আমাদের কিটে ত্রুটি নেই

একজন বিজন শীল

মরিয়ম চম্পা

প্রথম পাতা ৪ জুন ২০২০, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ২:৩৩

সেই ছোটবেলা থেকে ভাঙাগড়ার নেশা ছিল তার। সামনে কিছু দেখলে সেটি ভাঙতেন। ফের নতুন করে তৈরি করতেন। খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সেসব খেলনা বস্তু  নিয়ে গবেষণা চালাতেন। যেন সত্যিই একজন গবেষক। নেশার মতো লেগে থাকতেন এর পেছনে। আর তার সেই নেশাই যে জীবনের সঙ্গে একাকার হয়ে যাবে কে জানতো? সত্যিই সে সময় কেউ না জানলেও আজ বিশ্বব্যাপী তার খ্যাতি। নাটোরের কৃষক পরিবারে জন্ম নেয়া সেই ছোট্ট শিশুটিই আজকের বিজন শীল।
ড. বিজন কুমার শীল। বাবা প্রয়াত রসিক চন্দ্র শীলের ৬ ছেলে মেয়ের মধ্যে বিজন পঞ্চম। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন চঞ্চল প্রকৃতির। গবেষণার বীজ ছোট বয়স থেকেই মননে গাঁথা। কোথাও কিছু দেখলেই তার শূন্যতা খুঁজে বের করতেন। কোথায় ভুল আছে। খুঁতকে নিখুঁত করার প্রচেষ্টা ছিলো তার। গতকাল মানবজমিন-এর সঙ্গে বিস্তারিত কথা হয় তার। ড. বিজন কুমার বলেন, ইতিমধ্যে জেনেছেন করোনা পরীক্ষার কিট তৈরির পেছনের ইতিহাসটি হচ্ছে আমার একটি পূর্ব অভিজ্ঞতা। ২০০৩ সালে যখন প্রথম সার্স ভাইরাস আবির্ভাব হয়। যেটা হংকং হয়ে পরবর্তীতে সিঙ্গাপুরে আঘাত হানে। ওটা ডায়াগনস্টিকের দায়িত্ব আমাদের ওপর ছিল। প্রথম আমরা ভাইরাসটি গ্রো করি। আমরা চারজন মিলে সার্স শনাক্তের কিট তৈরি করি। এর মধ্যে একটি ছিলো সরাসরি ভাইরাস শনাক্তকরণ। এটা মোটামুটি রিলায়েবল টেস্ট। এরপর ভাইরাসটি একসময় ধীরে ধীরে পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। তখন আক্রান্তের শরীরে ভাইরাসের বিরুদ্ধে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডি শনাক্ত করতে আমরা দু’টি পদ্ধতি তৈরি করি। একটি স্যালাইভা। আরেকটি ডট ব্লট। ডট ব্লটে সবচেয়ে কম সময় লাগে। তখন ১৫ মিনিটে পরীক্ষা কল্পনা করা যেত না? তখন মূলত চারটি টেস্টই ব্যবহার করতাম ভাইরাস শনাক্তকরণে। পরবর্তীতে ওই বছরের ৩০শে মে সারা পৃথিবী থেকে ভাইরাসটি দূর করা হয়। ২০১৯ সালের শেষের দিকে আমি বাংলাদেশে একটি কোম্পানিতে কাজ করতাম। যেহেতু রোগটি সম্পর্কে আমি জানি। চলতি বছরের পহেলা ফেব্রুয়ারি গণবিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করলাম মাইক্রোবায়োলজিস্ট (অণুজীব বিজ্ঞানী) হিসেবে। তখন জাফরুল্লাহ স্যারকে বললাম স্যার আমিতো এই ভাইরাস শনাক্তকরণ টেস্ট সম্পর্কে জানি। টেস্ট ডেভেলপ করলে কেমন হয়? স্যার বললেন, অসুবিধা নেই তুমি করে ফেলো। প্রয়োজনীয় কিছু নিয়ে দুশ্চিন্তা করোনা। তখন আমরা কিছু জিনিসপত্রের অর্ডার দিলাম। সিঙ্গাপুরে আমরা সব কম্পোনেন্ট তৈরি করেছিলাম। এখানে তো সেই ব্যবস্থা নেই। ফলে আমরা বিভিন্ন দেশে অর্ডার দিলাম। বিশেষ করে চীন, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং ভারতে। এরপর আমি সিঙ্গাপুরে চলে যাই। বাংলাদেশ মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিলের আমন্ত্রণে