ইতালি থেকে যা শিক্ষা নেয়ার আছে আমাদের

মানবজমিন ডেস্ক

এক্সক্লুসিভ ২৪ মার্চ ২০২০, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ৮:৩০

ইতালিতে করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা সবে ৪০০ পেরিয়েছে। মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে দুই অঙ্কের ঘরে। এমন অবস্থায় দেশটির ক্ষমতাসীন দল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা নিকোলা জিঙ্গারেত্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের একটি ছবি পোস্ট করেন। তাতে দেখা যায়, তার হাতে মদের গ্লাস। মিলান শহরে বসে ওই গ্লাস হাতে নিয়ে তিনি জনগণের প্রতি ‘তাদের অভ্যাস পরিবর্তন’ না করার আহ্বান জানান। সেটা ২৭শে ফেব্রুয়ারির ঘটনা। এর ১০ দিনের মাথায় ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা জিঙ্গারেত্তি এক ভিডিওতে জানান, তিনি ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন। ততদিনে ইতালিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ৮৮৩ জনে পৌঁছায়।
মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয় ২৩৩ জন। বর্তমানে ইতালিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৩ হাজার ছাড়িয়েছে। প্রাণ হারিয়েছেন ৪ হাজার ৮০০ মানুষের বেশি। প্রতিদিন এ সংখ্যা বাড়ছে। মৃতের সংখ্যায় নতুন বিভীষিকার রেকর্ড হচ্ছে। মোট আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যার অর্ধেকই গত এক সপ্তাহে হয়েছে। পুরো বিশ্বের ১৬০ দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে দেশটি। শনিবার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সেখানে একদিনে মারা গেছেন ৭৯৩ জন। এখন পর্যন্ত একদিনে ভাইরাসটিতে সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা এটি। করোনা মোকাবিলায় ইতালি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে। দেশটির সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত অঞ্চল লম্বার্দিতে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। কেবল এ অঞ্চলটিতেই মারা গেছেন প্রায় ৪০০০ মানুষ। দাফনের অভাবে প্রতিদিন জমছে লাশ। দেশজুড়ে আগে থেকেই লকডাউন জারি ছিল। কিন্তু তাতে ভাইরাসের দৌরাত্ম্য না থামায় শুক্রবার তা আরো কঠোর করা হয়েছে। শনিবার রাতে ইতালির প্রধানমন্ত্রী গিউসেপ্পে কন্তে এক ঘোষণায় তা আরো কঠোর করেন বিধি-নিষেধ। বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর দেশটি সবচেয়ে সংকটময় পরিস্থিতি পার করছে। দেশজুড়ে অনাবশ্যক সকল কারখানা বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। ভাইরাসের প্রকোপ থামাতে এটা চরম এক মূল্য।
কিন্তু শত চেষ্টা সত্ত্বেও ইতালি এখন ট্র্যাজেডির নাম। বাকি বিশ্বের জন্য করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় এক সতর্কতামূলক শিক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে দেশটি। সেখান থেকে যদি কিছু শেখা যায়, সেটা হচ্ছে, সকল আক্রান্ত এলাকা আইসোলেট করে ফেলা। মানুষের চলাচল সীমিত করা। এসব করতে হবে প্রাথমিক পর্যায়েই। পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে হবে সমপূর্ণ সপষ্টতায় ও দৃঢ়তায়। ইতালির বর্তমান পরিস্থিতির জন্য অনেকাংশেই দায়ী তাদের প্রাথমিক দিককার অবহেলা। যখন তারা নাগরিক স্বাধীনতাকে গুরুত্ব দিতে চেয়ছিল, অর্থনীতিকে সচল রাখতে চেয়েছিল। তাদের শহর আইসোলেট করা, দেশজুড়ে লকডাউন জারি করাসহ সকল পদক্ষেপই কিছুটা বিলম্বে জারি করা হয়েছে। ইতালির স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সান্দ্রা জামপা বলেন, ‘আমরা এখন এর পিছু পিছু ছুটছি। আমরা ধীরে ধীরে বন্ধ করেছি, যেমনটা এখন ইউরোপ করছে। ফ্রান্স, সেপন, জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র এখন একই কাজ করছে। প্রতিদিন আপনি অল্প কিছুটা এগিয়ে যান, একইসঙ্গে স্বাভাবিক জীবনযাপন থেকে দূরে সরে যান। কারণ, ভাইরাস আপনাকে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে দেয় না।’ কিছু কর্মকর্তা পৃষ্ঠা ১৭ কলাম ১
