাবৃত্তির অর্থের পরিমাণ দ্বিগুণ করা হয়েছে। বিদেশে উচ্চশিক্ষার লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক সহায়তায় সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জামানতবিহীন ব্যাংক গ্যারান্টির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৯,০০০ ধর্মীয় শিক্ষক এবং শূন্য পদসমূহে বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ শিশু-কিশোরদের জন্য উন্মুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে; উপজেলা পর্যায়ে ৬টি খেলায় ৩ জন করে মোট ১৮ জন ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগ শুরু হয়েছে। মহানগর পর্যায়ে উন্মুক্ত খেলার মাঠের সংস্থান করা হচ্ছে। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবারো শুরু হয়েছে শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণের প্রতিযোগিতা, “নতুন কুঁড়ি”, প্রথমবারের মতো সংযুক্ত হচ্ছে ক্রীড়া ও কোরআন তেলাওয়াত। জাতীয় সংসদের গ্যালারিতে শিক্ষার্থীদের জন্য ১৫০ আসন বরাদ্দ এবং দেশব্যাপী বই পড়াকে উৎসাহিত করার জন্য বেসরকারি খাতের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস দিচ্ছে সরকার: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস, জুতা ও পাটের তৈরি ব্যাগ বিতরণের লক্ষ্যে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন স্কুলে পর্যায়ক্রমে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পাইলট কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’, কারিগরি শিক্ষা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি যুক্ত করে শিক্ষাক্রমকে সমৃদ্ধ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিক করার উদ্যোগ: মাদ্রাসা শিক্ষাকে যুগোপযোগী করতে স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং কারিগরি কোর্স অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ক্রীড়ায় উৎসাহ: স্পোর্টস কার্ড ও স্পোর্টস অ্যালাউন্স কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে ইতিমধ্যে শতাধিক ক্রীড়াবিদকে ভাতা দেয়া হচ্ছে। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-এর উদ্বোধন হয়েছে।

খাল খনন ও জলাশয় ও পরিবেশ রক্ষায় জোর: সারা দেশে ২০,০০০ কিলোমিটার নদী-খাল ও জলাশয় খনন ও পুনঃখননের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে ৫৪ জেলায় এই কাজ শুরু করা হয়েছে। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন আইন সংশোধনের একটি খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে, এর ফলে নদী দখল ও দূষণ ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বনায়ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে ১ কোটি ৫০ লাখ বিভিন্ন প্রজাতির চারা উৎপাদন করা হয়েছে। উৎপাদিত চারাগুলো চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমে রোপণ করা হবে। উপকূলীয় অঞ্চলে নদীভাঙন রোধ এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

হজযাত্রার খরচ কমানো: বিগত সময়ের তুলনায় হজযাত্রার খরচ টিকিট প্রতি ১২,০০০ টাকা এ বছরই কমানো হয়েছে। প্রথমবারের মতো দেশের মাটিতেই “নুসুক হজ কার্ড” প্রদান করা হয়েছে।

প্রবাসী কার্ড চালু: শিগগিরই প্রবাসীদের জন্য “প্রবাসী কার্ড” চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

চাকরিতে নিয়োগ: দেশের সব মন্ত্রণালয় ও সরকারি অফিসে শূন্য পদ ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি। শূন্য পদ পূরণের জন্য ৬ মাস, ১ বছর ও ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।

অর্থনীতি নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা: অর্থনীতিকে স্থিতিশীল, পুনর্গঠন ও বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধির পথে নিতে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশে উন্নীত করা, মূল্যস্ফীতি কমিয়ে আনা, প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো, এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালুর মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে। বিদেশি বিনিয়োগ সহজীকরণের জন্য ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ প্রত্যাবাসনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গকে অ্যাগ্রো-প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রির ‘হাব’ বা প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পেপাল ও অন্যান্য পেমেন্ট গেটওয়ে কার্যক্রম বাংলাদেশে চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ঢাকায় পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক বাস এবং নারীদের জন্য নিরাপদ বিশেষায়িত ‘পিংক বাস’ সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ফুটপাথের ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন এবং ভিন্ন স্থানে ব্যবসা পরিচালনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

বাকস্বাধীনতার অনন্য নজির স্থাপন: একটি উদার ও গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণ, স্বাধীন গণমাধ্যম এবং বাধাহীন চিন্তার পরিবেশ নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

পাচারকৃত অর্থ ফেরতের উদ্যোগ: বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে পাচারকৃত বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পাচারকৃত অর্থ ফেরতের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজনীতির বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজ দেশ গঠনের মহান দায়িত্ব হাতে নিয়েছেন। কেউ আলাদিনের চেরাগ নিয়ে আসেনি। কিন্তু তিনি ও তার সরকারের রয়েছে দেশের প্রতি মমত্ববোধ এবং জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ। একটি বৈষম্যহীন, সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা বিগত দেড় যুগ ফ্যাসিবাদী সরকারের কাঠামোর মধ্যে ছিলাম; দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের কারণে দেশের অর্থনীতি একটি সংকটময় পরিস্থিতিতে পড়েছে। ভেঙে পড়া আইনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারেরও বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে যে বাংলাদেশ সবার তেমন বাংলাদেশ গঠনের জন্য এই সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিএনপি’র নির্বাচনী প্রচারণায় একটি গান ছিল, “আমার আগে আমরা, আমাদের আগে দেশ, ক্ষমতার আগে জনতা, সবার আগে বাংলাদেশ।” সবার আগে বাংলাদেশকে প্রাধান্য দিয়েই সরকার তার পরিকল্পনা সাজাচ্ছে। পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমেই গড়ে উঠবে নতুন এক বাংলাদেশ।

লেখক: প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন