রেললাইনে মরদেহ

চাপা পড়ছে ভয়ঙ্কর অপরাধ

শুভ্র দেব

শেষের পাতা ৫ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৮:০২

ঢাকার বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফরম পড়ে আছে এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ।  বয়স আনুমানিক ২৫ বছর। তাকে ঘিরে আছেন উৎসুক মানুষ। পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। পুলিশের ধারণা ট্রেনের ছাদে দাড়াঁনো অবস্থায় ওভারব্রিজে ধাক্কা খেয়ে যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এরই মধ্যে পরিচয়ও শনাক্ত হয় যুবকের। সাকিব খান নামের ওই যুবক আগারগাঁও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী।

ময়নাতদন্ত শেষে পুলিশ সাকিবের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। পরিবারের সদস্যরাও ধরে নেয় সাকিবের মৃত্যু দুর্ঘটনা মাত্র। থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়।
ময়নাতদন্ত রিপোর্ট আসার পর জানা যায় চাঞ্চল্যকর তথ্য। ওভারব্রিজের সঙ্গে ধাক্কা নয় সাকিবকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। অপমৃত্যু মামলা রুপান্তর হয় হত্যা মামলায়। রহস্য উদঘাটনে তদন্তে নামে পুলিশ। পরে পুলিশ শুভ ও সাজ্জাদ নামের দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে। তারা ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য। সাকিবের কাছ থেকে ছিনতাই করতে গিয়ে তারা তাকে ছুরিকাঘাত করে। আর এতেই তার মৃত্যু হয়েছে। সাকিব হত্যার এক সপ্তাহ আগে একই প্ল্যাটফর্ম থেকে পল্লবীর শহীদ জিয়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেনীর শিক্ষার্থী আঁখি আক্তারের হাতবাঁধা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ ছিল এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। পুলিশও এই ঘটনায় হত্যার আলামত পায়। পরে তদন্তে বের হয়ে আসে আঁখিকে পল্লবী এলাকায় ধর্ষণ করে এক যুবক। পরে তাকে হত্যা করে ঘটনা ধামাচাপা দিতে স্টেশনে এনে মরদেহ ফেলা দেয় ওই যুবক।

রেলওয়ে থানা পুলিশ প্রায় প্রতিদিনই রেললাইন থেকে মরদেহ উদ্ধার করছে। পুলিশের তথ্যমতে প্রতিদিন গড়ে আড়াই জন লোক ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যায়। প্রাথমিক তদন্ত করে এসব মৃত্যুর কারণ বের করে রিপোর্ট জমা দেন। ট্রেনের ধাক্কা খেয়ে, ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে, রেলক্রসিং পারাপার ও কানে হেড ফোন দিয়ে রেলপথে চলাচলের জন্য এসব মৃত্যু হয়। আবার অনেকে আত্মহত্যা করার উদ্দেশে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন। প্রতিটি মরদেহ উদ্ধারের পর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়। পরিচয় পাওয়া না গেলে অজ্ঞাতনামা হিসাবে লাশ দাফন করা হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিহতদের পরিবারের সদস্যরা হত্যার অভিযোগ তুলেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। আবার মরদেহ দেখে যদি হত্যার আলামত মিলে তবে পুলিশ স্বপ্রনোদিত হয়ে তদন্ত করে। রেলওয়ে থানা পুলিশ ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে। তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিটও জমা দিয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্টসূত্র বলছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নানা কারণে তদন্ত দীর্ঘায়িত হয় না। যার কারণে এসব মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যায় না। নিহত ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন নাকি তাকে কেউ আত্মহত্যা করতে বাধ্য করেছেন।