অলৌকিক কোনো সমাধানের অপেক্ষায় হাল ছেড়ে দিয়েছেন। আগেভাগে কঠিন সিদ্ধান্ত নেননি। আর এই পুরোটা সময়জুড়ে ভাইরাস তাদের অবহেলার সুযোগ নিয়েছে।
বাংলাদেশ সহ বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলো এখন ইতালির পথে হাঁটছে। সেই চেনা-পরিচিত ভুল করছে। একই বিপর্যয় ডেকে আনছে। কিন্তু এই দেশগুলোর কাছে ইতালির মতো কোনো অজুহাত নেই। তাদের সামনে ইতালির দৃষ্টান্ত সপষ্টভাবে তোলা ছিল। তারা তা দেখেও দেখেননি। ইতালির কর্মকর্তাদের অনেকে আত্মপক্ষ সমর্থনের দোহাই হিসেবে বলেছেন, আধুনিক সময়ের সবচেয়ে নজিরবিহীন মহামারি এটি। তাদের দাবি, সরকার শুরু থেকে দ্রুততার সঙ্গে বিজ্ঞানীদের পরামর্শ মেনে কঠোর, মরিয়া পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু রেকর্ড ঘেঁটে দেখা যায়, তারা বহু সুযোগ হাতছাড়া করেছে। নিয়েছে কিছু সাংঘাতিক ভুল সিদ্ধান্ত।
মহামারির শুরুর দিকে ইতালির প্রধানমন্ত্রী কন্তে ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা ভাইরাসটির হুমকির মাত্রা কমিয়ে প্রকাশ করেছেন। এতে বিভ্রান্তি, নিরাপত্তার মিথ্যা আশ্বাস সৃষ্টি হয়েছিল। আর এ সুযোগে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে করোনা ভাইরাস। দেশটির উত্তরাঞ্চলে প্রথমদিকে আগ্রাসী মাত্রায় পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। কর্মকর্তারা তখন বলেছিলেন, এতে কেবল আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। বাইরের দেশে ইতালির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। এমনকি যখন পুরো দেশজুড়ে লকডাউন জারি করা হলো, তখনও কর্মকর্তারা ভাইরাসের ভয়াবহতা খোলাখুলিভাবে প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে লকডাউন জারি হলেও, মানুষ তা মেনে চলেনি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও ইতালির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ উপদেষ্টা ওয়াল্টার রিচিয়ার্দি বলেন, উদার গণতন্ত্রে এসব পদক্ষেপ নেয়া সহজ নয়। তিনি দাবি করেন, ইতালি সরকার তাদের সামনে থাকা বৈজ্ঞানিক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে পদক্ষেপ নিয়েছে। তার ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপীয় প্রতিবেশীদের তুলনায় ইতালি অপেক্ষাকৃত দ্রুত ও গুরুতরভাবে পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু, তিনি এটাও স্বীকার করেন যে, ইতালির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরকারের অন্যান্য মহলকে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার ব্যাপারে বোঝাতে বেগ পেয়েছেন।
