আগাম নির্বাচন করার মতো দৈন্যদশায় পড়িনি

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ৮ ডিসেম্বর ২০১৭, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ২:৪৭
আগাম নির্বাচনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এমন কোনো দৈন্যদশা বা সমস্যায় পড়িনি যে, আগাম নির্বাচন দিতে হবে। তবে সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচন যে কোনো সময় হতে পারে। তিনি বলেন, আমি চাই যেসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আমরা হাতে নিয়েছি, সেগুলো শেষ হোক। আমরা না থাকলে যে উন্নয়ন থমকে  যায়। প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে আমরা যে উন্নয়ন করেছি তা এর আগে কখনও হয়নি। আমরা বিশ্ব ব্যাংক-কে চ্যালেঞ্জ দেয়ার মতো সৎসাহসও দেখিয়েছি।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বিএনপিসহ সব দলকে আনার বিষয়ে সরকার কোনো উদ্যোগ নেবে না উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, বিএনপি নাকে খত দিয়ে নির্বাচনে আসবে। প্রধানমন্ত্রী গতকাল তার সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। সাম্প্রতিক কম্বোডিয়া সফর উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য শেষে সাম্প্রতিক বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী। সংবাদ সম্মেলন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে ছিলেন।
আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপিসহ সব দলকে আনার বিষয়ে সরকার আলোচনা বা অন্য কোনো উদ্যোগ নেবে কিনা এমন প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের নির্বাচন করাটা একটা কর্তব্য। যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, মনে করে উপর থেকে কেউ ফল পেড়ে খাইয়ে দেবে, তারা নির্বাচন করতে চায় না। এটা যার যার দলের সিদ্ধান্ত। এখানে আমাদের করণীয় কিছু নেই। এটাই হলো বাস্তবতা। তবে আগামী নির্বাচনে বিএনপি নাকে খত দিয়ে অংশ নিতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশটাকে উন্নত করবো। সেই লক্ষ্য নিয়েই দেশ চালাচ্ছি। তারপর জনগণের ইচ্ছা, যাকে ইচ্ছা ভোট দেবে। কারণ আমি স্লোগান দিয়েছিলাম আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব। ভোট দিলে আছি, না দিলে নাই। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে ভালোবেসে দেশ চালাই। বাবার কাছ থেকে যা শিখেছি, দেশের উন্নয়ন কিভাবে করতে হয়, সে চিন্তা করেই দেশ চালাচ্ছি। সেজন্য সফলতাও আসে দেশের। আজকে বাংলাদেশ বিশ্বে একটা মর্যাদা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। তো এই মর্যাদাটা ধরে রাখবেন, না মানি লন্ডারিং, ওই শপিং মলের মালিক, মানুষ খুন, আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারে যারা তাদেরকে নেবেন। এটা তো জনগণের ওপর নির্ভর করে। এখানে আমার কোনো কিছুই করার নাই। আমরা দেশটাকে স্বাধীন করেছি। দেশটাকে উন্নত করবো সেই লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমা করে দেয়ার বিষয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বক্তব্যের প্রসঙ্গ এনে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি কোনো অপরাধ করেছি নাকি যে আমাকে ক্ষমা করতে হবে? আমাকে কেন ক্ষমা করবে, আমি কি করেছি। বরং উনি উল্টো মাফ চাওয়া দরকার। তার উচিত দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া। কিবরিয়াসহ অনেককে হত্যা করা হয়েছে। ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় আমি বেঁচে গিয়েছিলাম, এজন্য আমাকে ক্ষমা করেছেন? তিনি আরও বলেন, খালেদার বিরুদ্ধে যে মামলা তা আমাদের সরকার দেয়নি। আর যারা মামলা দিয়েছে মইন উদ্দিন, ফখরুদ্দীন তাদের নিজেদের লোক। তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার কারা। সবাই উনার লোক। নয়জনকে টপকে সেনাপ্রধান করা হয়েছিল মইন-উ-আহমেদকে, বিশ্ব ব্যাংক থেকে ফখরুদ্দীনকে এনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর করা হয়। আর ইয়াজউদ্দিনতো ওনার ইয়েস উদ্দিন। সবগুলো ওই আমলের মামলা। বরং খালেদা জিয়ার আমলে আমার বিরুদ্ধে তো এক ডজন মামলা দিয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, মামলায় থেকে তার পলায়নপর নীতি আপনারা তা দেখেছেন। কোর্টে যাওয়া নিয়েও তাণ্ডব হয়েছে। এর আগে আওয়ামী লীগের এমপির গাড়ি ভাঙচুর করেছে, আগুন দিয়েছে।
রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে অপর প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমরা সমর্থন পাচ্ছি। কম্বোডিয়ার প্রেসিডেন্টকে আহ্বান জানিয়েছি। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন- আসিয়ানে এ বিষয়ে কথা বলবেন বলে। এতো সংখ্যক শরণার্থীর চলে আসাটা কেউই ভালো চোখে দেখছে না। সবাই চায় রোহিঙ্গারা তাদের নিজের দেশে ফিরে যাক। আমরাও তাই প্রত্যাশা করি। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে আমি চাই তাদের সঙ্গে প্রতিবেশীভাব থাকুক। মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়েছি। অবশ্যই ফেরত নিতে হবে।
নাকে খত দিয়ে নির্বাচনে আসতে হবে
জাতীয় নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিএনপির সঙ্গে আলোচনার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী কোনো উদ্যোগ নেবেন কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের নির্বাচনে আনতে কি বরণডালা পাঠাতে হবে? মনে হয়, বরণডালা পাঠাতে হবে। আমার এক কথা, আমি অপাত্রে ঘি ঢালি না। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, কার সঙ্গে আলোচনা সেটা বলতে হবে। ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে ওনাকে (খালেদা জিয়া) ফোন করে যে জারি খেলাম, আর অপমানিত হওয়ার ইচ্ছা নাই। তারা নির্বাচন করবে কিনা সেটা তাদের বিষয়। তবে তারা এবার নাকে খত দিয়ে নির্বাচনে আসবে বলে মনে করি। খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে মারা যাওয়ার পরে সেখানে যাওয়ার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমি সমবেদনা জানাতে গেলাম। অথচ তারা তাও বুঝল না। যারা এতটুকু ভদ্রতা জানে না, তাদের সঙ্গে কথা বলার ইচ্ছা নাই আমার। আর যাই হোক, আমি তো একজন সরকার প্রধান। তারপরও দেশের স্বার্থে আমি সহ্য করেছি।
প্রধানমন্ত্রীর পাল্টা প্রশ্ন
সৌদি আরবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পরিবারের সম্পদ রয়েছে- এ বিষয়ে মিডিয়ায় খবর এসেছে, বিষয়টি সরকার তদন্ত করবে কিনা এমন প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, সৌদি আরবে খালেদা জিয়ার সম্পদ নিয়ে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের আগ্রহ নেই কেন? আগ্রহ না থাকার রহস্য কী?
