বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে হলে দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
Monday, 16 August 2010
Sample Image
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে হলে দেশকে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দারিদ্র্যমুক্ত করতে হবে।
 আর এজন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর পাশাপাশি সকলের একে অপরকে সহযোগিতা করতে হবে। তাহলেই দেশ থেকে দরিদ্রতা দূর করা সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু  দেশের ভুখা-নাঙ্গা সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করে গেছেন। তিনি বলতেন- দেশের নারী সমাজকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে পারলেই দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করা সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী গতকাল সকাল সাড়ে ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজার চত্বরে গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত দারিদ্র্য নিরসনে ও নারী উন্নয়নে দুঃস্থ অসহায় মহিলাদের প্রশিক্ষণ শেষে সেলাই মেশিন বিতরণ কালে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, দুঃস্থ মহিলাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের উৎপাদিত দ্রব্য সমবায়ের মাধ্যমে বাজারজাত করা সম্ভব। এ সরকার একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের মাধ্যমে পরিবারের প্রতিটি পুরুষ-মহিলার কর্মসংস্থানের নিশ্চিত ব্যবস্থা করছে। জেলা পরিষদের আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০জন দুঃস্থ মহিলার হাতে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন, সার্টিফিকেট ও কাপড় বিতরণ করেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল সকাল ১০.২০ মিনিটে টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছান। এ সময় তাকে তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনার প্রদান করে। তিনি বঙ্গবন্ধুর মাজারের বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দোয়া, মোনাজাত ও ফাতেহা পাঠ করেন তিনি। এ সময় ছোট বোন শেখ রেহানা, আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম (এমপি) আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও এলজিআরডি মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, পরিকল্পনা মন্ত্রী একে খন্দকার, বাণিজ্য মন্ত্রী লে. কর্নেল (অব.) ফারুখ খান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. রুহুল হক, যোগাযোগ মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শেখ মো. আবদুল্লাহ, উপকেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কাজী আকরামউদ্দিন, সাবেক চিফ হুইপ আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, শেখ হেলাল উদ্দিন (এমপি), রেডক্রিসেন্টের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ কবির হোসেন ও ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এরপর শেখ হাসিনা মাজার প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক মিলাদ মাহফিলে অংশগ্রহণ শেষে বেলা পৌনে ১টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে টুঙ্গিপাড়া ত্যাগ করেন।

 
< পূর্বে   পরে >




 

সর্বশেষ খবর