অনেক সময় ধাক্কা মেরে রেললাইনে ফেলে দেওয়ার মত ঘটনা ঘটে। আবার অপরাধীরা অন্য জায়গায় হত্যা করে অপরাধ চাপা দিতে রেললাইনে মরদেহ ফেলে দেয়। ট্রেনের চাকায় সেই মরদেহ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে করে মৃত্যুর কারণ স্রেফ দুুর্ঘটনা নাকি হত্যা সেটি আর শনাক্ত হয় না। অনেক ক্ষেত্রে পুলিশ ময়নাতদন্ত রিপোর্ট নেয় না। তবে ফরেনসিক বিশেজ্ঞরা বলছেন, ট্রেনে কাটা পড়লে মরদেহ থেকে হত্যার আলামত বের করা কঠিন। পুলিশ ভিসেরা পরীক্ষার আবেদন না করায় ভীসেরা সংগ্রহ করে না। তাই অচেতন করে রেললাইনে রেখে দেয়া হয়েছে কিনা সেটিও বুঝা যায় না। আর অপরাধ বিশ্লেষকরা বলেছেন, স্বার্থ হাসিল করার জন্য কাউকে হত্যার মত অপরাধ করে নির্বিঘ্নে পার পাওয়ার জন্য সহায়ক ভুমিকা পালন করছে রেললাইন। এজন্য রেল নিরাপত্তা বাহিনীর মনিটরিং দরকার। পুরো রেলপথকে একটি সার্বিক নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে আনতে হবে। এজন্য রেল সংশ্লিষ্টদের আরও সুদক্ষ ভুমিকা পালন করতে হবে।

২৮ ডিসেম্বর ক্যান্টনমেন্ট রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে মস্তকবিহীন কয়েক টুকরো করা এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রথম দিকে মনে হয়েছিলো ট্রেনে কাটা পড়ে ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে। পরে সিন অব ক্রাইম দেখে পুলিশ এটিকে হতাকাণ্ড হিসাবে শনাক্ত করে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে মামলা করে। কিন্তু খুনের শিকার ওই নারীর পরিচয় এখনও শনাক্ত করতে পারেনি তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। পুলিশ আদালতে প্রতিবেদন দিয়ে জানিয়েছে, অন্য কোনো স্থানে ওই নারীকে খুন করে ঘটনা ভিন্ন দিকে প্রভাহিত করার জন্য দুর্বৃত্তরা মরদেহ রেললাইনে ফেলে দিয়েছে। গত বছরের ১০ এপ্রিল ঢাকার খিলক্ষেত রেললাইন থেকে ১০ বছর বয়সী মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নাজমুলের ট্রেনে কাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনাটিও প্রাথমিকভাবে ট্রেনে কাটা হিসাবে চালানো হয়। কিন্তু মামলার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ এই মরদেহে হত্যার আলামত পায়।

রেলওয়ে পুলিশ সদরদপ্তরসূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে রেললাইন থেকে ৭৮৮ টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এসব ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে ৭৮০টি। ২০১৬ সালে ৯৬৪টি মরদেহ উদ্ধারের বিপরীতে অপমৃত্যু মামলা হয়েছে ৯৫১টি। একই ভাবে ২০১৭ সালে উদ্ধার করা হয়েছে ১০২৬টি মরদেহ। অপমৃত্যু মামলা হয়েছে ১০১০টি। ২০১৮ সালে মরদেহ উদ্ধার হয়েছে ১০০২টি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে ৯৭৬টি। এবং ২০১৯ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত ৮৪৬টি মরদেহের উদ্ধার করে মামলা করা হয়েছে ৮১১টি। এসব অপমৃত্যু মামলা থেকে অনেকটি পরে হত্যা মামলায় পরিণত হয়েছে। রেলওয়ে পুলিশ সদরদপ্তরের এসপি (ক্রাইম এন্ড অপস) নীগার সুলতানা মানবজমিনকে বলেন, অপমৃত্যু মামলা থেকে হত্যা মামলায় রুপান্তর হয়েছে আবার সেটি ডিটেক্ট হয়েছে এধরনের ঘটনা অহরহ। তদন্ত কর্মকর্তারা মামলার তদন্ত করে অনেক অপমৃত্যু মামলায় হত্যার আলামত পেয়েছেন। পরে ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার আদালতে চার্জশিটও জমা দিয়েছেন। রেলওয়ে পুলিশ সদরদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক মো. শাসুদ্দিন মানবজমিনকে বলেন, রেললাইন ট্রেনের বগি থেকে আমরা অনেক সময় বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করি। আবার অনেক সময় ট্রেনের ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে অথবা অন্য জায়গায় হত্যা করে অনেক সময় রেললাইনে ফেলে দেয়া হয়। মরদেহ দেখে যদি মনে হয় এটি হত্যাকাণ্ড তবে আমরা হত্যা মামলা করি। এমনিতে রেললাইন থেকে কোনো মরদেহ উদ্ধার করা হলে সাধারণত অপমৃত্যু মামলা করা হয়। তবে কোনো স্বজন যদি অভিযোগ করে আমরা সেটি তদন্ত করে দেখি।

