ধানের পর চামড়া, দুই ভরসাই খতম

পিয়াস সরকার

ষোলো আনা ১৬ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:৩৪

ছবিঃ নাসির উদ্দিন
সীমান্তবর্তী গ্রাম সরকারপাড়া। গ্রামটিতে এখনো পৌঁছায়নি বিদ্যুৎ। কৃষকপ্রধান গ্রামটির অধিকাংশ মানুষই দরিদ্র। গ্রামটিতে কোনো রকম বাঁশ ঘেরা দুটি ঘরে থাকে ৩৮ শিশু। তারা সবাই এতিম। এতিমখানার নাম সরকারপাড়া এতিমখানা। এটি অবস্থিত নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার চিলাহাটীতে।

প্রত্যন্ত এলাকার এই এতিমখানায় কোনো রকমে চলে তাদের দিন। তাদের আয়ের উৎস দুটি।
প্রধান আয়ের উৎস ঈদুল আজহার চামড়ার অর্থ ও ধান। কিন্তু এবারে বড় হুমকির মুখে তারা। এই এতিমখানায় চামড়ার টাকা দান করেন অনেক মানুষ। দান করেন চামড়াও। এর আগের বছর চামড়া থেকে তারা আয় করেছিলেন প্রায় ৩২ হাজার টাকা। কিন্তু এবারে চামড়া থেকে তারা আয় করেছেন মাত্র ৩ হাজার ৮শ’ টাকা। বিক্রি না হওয়ায় ফেলে দিতে হয়েছে ৪টি গরু ও ৩টি ছাগলের চামড়া। আর ধানের দাম না থাকায় সেখানেও আয় কম হয়েছে তাদের। এর আগেরবার ধানের মৌসুমে আয় হয়েছিল ৬২ হাজার টাকা। এবারের মৌসুমে তাদের আয় হয়েছে প্রায় ২০ হাজার টাকা কম।

এতিমখানার পরিচালক জুয়েল ইসলাম বলেন, এই এতিমখানা এমনিতেই করুণ দশায় চলছে। আবার ধানের সময় টাকা কম আসলো। আর এবার চামড়ার টাকাই পেলাম না। এখন বাচ্চাগুলোকে চালাবো কী করে? অন্যের সাহযোগিতায় চলবে তার তো উপায় নেই। ধানের দাম না পাওয়ায় সবার ঘরেই অভাব। শঙ্কায় আছি না খেয়ে না থাকতে হয় তাদের। আর একজন হুজুর তাদের দেখাশোনা করেন। তার বেতন আগেই ঠিকমতো দিতে পারতাম না। আর এখন পরিস্থিতি তো আরো ভয়াবহ।

ষোলো আনা অন্যান্য খবর

একজন প্রতিবাদী শারমিন

৩ ডিসেম্বর ২০১৯

বিশ্বনাথের নিজের গল্প

৩ ডিসেম্বর ২০১৯

তবুও স্বপ্ন বুনছেন ওরা

৩ ডিসেম্বর ২০১৯

সরজমিন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অন্যরকম জীবন

১৫ নভেম্বর ২০১৯

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়

ক্ষমতাধর জয়

১৮ অক্টোবর ২০১৯

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

অঙ্গীকারেই সীমাবদ্ধ

১৮ অক্টোবর ২০১৯





পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

efti hasan

২০১৯-১০-১৭ ২১:৩৬:০৬

ভালো লাগছে রিপোর্টটা

আপনার মতামত দিন

ষোলো আনা সর্বাধিক পঠিত