ঢাকা সিটি নির্বাচনে পথসভা করবে ঐক্যফ্রন্ট

স্টাফ রিপোর্টার

শেষের পাতা ১৭ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ১০:৫০

ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে উত্তর ও দক্ষিণ সিটিতে দু’টি করে চারটি পথসভা করবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। গতকাল বিকালে মতিঝিলের চেম্বারে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, নির্বাচন ছাড়া গণতন্ত্র কল্পনাই করা যায় না। তাই সরকারের সাংবিধানিক কর্তব্য হলো একটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা। অতীতে আমরা লক্ষ্য করেছি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়নি। গত জাতীয় নির্বাচনে এসব পাইকারি হারে লঙ্ঘন হয়েছে। ড. কামাল বলেন, এ দেশের জনগণ নির্বাচনের পক্ষে। কারণ এর মাধ্যমে জনগণ রাস্তার মালিকানা নিশ্চিত করতে পারে।
তবে অবাধ-সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচন ছাড়া মালিকানা নিশ্চিত হবে না। ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সরকারদলীয় প্রার্থী মন্ত্রী-এমপিদের নির্বাচন আচরণবিধি ভঙ্গ করা এবং ঐক্যফ্রন্ট সমর্থিত প্রার্থীদের নির্বাচনী গণসংযোগে বাধা এবং হামলা প্রমাণ করে নির্বাচনের কোনো সুষ্ঠু পরিবেশ নেই। এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

সরস্বতী পূজার দিনে ঢাকা সিটি নির্বাচনের ভোট করা অন্যায় বলে মন্তব্য করে ড. কামাল হোসেন বলেন, সরস্বতী পূজার দিনে ভোট করা সরকারের একটা অন্যায় কাজ হয়েছে। অতীতে এমন ঘটনা কোনোদিন হয়নি। ৩০শে জানুয়ারি ভোটের তারিখ পরিবর্তনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি পালন করছে এর প্রতি ঐক্যফ্রন্টের সমর্থন আছে কিনা এ প্রশ্নে ড. কামাল হোসেন বলেন, নীতিগতভাবে তো আমরা পক্ষে।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি এমন ভয়ঙ্কর অবস্থায় গেছে যে একজন পিতা-মাতার হাজার টাকা ঋণ পরিশোধ করতে না পেরে নিজ কন্যাকে ধর্ষণের জন্য তুলে দিয়েছেন পাওনাদারের হাতে। সরকার যখন উন্নয়ন উন্নয়ন বলছে, তখন মানুষের অভাব এবং অসহায়ত্ব কোন পর্যায়ে গেছে এই ঘটনা তার প্রকৃত উদাহরণ। অর্থনীতির খুব গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ শেয়ারবাজারকে নানা কারসাজির মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে। এতে লাখ লাখ ক্ষুদ্র বিনিযোগকারীকে পথে বসিয়ে সরকারের সাথে যুক্ত কিছু ব্যবসায়ী হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করেছে। সর্বস্ব হারিয়ে এখন পর্যন্ত দুজন মানুষ আত্মহত্যা করেছেন।

ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, জেএসডি সভাপতি আসম আবদুর রব, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, নাগরিক ঐক্যের আহ্‌বায়ক মাহামুদুর রহমান মান্না, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিকল্পধারার সভাপতি অধ্যাপক নুরুল আমিন বেপারী, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক ড. রেজা কিবরিয়া, গণফোরাম নেতা অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, সুব্রত চৌধুরী, জেএসডি কার্যকরি সভাপতি আনিছুর রহমান খান, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সানোয়ার হোসেন, গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট জগলুল হায়দার আফ্রিক, নাগরিক ঐক্যের শহীদউল্লা কায়সার, ডা. জাহেদ উর রহমান ও ঐক্যফ্রন্টের দপ্তর প্রধান জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু।

আপনার মতামত দিন



শেষের পাতা অন্যান্য খবর

বিদেশে টাকা পাচার করেছেন খালেদ

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০

চসিক নির্বাচন

বিএনপিতেও চমকের আভাস

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০

পথ দেখাচ্ছেন মুমিনুল-মুশফিক

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০

নাঈমে শেষ বিকালে স্বস্তি

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০



শেষের পাতা সর্বাধিক পঠিত