২১শে জানুয়ারি, চীনের শীর্ষ কর্মকর্তারা সতর্ক করেন যে, যারা ভাইরাসে আক্রান্তের কথা লুকাবে, তাদের চিরদিন লজ্জার পিলারে পেরেক মেরে রাখা হবে। সেদিন ইতালির সংস্কৃতি ও পর্যটনমন্ত্রী ইতালি-চীন সংস্কৃতি ও পর্যটন বছরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তার সঙ্গে ছিলেন চীনা প্রতিনিধিদের একটি দল। আয়োজন করা হয়েছিল এক সঙ্গীতানুষ্ঠানের। অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন ইতালির অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিশেল গেরাসিও। অন্য সবার সঙ্গে মদের গ্লাসে মুখ ডোবালেও, তার মধ্যে ছিল অন্যরকম এক অস্বস্তি। তিনি অন্যদের জিজ্ঞেস করেছিলেন, আমাদের কী এসব করা ঠিক হচ্ছে? আমাদের কী এখানে থাকা উচিত? তখন এ ব্যাপারে আলোচনা না হলেও, পরবর্তীতে এ ব্যাপারে কথা বলেন কর্মকর্তারা। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বর্তমান প্রতিমন্ত্রী জামপা বলেন, এখনকার পরিস্থিতি বিবেচনায় তিনি অবশ্যই তাৎক্ষণিকভাবে সব বন্ধ করে দিতেন। কিন্তু তখন, ব্যাপারটা এত সপষ্ট ছিল না।
বিশ্বজুড়ে রাজনীতিকরা অর্থনীতি ও জনগণকে খাওয়ানো নিয়ে উদ্বিগ্ন। এর মাঝে ভাইরাসের গুরুত্ব বুঝে উঠতে পারেননি তারা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে, ইতালি সরকার চীনের পরিস্থিতির প্রতি গুরুত্ব দেয়নি। জামপা বলেন, বাস্তবিকভাবে এটা আমাদের কাছে সতর্কতামূলক লাগেনি। অনেকটা কল্পবিজ্ঞানের কাহিনীর মতো লেগেছে, যার সঙ্গে আমাদের কোনো সমপর্ক ছিল না। তারপর ভাইরাসটি ইউরোপে বিস্ফোরণ ঘটালো। এখন বিশ্ব আমাদের দিকে সেভাবে তাকিয়ে আছে, আমরা চীনের দিকে যেমনভাবে তাকিয়ে ছিলাম।
কিন্তু ডানপন্থি নেতাদের অনেকে জানুয়ারিতেই সরকারকে পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়েছিলেন। চীন ফেরতদের কোয়ারেন্টিন করতে বলেছিলেন। তখন অনেক উদারমনা রাজনীতিকরা এসব পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী কন্তেও তাদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। কিন্তু একইসঙ্গে ভাইরাসের হুমকিও গুরুতরভাবেই দেখছিলেন বলে দাবি করেন তিনি। ৩০শে জানুয়ারির মধ্যে চীনের সঙ্গে সকল ফ্লাইট বন্ধ করে দেন তিনি। ইউরোপের মধ্যে প্রথম দেশ হিসেবে এমন পদক্ষেপ ইতালি নিয়েছিল বলে জানান। পরবর্তী এক মাসের মধ্যে করোনা মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপ নেয় ইতালি। চীনা পর্যটক ও চীন ফেরতদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। ভুলবশত রোমের বাইরে ভাসমান এক প্রমোদতরী আটকে রাখা হয়। কিন্তু ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ভাইরাস ইতালিজুড়ে সয়লাব হয়ে যায়।
১৮ই ফেব্রুয়ারি ৩৮ বছর বয়সী এক রোগী লম্বার্দির লোদি প্রদেশের কোদোঙ্গো শহরের এক হাসপাতালে ফ্লু’র উপসর্গ নিয়ে ঢোকেন। এতে কেউ আতঙ্কিত হননি। ওই রোগী হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে বাড়ি চলে যান। কয়েক ঘণ্টা পর আরো অসুস্থ হয়ে ২০শে ফেব্রুয়ারি ফেরত আসেন। ২০শে ফেব্রুয়ারি তাকে ইনটেনসিভ কেয়ারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেদিনই তার মাঝে ভাইরাসটি ধরা পড়ে। এই ব্যক্তি ইতালির করোনা আক্রান্ত রোগী (পেসেন্ট ওয়ান) হিসেবে পরিচিত। ওয়াল্টার রিচিয়ার্দি জানান, ওই ব্যক্তি একাই চিকিৎসক, নার্সসহ কয়েকশ’ মানুষকে আক্রান্ত করেছিলেন। তার চেয়েও বড় তথ্য, তিনি চীন ফেরত ছিলেন না। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ইতালিতে ভাইরাসটি কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই ছড়িয়ে পড়ছিল। মহামারি বিশেষজ্ঞ, ফাব্রিজিও প্রেগলিয়াসকো বলেন, আমাদের প্রথম রোগী সম্ভবত ২০০তম রোগী ছিলেন।
