সমালোচনা সত্ত্বেও পাকিস্তানে ৮ অর্ডিন্যান্স অনুমোদন

মানবজমিন ডেস্ক

বিশ্বজমিন ২৩ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার

পার্লামেন্টকে এড়িয়ে প্রেসিডেন্সিয়াল অর্ডিনান্সের ওপর নির্ভর করার সমালোচনা থাকলেও পাকিস্তানের মন্ত্রীপরিষদ আটটি অর্ডিন্যান্সকে অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে বেশির ভাগই বিচার বিভাগ সম্পর্কিত। একটি আছে জাতীয় জবাবদিহিতা বিষয়ক ব্যুরো এনএবি অর্ডিন্যান্স সংশোধন সম্পর্কিত। এই অধ্যাদেশটিতে দেশের উচ্চ পদস্থ রাজনৈতিক বন্দিদের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডন। মঙ্গলবার এ নিয়ে মন্ত্রীপরিষদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তার সভাপতিত্বে বৈঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে কর্তারপুর করিডোর বিষয়ক প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার চুক্তিকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দেয়া হয়।

সব মিলিয়ে অনুমোদন দেয়া হয়েছে আটটি অর্ডিন্যান্স বা অধ্যাদেশকে।
সরকারি এক হ্যান্ডআউটে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনীর বিদ্যুত চাহিদা মেটানোর জন্য ‘নির্মাণ, পরিচালনা ও স্থানান্তর ভিত্তিক’ সৌর বিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপন অনুমোদন দেয় মন্ত্রপরিষদ। এ ছাড়া মন্ত্রীপরিষদকে জানানো হয়, সেনাবাহিনীর সম্পদের বিপুল অংশ ব্যয় করতে হয় গ্যারিসনে, সামরিক হাসপাতালে ও স্পর্শকাতর স্থাপনাগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত সরবরাহ করতে। এতে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নীতি বিষয়ক পরিষদে সম্মানসূচক পদগুলোতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির অবস্থা পর্যালোচনা করতে বলা হবে সুপ্রিম কোর্টকে।

প্রশাসনে স্বচ্ছতা আনার জন্য এনএবির কোনো অনুরোধের প্রেক্ষিতে তাদেরকে সব রকম তথ্য সরবরাহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রীপরিষদ। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন পাকিস্তানের আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারুক নাসিম এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. ফিরদৌস আশিক আওয়ান। এ সময় প্রেসিডেন্সিয়াল অর্ডিন্যান্সের ভিত্তিতে সরকার চলছে বলে বিরোধী দল যে বিবৃতি দিয়েছে তার জন্য বিরোধী দলের সমালোচনা করেন তারা। তারা উল্টো এটাকে পাকিস্তানের জন্য ‘ডিফাইনিং মোমেন্ট’ বলে আখ্যায়িত করেন। তারা বলেন, জনস্বার্থে সরকার আটটি আইন অনুমোদন করেছে। এসব অর্ডিন্যান্সের বিষয়ে মন্ত্রীপরিষদ থেকে সবুজ সংকেট পাওয়া গেছে।

এসব অর্ডিন্যান্সের মধ্যে রয়েছে লেটার অব এডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড সাক্সেশন সার্টিফিকেটস অর্ডিন্যান্স ২০১৯, এনফোর্সমেন্ট অব ওমেনস প্রোপার্টি রাইটস অর্ডিন্যান্স ২০১৯, বেনামি ট্রানজেকশনস  (প্রোহিবিশন) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অর্ডিন্যান্স ২০১৯, সুপেরিয়র কোর্টস  কোর্ট ড্রেস অ্যান্ড মোড অব অ্যাড্রেস) অর্ডার (রিপিল) অর্ডিন্যান্স ২০১৯, ন্যাশনাল একাউন্টেবলিটি (অ্যামেন্ডমেন্ট) অর্ডিন্যান্স ২০১৯, লিগ্যাল এইড অ্যান্ড জাস্টিস অথরিটি অর্ডিন্যান্স ২০১৯ এবং হুইসেলব্লোয়ারস অ্যাক্ট।



আপনার মতামত দিন

বিশ্বজমিন -এর সর্বাধিক পঠিত