মামলাটি দ্রুত এগুচ্ছে এটিই ইতিবাচক দিক

স্টাফ রিপোর্টার

অনলাইন ৯ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, ৩:২৩

মানবাধিকার কর্মী ব্যারিস্টার সারা হোসেন বলেছেন, হেগে অবস্থিত জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত ইন্টারন্যাশনাল র্কোট অব জাস্টিাস (আইসিজে) সুচির যাওয়ার ঘটনা একটি ব্যতিক্রম ব্যাপার। সাধারণত কোন রাষ্ট্র প্রধানরা সরাসরি এ ধরনের মামলার শুনানিতে হাজির হন না। সুচি গিয়েছেন নিশ্চয়ই এর সঙ্গে তার দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির স্বার্থ জড়িত রয়েছে। সামনে মিয়ানমারের নির্বাচন। তার দেশের জনগনের সমর্থন আদায় করার একটি কৌশল হতে পারে।  আমরা জানি যে যারা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হন বা গণহত্যার শিকার হন তাদের বিচার পেতে অনেকদিন অপেক্ষা করতে হয়। কিন্তু মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহতত্যার মামলা জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত আমলে নিয়েছে এবং এত দ্রুত মামলাটি এগুচ্ছে এটা অবশ্যই একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। এতে রোহিঙ্গাদের বিচার পাওয়ার আশা থাকছে। যে সকল রোহিঙ্গা গণহত্যার শিকার হয়েছে বা যে সকল রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে  তারা অনেক আশা ভরসা নিয়ে এই মামলার দিকে তাকিয়ে আছে।
আমরা আশা করছি, জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত অবশ্যই অর্ন্তবর্তী কোন আদেশ দিবে এবং রোহিঙ্গারা সুরক্ষা পাবে।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

প্রশান্ত হালদারের দুর্নীতির অনুসন্ধান

পিপলস লিজিংয়ের ৩ পরিচালককে তলব

২১ জানুয়ারি ২০২০





অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



একই পরিবারের ৩ জন নিহত

স্বামীর ঘরে যাওয়া হলো না পিয়াশার