সিঙ্গাপুর থেকে গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি দেশে আসি। তারা করোনা ভাইরাসের ওপর একটি সেমিনারের আয়োজন করে। এরপর আমাদের গবেষণার কাজ শুরু হয়। তখন স্যার ল্যাবরেটরি তৈরি করতে বলেন। তখন আগেরই একটি ল্যাবরেটরি সংস্কার করে কাজ শুরু করি। তিনটি কমিটি হলো। রিসার্চ টিমের নেতৃত্বে আমি ছিলাম। গণবিশ্ববিদ্যালয়ের এসোসিয়েট প্রফেসর, নোয়াখালী সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির একাধিক অণুজীব বিজ্ঞানীদের নিয়ে একটি টিম তৈরি করে কাজ শুরু করি। তখন যে সমস্যাটি দেখা দেয় সেটি হলো লকডাউন। লকডাউনের কারণে আমাদের কেমিক্যাল আসা বন্ধ হয়ে যায়। অনেক চেষ্টা তদবিরের পর এক চায়নিজ বন্ধু আমাদেরকে ৪০ লাখ টাকার পণ্য দেয় বিনা পয়সায়। তখন আনার সমস্যা। এরপর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এবং ইউএস-বাংলার একান্ত সহযোগিতায় চীন থেকে কাঁচামাল এলে আমাদের কাজ শুর হয়। কাজ শুরু করে ভালো ফলাফল পাই। এক্ষেত্রে ইউএস- বাংলার ভূমিকা ছিলো অকল্পনীয়। সমগ্র দেশবাসীকে তাদের কাছে কৃতজ্ঞ থাকতে হবে। ইতিহাস বড় কষ্টের। কাজ শুরু করে প্রথমে আমরা তৈরি করলাম অ্যান্টিবডি। তখন সমস্যা হয়ে গেল রি-এজেন্টের। বৃটেন থেকে আসা অ্যান্টিবডির একটি পার্ট নষ্ট হয়ে যায়। আরেকটি পার্ট পরে আসে। এসব ঝামেলার জন্য এগোতে পারছিলাম না। হঠাৎ করে চায়না থেকে কিছু মেটেরিয়ালস আসে। এরপরতো আমরা তৈরি করে ফেললাম। সবচেয়ে ভালো হয়েছে স্যালাইভা। এটা আমি মনে করি আমাদের রিসার্চের একটি মিরাকল। কল্পনাও করা যায় না যে, স্যালাইভার মধ্যে এত ভাইরাস থাকতে পারে। এবং এই ফ্যাক্টরটি সারা পৃথিবী কখনো ভাবেনি। আমরা ঘোষণা দেয়ার পর জাপান করেছে একটি টেস্ট। এবং আমেরিকাতে করেছে একটি টেস্ট। এপ্রোভাল পেয়ে গেছে। আমরাও চেষ্টা করছি এপ্রোভালের। ড. জাফরুল্লাহ স্যারকে প্রথম আমরা শনাক্ত করলাম স্যালাইভা দিয়ে। তাকে দিয়ে উদ্ভোধন করলাম এই টেস্টের প্রায়োগিক দিকটি। এবং তিনি পজিটিভ হয়েছেন। এটা কিন্তু সারা পৃথিবীর মানুষকে একটি চমক দিয়ে দিয়েছে। আসলে পিসিআর’র আগে স্যালাইভা দিয়ে টেস্ট করা যাচ্ছে। এটা কিন্তু আমাদের বড় অর্জন। আমাদের প্রডাক্ট অনুমোদন পাক আর না পাক। আমরা পেয়ে গেছি। কিটে ত্রুটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘খুব সরলভাবে একটি কথা বলি, আমাদের উদ্ভাবিত অ্যান্টিজেন বা অ্যান্টিবডি কিটে কোনো ত্রুটি নেই। অ্যান্টিজেন কিটে পরীক্ষা করা হয় লালা থেকে। লালা সংগ্রহ করতে হয় অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে। নমুনা সংগ্রহের সময় লালার সঙ্গে যদি কফ বা থুথু থেকে যায়, তবে অ্যান্টিজেন কিটের পরীক্ষায় সঠিক ফলাফল নাও আসতে পারে। আমরা দেখলাম বিএসএমএমইউ লালার যে নমুনা সংগ্রহ করছে, তার সঙ্গে কফ বা থুথু চলে এসেছে। এটা যে তাদের দোষ তা নয়। যখন কাউকে লালা দিতে বলা হয়েছে, তিনি লালার সঙ্গে কফ বা থুথু দিয়ে দিয়েছেন। ফলে অ্যান্টিজেন কিটের পরীক্ষায় আশানুরূপ ফল পাওয়া যাচ্ছে না। সে