তিনি বলেন, সৌদি আরবে যে খালেদা জিয়ার বিশাল সম্পদ, শপিংমল ইত্যাদি পাওয়া গেছে এটা তো আমরা কিছু করেনি। এটা তো বিদেশ থেকেই সংবাদ এসেছে। তবে আমি আপনাদের একটা প্রশ্ন করি, এখানে তো অনেকে সংবাদপত্রের মালিক, সম্পাদক রয়েছেন, কই আপনাদের তো এটা নিয়ে নিউজ দেয়ার বিষয়ে কোনো আগ্রহ দেখলাম না। রহস্যটা কি? আপনার কী ওখানে বিনা পয়সায় শপিং করার কোনো কার্ড পেয়েছেন? না হলে এ সংবাদটাও আপনারা দিতে পারলেন না। যদি এই ধরনের সংবাদ আমার বা আমার পরিবারের বিষয়ে হতো আপনারা তো হুমড়ি খেয়ে পড়তেন। আমাদের অপরাধ কী, আমরা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি, আমরা দেশ স্বাধীন করেছি, আর খালেদা জিয়া সবকিছুতে মাফ পায় কেন, যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানিয়েছে, জিয়াউর রহমান জাতির জনকের খুনিদের মন্ত্রী বানিয়েছে, মদদ দিয়েছে সেজন্যই কী তাদের সাত খুন মাফ? এ প্রশ্ন যেহেতু আমার মনে এসেছে সেহেতু আপনাদের কাছে প্রশ্নটা করলাম। আমি তো কোনো পত্রিকাকে দেখলাম না এটা নিয়ে কোনো উচ্চবাচ্য করতে, বিষয়টা কী?’ হ্যাঁ, দুইটা মাত্র চ্যানেল এটা নিয়ে নিউজ দিয়েছে, আর দুইটা মাত্র পত্রিকা নিউজ করেছে আর বাকি পত্রিকাগুলো তন্ন তন্ন করে দেখে কোনো নিউজ পাইনি।
তিনি বলেন, এই যে টাকা পাচার, মানি লন্ডারিং। এটা যে খালেদা জিয়ার ছেলেরা করেছে এটা তো আমরা বের করিনি একটা বেরিয়েছে আমেরিকা থেকে, আরেকটা সিঙ্গাপুর থেকে। টাকা আমরা কিছু ফেরত এনেছিলাম, এগুলো তো মিথ্যা না। আর সৌদিতে যেসব সম্পদ পাওয়া গেছে, আপনাদের মনে রাখা উচিত। একবার সংবাদ হলো সৌদিতে খালেদা জিয়ার ১৫০টি স্যুটকেস নিয়ে যাওয়া, তখন প্রশ্ন উঠলো স্যুটকেসে কী আছে? তো, সেটা আপনারা সবাই ভুলে গেলেন। এটাই আমার প্রশ্ন, এর মধ্যে অনেকগুলো পত্রিকা আমি অনুমতি দিয়েছিলাম, কিন্তু সেই পত্রিকাগুলোর এতটুকু সৎসাহস হলো না কেন এই নিউজগুলো দেয়ার। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশে কোনো প্রাইভেট চ্যানেল ছিল না, একমাত্র বিটিভি ছিল। কোনো সরকার সাহস পায়নি, একমাত্র আমি অনুমতি দিয়ে দিয়েছি। ৪৪টা চ্যানেলের মধ্যে অন্তত ২৩টা চ্যানেল এখনও চলছে, মাত্র ২টা চ্যানেল নিউজ দিয়েছে, বাকিরা মুখবন্ধ। সবার মুখে হয়তো সেরকম কিছু রসগোল্লা ঢুকিয়ে দিয়েছে, এজন্য সবাই মুখবন্ধ করে রেখেছে। নাকি তারেক রহমানের দেখে রাখছি, চিনে রাখছি ধমকে ভয় পেয়েছেন। আপনাদের প্রশ্নের আর কী জবাব দিবো বলেন আমাকে। এতটুকু সৎসাহস যদি না থাকে তবে আর কি উত্তর দেব, উত্তর দেয়ার কিছু আছে বলেও মনে করি না।’
তারেক রহমানকে দেশে ফিরে আসতেই হবে
বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারপারসন তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তাকে ফেরত আনতে যুক্তরাজ্য সরকারের সঙ্গে সরকারের আলোচনা চলছে। একদিন না একদিন দেশে ফিরে তাকে বিচারের মুখোমুখি হতেই হবে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আপনারা নিশ্চয়ই ভুলে যাননি, তারেক রহমান একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। একজন আসামিকে ফেরত আনতে যুক্তরাজ্য সরকারের সঙ্গে আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।
শত ফুল ফুটতে দিন
