শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়লো ৬ই আগষ্ট পর্যন্ত

অনলাইন ডেস্ক

শিক্ষাঙ্গন ১৫ জুন ২০২০, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:৫০

বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ৬ই আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

গত ১৭ই মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক দফা ছুটি বাড়ানোর পর আজ তা শেষ হচ্ছে। ছুটি শেষ হওয়ার আগেই শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আবারো ৬ই আগস্ট পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হলো।

দেশে বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির ঊর্ধ্বগতি চলছে। এই অবস্থায় সহসাই স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় খুলছে না বলে জানা যায়। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকতে পারে।


জানা যায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সংসদ টেলিভিশনে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের ক্লাস সম্প্রচার করা হচ্ছে। কিন্তু শহরাঞ্চলের শিক্ষার্থীরা এসব ক্লাস দেখতে পেলেও মফস্বলের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই নানা কারণে এসব ক্লাসে সম্পৃক্ত হতে পারছে না। ফলে মফস্বলের শিক্ষার্থীরা অনেকটাই পিছিয়ে পড়ছে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

সিরাজুল ইসলাম

২০২০-০৬-১৫ ০৮:৪০:১৪

শিক্ষা ভাবনা ! আমাদের জনসংখ্যার প্রায় একচতুর্থাংশ প্রাথমিক মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে অধ্যায়নরত, অর্থাৎ প্রাথমিকে প্রায় ২ কোটি ২০ লক্ষ, প্মাধ্যমিকে প্রায় ২ কোটি এবং উচ্চমাধ্যমিকে প্রায় ২০ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রী পড়া শুনা করে, মোট প্রায় ৪ কোটি ৪০ লক্ষ শিশু, কিশোর ও যুবক-যুবতি যারা আগামী ৫০-৭০ বছর বাংলাদেশে নেতৃত্ব দিবে।এটা অনেকটা নিশ্চিতভাবই বলা যায় আমরা যারা বর্তমানে কথা বলছি দেশ চালাচ্ছি তাদের কেউ তখন নেতৃত্বে বা বেঁচে থাকবেনা।আমার প্রশ্ন হল এইযে ৪ মাস হয়ত আরও ৬ মাস শিক্ষার এই অবস্থা চলতে থাকবে।আমরা আমাদের জাতির একমাত্র ভবিষ্যত শিশু, কিশোর ও যুবক যুবতিদের শিক্ষার জন্য কি পরিকল্পনা গ্রহন করেছি বা হাতে নিয়েছি? উত্তর শহরের কয়েক লক্ষ ছাত্র-ছাত্রীর জন্য অনলাইনে ক্লাস নেয়া হচ্ছে, বাকি কোটি কোটি ছাত্র-ছাত্রীর ভবিষ্যতের কি হবে? আমার মনে হয় এর একটি সুন্দর সমাধান হতে পারত, তা হচ্ছে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ২ টি চ্যানেলেই প্রতিটি শ্রেনীর জন্য সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পুরোসময়টা সিডিউল করে ভাল ভাল শিক্ষক দিয়ে ক্লাস ও হোমওয়ার্ক এর ব্যবস্থা করা।এই প্রক্রিয়ায় কোন শ্রেনী, বিভাগ, মাধ্যম কে বাদ দেয়া উচিত হবেনা। কেননা শিক্ষার অধিকার সবার। আশা করছি দ্রুতই যথাযথ নজর দিবেন রাষ্ট্রব্যবস্থা পরিচালনায় সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত দিন

শিক্ষাঙ্গন অন্যান্য খবর



শিক্ষাঙ্গন সর্বাধিক পঠিত