১০ ছবি প্রদর্শনের অযোগ্য ৪টির সনদপত্র স্থগিত

মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন | ২০১৫-০৩-১০ ৮:৩০
চলচ্চিত্রের সার্বিক উন্নয়নে কঠোর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড। সম্পূর্ণ সিনেমা নয়, গোজামিলে ভরা, অশ্লীলতা, স্পর্শকাতর কিছু বিষয় নিয়ে সিনেমা নির্মাণের অভিযোগে গত দুই মাসে ১০টি ছবি প্রদর্শনের অযোগ্য ঘোষণা করেছে সেন্সর বোর্ড। পাশাপাশি অশ্লীলতার অভিযোগে দুটি ছবি এবং সেন্সর বোর্ড কর্তনকৃত দৃশ্য জুড়ে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রতিযোগিতায় জমা দেয়ার অভিযোগে দু’টি ছবির সেন্সর সনদপত্র সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, যে ১০টি ছবিকে প্রদর্শনের অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে সেগুলো হলো- এফ জাহাঙ্গীর পরিচালিত ‘অশান্ত মেয়ে’, আবুল হোসেন খোকন পরিচালিত ‘প্রেম যে করে সে জানে’, আকাশ আচার্য পরিচালিত ‘আকমল আলীর সংসার’, এ মুকুল নেত্রবাদী পরিচালিত ‘শাদি’, কালাম কায়সার পরিচালিত ‘ভালবাসতে মন লাগে’, জাহিদ হোসেন পরিচালিত ‘লীলামন্থন’, রকিবুল আলম রকিব পরিচালিত ‘নগর মাস্তান’, নজরুল ইসলাম খান পরিচালিত ‘রানা প্লাজা’, আজাদুর রহমান বাবু পরিচালিত ‘বাংলার ফাটাকেষ্ট’ এবং আহসান উল্লাহ মনি পরিচালিত ‘বাল্যবিবাহ নিষেধ’। এর মধ্যে কয়েকটি ছবি আপিল করেছিল। কিন্তু আপিল বোর্ড সেন্সর বোর্ডের সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন। পাশাপাশি জয়দেবপুরের দুটি প্রেক্ষাগৃহে অশ্লীল দৃশ্য সংযোজন করে প্রদর্শনের অভিযোগে অপূর্ব রানা পরিচালিত ‘খুনি বিল্লাহ’ ও শাহিন সুমন পরিচালিত ‘নগদ’ ছবি দু’টির সেন্সর সনদপত্র সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত ‘কিছু আশা কিছু ভালবাসা’ এবং মঈন বিশ্বাস পরিচালিত ‘পাগল তোর জন্য রে’ ছবি দুটির সেন্সর সনদপত্র স্থগিত করা হয়েছে সেন্সর বোর্ড কর্তৃক কর্তন করা দৃশ্য জুড়ে দিয়ে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রতিযোগিতায় জমা দেয়ার অভিযোগে। জানা গেছে, ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রচলন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যে কেউই সিনেমার নামে ইচ্ছামতো কিছু বানিয়ে দর্শকদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। এতে দর্শক প্রতারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চলচ্চিত্র ব্যবসায় মারাত্মকভাবে প্রভাব ফেলছে। বিষয়টি চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের নজরে এলে সেন্সর বোর্ড চলচ্চিত্রের সার্বিক উন্নয়নে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এতে যদি প্রযোজক পরিচালকরা সতর্ক হন তাহলে চলচ্চিত্রেরই মঙ্গল হবে বলে সেন্সর বোর্ড সদস্যরা জানিয়েছেন।