খুলনায় পাচার হওয়া দুই নারীর মধ্যে একজন উদ্ধার

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে | ৮ ডিসেম্বর ২০১৭, শুক্রবার
নগরীর খালিশপুরে পাচার হওয়া দু’মহিলার মধ্যে একজন পাচারকারী চক্রের কবল থেকে পালিয়ে এসেছে। এ ঘটনায় দু’পাচারকারীর নাম উল্লেখপূর্বক পাঁচজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ৪ঠা ডিসেম্বর ভিকটিমের পিতা শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে খালিশপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। তবে পুলিশ বুধবার পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি বলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আবুল হাসান জানান। আসামিরা হলো ভারতের বাসিন্দা প্রেম কুমার (৩২) ও দিঘলিয়া উপজেলার উত্তর চন্দনীমহল এলাকার বাসিন্দা হবির মেয়ে সাথী (২৫)। এছাড়া অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জন রয়েছে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বাদীর নিকটজন মোসাম্মৎ সাথীর পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেম কুমার তার বাড়িতে যাতায়াত করতো।
সে সুবাদে তার সঙ্গে মেয়েসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের পরিচয় হয়। এ সুযোগে প্রেম ও সাথী যোগসাজশে বাদীর মেয়ে ও গৃহপরিচারিকাকে ভারতে ভালো কাজ দেয়ার কথা বলে গত ২রা ডিসেম্বর সকাল ১১টার দিকে ফুসলিয়ে ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। খবর পেয়ে বাদী ও তার পরিবারের সদস্যরা সাতক্ষীরা জেলার বাঁশদাহ সীমান্তে ছুটে গিয়ে গৃহপরিচারিকা আমেনাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। তবে এর কিছু আগেই তারা বাদীর মেয়েকে ভারতে পাচার করেছে। পরে বাদী গৃহপরিচারিকা আমেনাকে নিয়ে খুলনায় ফেরত আসেন। ফিরে এসে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেন। এ চক্রটি দীর্ঘদিন এলাকায় মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত। তারা ভালো চাকরি দেয়ার কথা বলে ভারতে পাচার করে থাকে। বাদী শহিদুল খালিশপুর বঙ্গবাসী এলাকার বাসিন্দা। তিনি ১০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের পরিচ্ছন্ন কর্মীদের সর্দার হিসেবে কর্মরত আছেন।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন