অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখরিত ‘নীলসাগর’

চলতে ফিরতে

শাহজাহান আলী মনন, নীলফামারী থেকে | ১৩ জানুয়ারি ২০১৯, রোববার
অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে নীলফামারীর ‘নীলসাগর’। অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি ও অতিথি পাখির কিচিরমিচির শব্দ শুনতে বিভিন্ন স্থান থেকে এখানে ছুটি আসছেন নানা বয়সের দর্শনার্থী। প্রকৃতির শ্বাসত অপরূপ-সৌন্দর্যের এই বিনোদন কেন্দ্রটিকে পর্যটন বিভাগের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।


নীলফামারী শহর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে গোড়গ্রাম ইউনিয়নের ধোপাডাঙ্গা মৌজায় ৫৩ দশমিক ৬০ একর জমির ওপর অবস্থিত নীলসাগর। উত্তর-দক্ষিণে লম্বা এ দীঘিকে ঘিরে রয়েছে বহু উপাখ্যান ও রূপকথা। কথিত আছে তৎকালীন বিরাট রাজা নামে এক রাজার বসবাস ছিল এখানে। তার বিপুলসংখ্যক গবাদি পশু ছিল। এ গবাদি পশুগুলোকে গোসল ও পানি খাওয়ানোর জন্য একটি দীঘি খনন করেন। রাজার নামানুসারের দীঘির নামকরণ করা হয় বিরাট দীঘি।
কালের বিবর্তনে বিরাট দীঘি বিন্নাদীঘি নাম ধারণ করে। ১৯৯৮ সালে এ দীঘির নামকরণ নীলফামারীর নামানুসারে নীলসাগর রাখা হয়। শীত মৌসুমে সুদূর সাইবেরিয়া থেকে হাজার হাজার অতিথি পাখির আগমন ঘটে নীলসাগরে। এ সময় পাখির কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে উঠে নীলসাগর। পাখির কিচিরমিচির আর পানিতে ডানা ঝাপটানোর শব্দ নীরব নিথর গ্রামের নির্জনতা ভেঙে দেয়। সবুজ বৃক্ষরাজিতে চারদিক শোভিত এই নীলসাগরে অতিথি পাখির নৈসর্গিক সৌন্দর্য আরো বাড়িয়ে তোলে। এ সৌন্দর্য উপভোগ করতে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগমন ঘটে অনেক দর্শনাথীর।

পাখি ও পরিবেশ সুরক্ষায় কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেতুবন্ধনের প্রতিষ্ঠাতা আলমগীর হোসেন জানান, প্রতি বছরের ন্যায় এবারো অতিথি পাখিরা এসেছে। তারা চলমান ডিসেম্বর থেকে মার্চের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত থাকবে। অতিথি পাখিদের মধ্যে অন্তত ৬৫টি প্রজাতির কয়েক হাজার রিযায়ী রয়েছে। এই চার মাস অতিথি পাখিদের নিরাপদে রাখতে হবে।

তিনি আরোও জানান, সেতুবন্ধন সংগঠনের তরুন সদস্যরা অতিথি পাখিদের আস্তানাসহ বিভিন্ন স্থানে সচেতনতামূলক বিলবোর্ড স্থাপন করে। আরো সচেতনতামূলক প্রচার প্রচারণা এবং পাখিদের নিরাপদ রাখতে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করে।

নীলফামারী জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন জানান, শীতের শুরু থেকে নীলসাগরসহ জেলার বিভিন্নস্থানে অতিথি পাখিরা এসে ভিড় করেছে। অতিথি পাখিদের যাতে কেউ শিকার করতে না পারে এ জন্য প্রশাসনের পক্ষে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Kazi

২০১৯-১০-০৯ ১৫:৩৫:২০

Nothing is free. These strangers birds eating fish causing shortage of source of protein in the country, that is the cost of public.

আপনার মতামত দিন

৮৮ পাউন্ডের লুলুলেমন, নির্মাতারা নির্যাতিত

সম্রাটের মুখে কুশীলবদের নাম

বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে ফিফা প্রেসিডেন্ট

ফরিদপুরে মানবজমিন উধাও

সীমান্তে গোলাগুলি বিএসএফ সদস্যের নিহতের খবর ভারতীয় মিডিয়ায়

৩৬০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করবে সৌদি কোম্পানি

গ্রামীণফোন-রবিতে প্রশাসক নিয়োগে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন

বালিশকাণ্ডের তদন্তে দুদক

ব্রেক্সিট নিয়ে বৃটেন ইইউ সমঝোতা

মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়েও নিরাপত্তাহীনতায়

ভুলে আসামি, ১৮ বছর পর খালাস পেলেন নাটোরের বাবলু শেখ

গ্রামীণফোনের কাছ থেকে ১২৫৮০ কোটি টাকা আদায়ের ওপর হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা

‘ফিরোজের কাছে ফিরে আসবো’

শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী বলেই আবরার হত্যার পর দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে

পদযাত্রায় বাধা, আমরণ অনশনে নন-এমপিও শিক্ষকরা