আগামী নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বাছাই বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শত ফুল ফুটতে দিন, এটা রাজনৈতিক অধিকার। সব থেকে যেটা ভালো আমরা সেটাই নিব। বিভিন্ন আসনে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এক্ষেত্রে দলীয় অবস্থান কি জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, শতফুল ফুটতে দিন, আওয়ামী লীগ একটা বড় রাজনৈতিক দল। এটা তাদের রাজনৈতিক অধিকার। সময় মতো আমরা যেটা ভালো দেখবো, সেটাই বেছে নেবো। নির্বাচনী হাওয়া বয়ে যাওয়া ভালো বিষয়। গণতান্ত্রিক বিষয়টাই এতে ফুটে উঠেছে। মাঠপর্যায় থেকে প্রার্থীদের বিষয়ে জরিপের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের কাছে কার কেমন গ্রহণযোগ্যতা আছে তা আমাদের খেয়াল রাখতে হয়। তবে যার কোনো দুর্বলতা দেখি, তাকে সতর্ক করি। একটা কথা মনে রাখতে হবে-দেশের উন্নয়ন হচ্ছে। এটা অব্যাহত রাখলেই মানুষই আপনাকে বেছে নেবে। তবে কেউ রেড জোনে নেই। মানুষই ভেবে দেখবে তারা আওয়ামী লীগকে চায় কি না।
পত্রিকা পড়ে দেশ চালাই না
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি পত্রিকা পড়ে দেশ চালাই না। দেশকে, দেশের মানুষকে ভালোবেসে দেশ চালাই। বাবার কাছ থেকে যা শিখেছি, দেশের উন্নয়ন কিভাবে করতে হয়; সে চিন্তা করেই দেশ চালাই। তিনি বলেন, আপনারা দেশে-বিদেশে যান। এক সময় গেলে কি হতো, বাংলাদেশ শুনলে মনে করতো ভিক্ষা চাইতে আসছে, এখন সমীহ করে চলে। আগে যেখানে ছিল ভিক্ষুক জাতি, এখন উন্নয়নের রোল মডেল। অন্তত এই জায়গাটায় আপনাদেরকে এনে দিতে পেরেছি। বাংলাদেশটাকে এই জায়গাটায় আনতে পেরেছি। এটা হয়তো সবাই উপলব্ধি করবেন না, করেনও না। আর পত্রিকা মানে হচ্ছে সরকারের বিরুদ্ধে না লেখলে পত্রিকা চলেই না। দেশের উন্নয়ন হচ্ছে, সেটা চোখে দেখেও দেখেন না। এতে তো আমাদের কিছু করার নাই।
প্রধানমন্ত্রীর রসিকতা
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে দুই দফা রসিকতা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কম্বোডিয়া সফর নিয়ে লিখিত বক্তব্য পড়ার পরই তিনি উঠে দাঁড়ানোর ভঙ্গি করে বলেন, তাহলে এখন শেষ করি। শেষ তো। এ সময় সংবাদ সম্মেলন জুড়ে হাসির রোল পড়ে। এদিকে প্রশ্নোত্তরের মাঝে দেশের উন্নয়ন সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দেশকে ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করিয়েছি। এই তো বাংলাদেশে রোবট সোফিয়া এসেছিল। সে তো আবার আমার নাতনি (সজীব ওয়াজেদ জয়ের মেয়ের নাম সোফিয়া)। এ সময় আমাদের অর্থনীতির সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার চেহারার সঙ্গে সোফিয়ার চেহারার মিল আছে। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কি? আমার চেহারা তাহলে রোবটের মতো। আমি রোবট? তাহলে একটু কাঁদি!।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘ মহাসচিবের ৫ প্রস্তাব

বাংলাদেশ থেকে ইরাকে মানবপাচার বাড়ছে

নতুন ১৮ ওয়ার্ড নিয়েই ঢাকা উত্তরে ভোট

মোবাইল কোর্ট আইনের অপব্যবহার হচ্ছে

মন্ত্রীপুত্র জেলে

আমরা আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করবো

প্রশ্নফাঁস বন্ধে দুদকের ৮ সুপারিশ

কাউন্সিলর প্রার্থীদের বিরামহীন প্রচারণা

সিলেটে মুক্তাদিরের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা

অস্বস্তিতে আওয়ামী লীগ বিএনপিতে শঙ্কা

ক্ষতিগ্রস্তকে ৯ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ

জেরুজালেম প্রশ্নে ওআইসি চুপ থাকতে পারে না

‘বিচার বিভাগ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে’

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে মিয়ানমার, বাংলাদেশ সফরের আহ্বান

৪ সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় ভূমিমন্ত্রীপুত্র কারাগারে