কারণে আমরা বিএসএমএমইউকে চিঠি দিয়ে অ্যান্টিজেন কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা আপাতত স্থগিত রাখতে বলেছি। তিনি বলেন, এ ভাইরাসটি অত্যন্ত অদ্ভুত স্বভাবের ভাইরাস। আমার অভিজ্ঞতা বলে, আমাদের দেশে প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষ এই ভাইরাসের সম্মুখীন হয়েছেন। অর্থাৎ যাকে বলা হয় দেখা সাক্ষাৎ হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন। কিন্তু খুব সামান্য সংখ্যক মানুষের মধ্যে এর উপসর্গ দেখা গেছে। যদি একজন পরিবারের লোকের এ উপসর্গ থেকে থাকে তাহলে অন্যরাও কিন্তু ভাইরাসের সংস্পর্শে এসেছে। এবং তাদের মধ্যে ইমিউনিটি বা প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়েছে। সে হিসেবে আমার কাছে মনে হয় বাংলাদেশের বেশকিছু মানুষ এই ভাইরাসের সংস্পর্শে এসেছে। এবং তারা প্রতিরোধ ক্ষমতার সৃষ্টি করেছে। এর জন্যই ভাইরাস কিন্তু ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। আমাদের দেশের পরিবেশটা এই ভাইরাসের জন্য খুব একটা সুবিধাজনক নয়। যথেষ্ট ইমিউনিটি এসে গেছে। তবে আরেকটি ভয়ের কারণ রয়েছে। স্যালাইভা থেকে যে ভাইরাস চিহ্নিত হয়েছে বা এসেছে। মানুষের থুথু যেখানে সেখানে ফেলে। বাহিরে ফেললে থুথু শুকিয়ে যায়। শুকনো থুথুতে যে একটি প্রোটিন থাকে সেটা ভাইরাসের চারপাশে একটি লেয়ার তৈরি করে। ওই ভাইরাস কিন্তু সহজে মরে না। এরা কয়েক মাস থাকে। পরবর্তীতে ডাস্ট হয়ে বাতাসে ঘুরে বেড়ায়। এটা কিন্তু চিন্তার বিষয়। কাজেই লক্ষ্য রাখতে হবে মানুষ যেন যেখানে সেখানে থুথু না ফেলে। সে সুস্থ থাক বা অসুস্থ।
করণীয় সম্পর্কে ড. শীল বলেন, সবাইকে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় হাইজিন মেনে চলতে হবে। মাস্ক পরতে হবে। যত্রতত্র যেন থুথু না ফেলা হয়। থুথু ফেলার পর ক্লোরেক্স দিলে ভাইরাসটি সঙ্গে সঙ্গে মারা যায়। ক্লোরেক্স যদিও বাংলাদেশে সচারাচর পাওয়া যায় না। বেসিনে, বাথরুমে ক্লোরেক্স ব্যবহার করলে ভাইরাস সঙ্গে সঙ্গে মারা যায়। শরীরে ইমিউনিটি তৈরিতে ভিটামিন-সি ভালো কাজ করে। আমলকি খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া জিহ্বাতে যেহেতু ভাইরাসের অবস্থান বেশি তাই ফিটকিরি উঞ্চ গরম পানিতে মিশিয়ে গারগেল করলে ভাইরাস জন্মাতে পারে না। ঠাণ্ডা পানি না খেয়ে গরম পানি দিয়ে চা পান করলে ভাইরাস অবস্থান করতে পারে না। হার্ড ইমিউনিটি সম্পর্কে এই অণুজীব বিজ্ঞানী বলেন, আগামী এক মাসের মধ্যে অনেক মানুষের মধ্যে হার্ড ইমিউনিটি আসবে। যার ফলে ভাইরাস বহুলাংশেই থেমে যাবে। ঢাকা শহরে যতোই লকডাউনের কথা বলা হোকনা কেন মানুষ রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। কেউ কারো কথা শোনে না। এখন তারাও আক্রান্ত হবে। এবং তারা বুঝতেই পারবে না। সরকারের উচিত পরীক্ষা করে দেখা কতোগুলো মানুষের মধ্যে অ্যান্টিবডি এসেছে। এটা দেখলে সরকার সহজেই বুঝতে পারবে আমাদের দেশে ভাইরাসকে প্রতিরোধ করতে কতভাগ মানুষ প্রস্তুত আছে। করোনা টেস্টের কিটের অনুমোদনের