রহস্য উদঘাটন হয়নি অনেক মামলার: হত্যার অভিযোগ উঠেছে অনেক মামলারই রহস্য উদঘাটন হয়নি। বছরের পর পর ধরে তদন্ত চলছে কিন্তু অভিযোগের সুরাহা করতে পারেননি তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। ২০১৩ সালের ৯ই মার্চ ঢাকার খিলক্ষেত থানার অদূরের রেললাইন থেকে প্রয়াত সুরকার ও গীতিকার এবং যুদ্ধাপরাধ মামলার সাক্ষী আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের ছোট ভাই আহেমদ মিরাজের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মিরাজের ময়নাতদন্ত রিপোর্টে তার দুই ঠোঁটের ভেতরে, মাথার পেছনে এবং বুকের ভেতরে রক্ত জমাট বাঁধার আলামত পাওয়া যায়। তার নাকও ছিল ভাঙা। মিরাজকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিলো। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তের পর বর্তমানে মামলার তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তবে এ ঘটনার প্রায় ছয় বছর পরও তদন্ত কর্মকর্তারা হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে পারেন নাই। গত বছরের ১৪ জুন রাজধানীর খিলগাঁওয়ে রেললাইন থেকে শহীদ বুদ্ধিজীবী সেলিনা পারভীনের ছেলে সুমন জাহিদের (৫২) দ্বিখণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। বাসা থেকে ডেকে নেয়ার ২ ঘণ্টা পর শরীর থেকে তার মাথা ছিল বিচ্ছিন্ন মরদেহ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় কমলাপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। স্বজনরা জানিয়েছেন, সুমন জাহিদ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি চৌধুরী মঈনুদ্দিন ও আশরাফুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন। এরপর থেকে তাকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা নানাভাবে হুমকি-দামকি দিয়ে আসছিলো। এজন্য তিনি শাহজাহানপুর থানায় একটি জিডি করেছিলেন। থানা থেকে তাকে সাবধানে চলাফেরার কথা বলা হয়েছিল। তার পরিবারের সদস্যদের দাবি এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। কিন্তু পুলিশ তদন্ত করে ঘটনার কোনো রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি।

২০১৮ সালের ৩০ মার্চ মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার লংলা রেল স্টেশনের পার্শ্ববর্তী ২৩১/১ মাইল খুঁটির কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় জয় ও সন্ধ্যা নামে দুই কলেজ শিক্ষার্থীর লাশ। উপজেলার মেরিনা চা বাগান এলাকার বাসিন্দা ওই দুই শিক্ষার্থী কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজে লেখাপড়া করত। এ মৃত্যুরও কোনো তথ্য উদ্ঘটান করতে পারেনি পুলিশ। ২০১৮ সালের ৩০ মার্চ মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার লংলা রেল স্টেশনের পার্শ্ববর্তী ২৩১/১ মাইল খুঁটির কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় জয় ও সন্ধ্যা নামে দুই কলেজ শিক্ষার্থীর লাশ। উপজেলার মেরিনা চা বাগান এলাকার বাসিন্দা ওই দুই শিক্ষার্থী কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজে লেখাপড়া করত। এ মৃত্যুরও কোনো তথ্য উদ্ঘটান করতে পারেনি পুলিশ। এর দুদিন আগে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের ভানুগাছ রেল স্টেশনের পাশে গোপালনগর রেল ক্রসিং এলাকায় পাওয়া যায় তাসরিকা হক তান্নি নামের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ। তার পরিবারের অভিযোগ, তান্নির বিয়ের পর থেকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে পড়ালেখায় বাধা প্রদান, যৌতুকের জন্য মারধর করাসহ নানাভাবে নির্যাতন করে। ঘটনার দিন তান্নি মৌলভীবাজার কলেজে অনার্স শেষ বর্ষের পরীক্ষা দিয়ে স্বামীর বাড়িতে আসার পথে স্বামী ও স্বামীর বাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে গলাকেটে হত্যা করে বিবস্ত্র লাশ রেললাইনে ফেলে দেয়। এ ঘটনায় শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়। কিন্তু তান্নির স্বজনরা এটি অপমৃত্যু মামলা মেনে না নিয়ে মৌলভীবাজার কোর্টে তার শশুর বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে মামলায় অভিযুক্তরা হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নেয়। তাই ঘটনার দেড় বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও এই মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন হয়নি।

