জাকির নায়েককে এখনি ফেরত দিচ্ছে না মালয়েশিয়া

মানবজমিন ডেস্ক

দেশ বিদেশ ৯ নভেম্বর ২০১৯, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:০১

ভারতে অর্থপাচার ও জিহাদী কাযক্রমে উদ্বুদ্ধ করার অভিযোগ রয়েছে বিতর্কিত ধর্ম প্রচারক জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে। গত তিন বছর ধরে মালয়েশিয়ায় বসবাস করছেন তিনি। সামপ্রতিক সময় তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে ভারত সরকার। এর অংশ হিসেবে তারা মালয়েশিয়ার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জাকির নায়েককে ফিরিয়ে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তবে মালয়েশিয়া জানিয়ে দিয়েছে, তারা এখনি জাকির নায়েককে ফেরত দেবে না।
এ নিয়ে ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক বার্তা দেবে বলে জানিয়েছে মালয়েশিয়ার সরকার।  দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সাইফুদ্দিন আবদুল্লাহ জানান, তারা ভারত সরকারকে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করে একটি চিঠি পাঠাতে যাচ্ছে। এটর্নি জেনারেল টমি থমাসের সঙ্গে আলোচনা করে চিঠির বিষয়বস্তু নির্ধারণ করা হবে। বৃহসপতিবার এক সভায় তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি আরো বলেন, জাকির নায়েককে ফিরিয়ে দেয়া নিয়ে ভারতের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে। তবে আমাদের প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে সপষ্ট করে ব্যাখ্যা করেছেন কেনো তাকে এখনি ফেরত পাঠাবে না মালয়েশিয়া।  
জাকির নায়েক ইস্যুতে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। জানান, গত সপ্তাহে ব্যাংককে আসিয়ান সম্মেলন চলাকালে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে আলোচনা হয়েছে। এ সময় জাকির নায়েককে কেন ফেরত পাঠানো হবে না তার কারণ ব্যাখ্যা করে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠাতে বলেছেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে দিল্লির পক্ষ থেকে তাকে  ফেরত পাঠানোর আনুষ্ঠানিক আবেদন করা হলে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির  মোহাম্মদ এ ব্যাপারে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন। সমপ্রতি তার বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ায় সংখ্যালঘুদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগে তদন্ত করে সেখানকার কর্তৃপক্ষ। তখন মাহাথির বলেছিলেন, তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির কয়েকটি রাজ্যে তার বক্তব্য দেয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে জাকির নায়েককে দেশে ফিরিয়ে আনতে আরও তৎপর হয়েছে দিল্লি। এরই মধ্যে তার বিরুদ্ধে পরোয়ানাও জারি হয়েছে।

দেশ বিদেশ অন্যান্য খবর

বাজার সম্প্রসারণে জার্মান বিনিয়োগ পেলো ওয়ালটন

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে বিশ্বের দ্রুত অগ্রসরমান ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড হিসেবে ওয়ালটনের পাশে দাঁড়াচ্ছে জার্মান বিনিয়োগ এবং ...

ট্রাম্পকে অভিশংসনের দুটি আর্টিকেল অনুমোদন কংগ্রেসে

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে অভিশংসন প্রক্রিয়ায় দুটি অভিযোগ বা আর্টিকেল অনুমোদন করেছে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের ...

ক্ষমতা না-ও ছাড়তে পারেন মাহাথির মোহাম্মদ

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

 ২০২০ সালের পরেও ক্ষমতায় থেকে যেতে পারেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির মোহাম্মদ। কাতারের রাজধানী দোহা’য় ...

সুদানের ক্ষমতাচ্যুত বশিরের রায় ঘোষণা

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

প্রায় ত্রিশ বছর পর ক্ষমতাচ্যুত সুদানের শাসক ওমর আল বশিরের বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা ...

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল সফরে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যের সতর্কতা

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

 নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে কেন্দ্র করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে চলমান সহিংস বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে ভ্রমণ সতর্কতা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ...

বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনে ঢাকা-দিল্লির ‘স্বর্ণালী’ সম্পর্ক কেঁপে উঠেছে

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে ‘ট্রাবল-ফ্রি’ বা ঝামেলামুক্ত হিসেবে দেখে ভারত, যেখানে বহুবিধ সমস্যা রয়েছে। এমনকি বলা ...

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের জীবনাদর্শ অনুসরণ করতে হবে: ঢাবি ভিসি

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেছেন,শহীদ বুদ্ধিজীবীদের জীবনাদর্শ অনুসরণ করে উদার, অসাম্প্রদায়িক ও ...





পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Mohammed Abdul Malek

২০১৯-১২-১৬ ০৮:৫২:০৫

সেই সময় হানাদার বাহিনী কারা ছিল?

আপনার মতামত দিন

দেশ বিদেশ সর্বাধিক পঠিত