বিষয়ে তিনি বলেন, আমার তৈরিকৃত এইচআইভি, ক্যানসার শনাক্তসহ বেশকিছু কিট আছে যেটা সারা বিশ্বে চলছে। পদ্ধতিগত কারণে কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আপনার এটা কতটুকু প্রয়োজন। আইন হচ্ছে মানুষের জন্য। আইনের জন্য মানুষ না। মানুষের যখন প্রয়োজন। এটা সহজভাবে দেয়া যায়। আমরা জমা দিয়েছি। এখন বিএসএমএমইউতে ট্রায়াল চলছে। যদিও ফলাফল আমাদের জানার কোনো সুযোগ নাই। তবে আমরা আশা করছি খুব শিগগিরই হয়ে যাবে। এবং খুব শিগগিরই মানুষের হাতে পৌঁছে দিতে পারবো। এটা আমাদের প্রত্যাশা, দেশবাসীর এবং সকলের প্রত্যাশা। সবাই তাকিয়ে আছি। তাকাতে তাকাতে চোখ ব্যথা হয়ে গেছে। আশা করি এর একটি পরিসমাপ্তি ঘটবে। ড. জাফরুল্লাহ্‌ চৌধুরী সম্পর্কে তিনি বলেন, তার সঙ্গে কারো তুলনা হয় না। ৮০ বছর বয়সে তিনি যেভাবে করোনাভাইরাসের সঙ্গে ফাইট করলেন এটা কিন্তু কল্পনা করা কঠিন। প্রথম প্লাজমা থেরাপি তিনি নিয়েছেন অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে। প্লাজমা থেরাপির কথা আমি গত ফেব্রুয়ারি মাসে বলেছিলাম। চীনে এর ব্যবহার হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি নিলেন। দেখছি যে ভালো কাজ হচ্ছে এখানে। উনিতো অদম্য মানুষ। অসুস্থ শরীরে তার সঙ্গে দেখা করেছি। তিনি নিজের শরীরের কথা না ভেবে বললেন, তোমার কিটের অবস্থা কি বলো? আমার কথা ভাববে না। আমি ভালো আছি। উনি দেশের জন্য কাজ করছেন। সবার উচিত তাকে সাহায্য করা। আল্টিমেটলি এটাতো দেশের সম্পদ। আমাদের দেশে অনেক ভালো ভালো বিজ্ঞানী আছেন। যারা পরিবেশ পেলে অনেক কিছু করতে পারবেন। ড. জাফরুল্লাহ্‌ না থাকলে এতদূর আসতে পারতাম না। আমি আমার জীবনে যে কাজটিকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে করি সেটা হচ্ছে করোনাভাইরাসের যে স্যালাইভা কিটটি আমরা করতে পেরেছি এটা। ২০০৪ সালে ডেঙ্গু পরীক্ষায় স্যালাইভা কিট আমি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেছিলাম। এটাকে সারা প্রথিবীময় স্টাবলিস্ট করতে আমাকে যে যুদ্ধটা করতে হয়েছিলো সেটাই আমার জীবনে খুব স্মরণীয়। ছোটবেলায় খুব দুরন্ত ছিলাম। মা আমাকে বলতো দুষ্টু ছিলাম। চার বছর বয়সের কথা এখনো মনে করতে পারি অনায়াসে। প্রতিদিন সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে আমি নতুন চিন্তা করি। সকালের জন্ম হয় নতুন সৃষ্টির প্রত্যাশায়। আজ সকালে একটি জিনিস চিন্তা করেছি। এটা আমি করবো। এবং আমি আজ এটাই করবো। আমার মনে হয় এর ফলাফল ভালো হবে। গবেষণার কাজ করতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের অনেক কষ্ট দিয়েছি। পরিবারের অবদানটা এখানে অনেক বড়। আমার অনেক অত্যাচার তারা সহ্য করেছেন। সংসারের প্রতি দায়িত্ব আমি কখনোই পালন করতে পারিনি। মাঝেমধ্যে বলি বিজ্ঞানীদের কখনো ঘর-সংসার করতে নেই। স্ত্রী অপর্ণা রায়। ছেলে-মেয়ে দু’জনই প্রকৌশলী। সর্বশেষ একটি কথাই আমি সবাইকে বলি, দশজনের মধ্যে এক, না হয় এগারো হতে হবে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