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক প্রফেসর ডা. সেলিম রেজা মানবজমিনকে বলেন, সিন অব ক্রাইমে যাওয়ার সুযোগ আমাদের কম। পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় তারাই আলামত সংগ্রহ করে। তবে কেউ মেরে তাকে রেললাইনে রেখে দিছে কিনা এটি আমরা বুঝতে পারি। এছাড়া যদি শ্বাসরোধ করে বা চেতনানাশক কোনো দ্রব্য খাইয়ে রেললাইনে রাখা হয়েছে কিনা সেটাও বুঝা যায়। তিনি বলেন, আমাদের একটা সীমাবদ্ধতা আছে। সবক্ষেত্রে আমরা মৃত্যুর কারণ বলতে বাধ্য নয়। এটা উচিতও নয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ তৌহিদুল হক বলেন, রেলপথ নির্জন স্থান দিয়ে যাওয়ার জন্য অপরাধীরা অন্যস্থানে মানুষ হত্যা করে অপরাধ ঢাকতে অনেক সময় রেললাইনের ওপর রেখে যায়। যাতে সেটি ট্রেনে কাটা পড়া হিসাবে চালানো যায়। এছাড়া পুলিশও ঘটনাস্থল থেকে সেভাবে আলামত সংগ্রহ করতে পারে না। তাই অনেক সময় হত্যা না আত্মহত্যা নাকি ট্রেনে কাটা এটি শনাক্ত করা সম্ভব হয় না। এই ধরনের প্রেক্ষাপট মোকাবিলা করতে হলে রেললাইনকে সার্বিক সুরক্ষা ও নিরাপত্তার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। তা না হলে রেললাইন আত্মহত্যাকারী ও স্বার্থ উদ্ধারের উদ্দেশে হত্যা বা কাউকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার জন্য সহায়ক হয়ে থাকবে। তাই এ বিষয়গুলোকে রেল অথরিটি দক্ষভাবে মোকাবেলা করতে হবে। দেশে যে পরিমান রেলপথ, ট্রেন, যাত্রী আছে সে তুলনায় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা রেলওয়ে পুলিশের লোকবল কি পরিমান আছে সেটি ভাবতে হবে। এখানে ব্যবস্থাপনার ঘাটতি আছে। এই লোকবল দিয়ে রেলের সব অপরাধ মনিটরিং করা সম্ভব না।

আপনার মতামত দিন

শেষের পাতা অন্যান্য খবর

মায়ের সামনে প্রাণ গেল মেয়ের

২৪ জানুয়ারি ২০২০

কুমিল্লায় ধর্ষণ

প্রতিবাদ করায় খুন হন নাছির

২৪ জানুয়ারি ২০২০

ফের অস্থির চালের বাজার

২৩ জানুয়ারি ২০২০





শেষের পাতা সর্বাধিক পঠিত



নারায়ণগঞ্জে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ

সোনাইমুড়িতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা

থানা হেফাজতে এফডিসি কর্মকর্তার মৃত্যু

সহকর্মীদের বিক্ষোভ নানা প্রশ্ন

বিশ্বে গণতন্ত্রের পশ্চাৎযাত্রা

‘হাইব্রিড শাসনাধীন’ দেশ বাংলাদেশ