২৩শে ফেব্রুয়ারির মধ্যে ইতালিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১৩০ জন পার হয়। লকডাউন করে দেয়া হয় ১১টি শহর। লম্বার্দির স্কুল, জাদুঘর, সিনেমা হলও বন্ধ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী কন্তে তখনো ইতালীয়দের শক্ত মনোবলের প্রশংসা করে যান। বিভীষিকার পূর্ণ মাত্রা ঢেকে রাখলেন। ২৪শে ফেব্রুয়ারি আক্রান্তের সংখ্যা ২০০ ছাড়ায়। মারা যান সাত জন। ধস নামে শেয়ারবাজারে। তখনো যথাযথ ব্যবস্থা না নিয়ে, কদোঙ্গোর ওই হাসপাতালকে দোষারোপ করেন কন্তে। লম্বার্দির কর্মকর্তারা ততদিনে হাসপাতালে বেড খালি করতে হিমশিম খাওয়া শুরু করেন। প্রতিদিন বাড়তে থাকে আক্রান্তের সংখ্যা। ২৫শে ফেব্রুয়ারি কন্তে ফের বলেন, ইতালি একটি নিরাপদ দেশ। সম্ভবত অন্যান্য অনেক দেশের চেয়ে বেশি নিরাপদ। গত শুক্রবার নিউ ইয়র্ক টাইমসকে এক লিখিত সাক্ষাৎকার দিতে রাজি হন কন্তে। কিন্তু তার পূর্ববর্তী পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন পাঠানোর পর উত্তর দিতে অস্বীকৃতি জানান তিনি।
ইতালির বর্তমান পরিস্থিতির জন্য দায়ী সরকারি কর্মকর্তাদের আশ্বাস। ২৭শে ফেব্রুয়ারি জিঙ্গারেত্তি তার মদ খাওয়ার ছবি পোস্ট করেন। সেদিনই দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী লুইগি দি মায়ো রাজধানীতে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। মিলানের মেয়র বেপে সালা ‘মিলান থেমে থাকে না’ প্রতিপাদ্য নিয়ে প্রচারণা চালান। শহরটির প্রধান গির্জা খুলে দেয়া হয়। এই সময়ে বাড়তে থাকে আক্রান্তের সংখ্যা। লম্বার্দির ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের সমন্বয়ক গিয়াকোমো গ্রাসেলি জানান, তিনি তখনই বুঝতে পেরেছিলেন, অসুস্থদের সুস্থ করতে না পারলে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়বে। তার অধীনস্থরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে হাসপাতালগুলোয় ইনটেনসিভ কেয়ার বেড বাড়ানোর জন্য। শীর্ষ কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে বাড়তে থাকা আক্রান্তের সংখ্যার ব্যাপারে আঞ্চলিক প্রেসিডেন্ট আত্তিলো ফন্তানাকে জানিয়েছিলেনও। তাতেও লাভ হয়নি।
৮ই মার্চের মধ্যে দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৭ হাজার ছাড়ায়। মারা যান ৩৬৬ জন। কন্তে দেশটির উত্তরাঞ্চলে চলাফেরা সীমিতের নির্দেশ দেন। সে সময় তিনি বলেন, আমরা জরুরি অবস্থার সম্মুখীন। জাতীয় জরুরি অবস্থার সম্মুখীন। পরেরদিন দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৯ হাজার ১৭২ জনে। মারা যান ৪৬৩ জন। কন্তে দেশজুড়ে লকডাউন জারি করেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, ততদিনে বেশ দেরি হয়ে গেছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের এসব মাথায় নিয়ে প্রস্তুতি নেয়া উচিত। অন্যথায়, বাকিরাও ইতালির পথেই হাঁটবে। কোনো কোনো দেশের ক্ষেত্রে তা আরো ভয়ানক রূপ নিতে পারে।
(দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস অবলম্বনে)

আপনার মতামত দিন



এক্সক্লুসিভ অন্যান্য খবর

চিকিৎসক, নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য হোটেল-গেস্ট হাউজে থাকার ব্যবস্থা

২৭ মার্চ ২০২০

করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় যে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা মানুষের সেবা করে চলেছেন, তাদের হাসপাতালের নিকটবর্তী ...

সরজমিন সিলেট

যেভাবে বদলে গেল নগরের দৃশ্যপট

২৭ মার্চ ২০২০

ব্যতিক্রমী মমতা

২৭ মার্চ ২০২০

ভারতে করোনা আক্রান্ত বেড়ে ৬৪৯ মৃত্যু ১৩

২৭ মার্চ ২০২০

ভারতজুড়ে চলছে ২১ দিনের লকডাউন। এরই মধ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত হারে বেড়ে চলেছে। বৃহস্পতিবার ...



এক্সক্লুসিভ সর্বাধিক পঠিত