মোঃ হাসিব

২০২০-০৬-০৪ ১০:২৮:৩৪

আমাদের দেশের সম্পদ

Anisur Khan

২০২০-০৬-০৪ ০৩:১১:৫৬

ড. বিজন কুমার শীল দেশ ও জাতিকে ধন্য করেছেন। তাঁকে পুরস্কার সহ উপযুক্ত সম্মানে ভূষিত করার জন্য সরকারকে অনুরোধ জানাচ্ছি। বিশ্বব্যাপী তাঁর আবিষ্কৃত কিটের পরিচিতি ও বাজারজাতকরণের জন্য তাড়াতাড়িতাব্যবস্থা নেয়ারও অনুরোধ করছি।

সাবের আহমদ

২০২০-০৬-০৩ ১২:০৭:৪৭

আপনাকে সশ্রদ্ধ সালাম,আপনাদের কাছে জাতি কৃতজ্ঞ থাকলো,কষ্ট হয় বয়ষ্ক মানুষটার জন্য,এতো দেশপ্রেম, মানুষের জন্য ভালোবাসা,একজন জাফরউল্লাহর জন্য একদিন জাতি কাঁদবেে।আবারো হৃদয় থেকে জানাই সালাম ও শতশুভকামনা।

Jakir ahmd

২০২০-০৬-০৩ ১১:৪২:৩০

স্যার আপনাকে হাজার কুটি সম্মান জানাই আপনিও দেশের সম্পদ

আপনার মতামত দিন

প্রথম পাতা অন্যান্য খবর

করোনা রোগী না হয়েও...

১৪ জুলাই ২০২০

সিঙ্গাপুরের ব্যাংকে ৬ কোটি টাকা

শাশুড়ির কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল শাহেদ

১৪ জুলাই ২০২০

ডা. সাবরিনা গ্রেপ্তার

কার্ডিয়াক সার্জন থেকে করোনা প্রতারক

১৩ জুলাই ২০২০

ঈদুল আজহার জামাতও মসজিদে

১৩ জুলাই ২০২০

করোনাভাইরাসের কারণে আসন্ন ঈদুল আজহার নামাজের জামাত এবারও মসজিদে পড়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। ...



প্রথম পাতা সর্বাধিক পঠিত



প্রতারণার প্রমাণ মিলেছে ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে তদন্ত

দম্পতি ভয়ঙ্কর

ব্যাংক একাউন্ট জব্দ, দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

মুখ খুললেন শাহেদের স্ত্রী

সিঙ্গাপুরের ব্যাংকে ৬ কোটি টাকা

শাশুড়ির কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল শাহেদ

৫ই অক্টোবর পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা

বাংলাদেশ থেকে ইতালি যাওয়া ৭৭ জনের শরীরে করোনা