খালেদা জিয়াকে বিপুল অভ্যর্থনা

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৯ অক্টোবর ২০১৭, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১২:০৪
দীর্ঘ ৯৫ দিন লন্ডনে অবস্থানের পর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়েই দেশে ফিরেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার রাতে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে এমিরেটস  এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে রওনা দিয়ে গতকাল বিকাল ৫টা ১০ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেন তিনি। সেখানে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে সিনিয়র নেতারা তাকে স্বাগত জানান। দেশে ফিরেই নেতাকর্মীদের উষ্ণ অভ্যর্থনায় সিক্ত হন তিনি। ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা সেরে ৫টা ৩৭ মিনিটে বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে গুলশানের বাসার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। বিপুল শোডাউনের মাধ্যমে দলের শীর্ষ নেত্রীকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপি ও অঙ্গদলের লাখো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।
নেতারা প্রতিযোগিতা করে শোডাউনে অংশ নেয়ায় বিমানবন্দর রোডে রীতিমতো ঢল নেমেছিল মানুষের। স্বাগত জানাতে উপস্থিত নেতাকর্মীদের ভিড়ের কারণে খালেদা জিয়ার গাড়িবহর বিমানবন্দর থেকে তার গুলশানের বাসায় পৌঁছাতে প্রায় সোয়া দুই ঘণ্টা সময় লাগে। পথে হাত নেড়ে কর্মী-সমর্থকদের শুভেচ্ছার উত্তর দিয়েছেন খালেদা জিয়া। এদিকে নানামুখী প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে বিমানবন্দর থেকে বনানী পর্যন্ত বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতির কারণে হাইওয়ের একপাশে বন্ধ হয়ে যায়। এ জমায়েত নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ভূমিকাও ছিল শান্তিপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে সভা-সমাবেশ করতে না পারা বিএনপি ও অঙ্গদলের নেতাকর্মীরা দুপুর থেকেই মুখর ছিলেন মিছিল ও স্লোগানে। হাতে ব্যানার, ফেসটুন, জিয়া-খালেদা ও তারেক রহমানের ছবি, মাথায় ক্যাপ, গায়ে নানা রঙের টিশার্ট পরে পতাকা মিছিল, মোটরসাইকেল মিছিলসহ দুপুর থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল করেছে বিএনপি ও অঙ্গদলের নেতাকর্মীরা। ছাত্রদলের টিশার্টের পেছনে লেখা ‘দুর্নীতি-দুঃশাসন হবে শেষ, গণতন্ত্রের বাংলাদেশ’। নেতাকর্মীদের অনেকেই হাতে হাতে খালেদা জিয়াকে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ আখ্যায়িত করা ব্যানার ও ফেস্টুুন বহন করেছেন। বিএনপির বিভিন্ন ইউনিট নেত্রীকে বরণ করতে আসেন ব্যান্ডবাদ্য সহকারে। শরীরে বিএনপির পতাকা এঁকে ধানের শীষসহ মোটরসাইকেলে করে মিছিল করেছে কিছু কর্মী। বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী নেত্রীকে এক নজর দেখার জন্য দুপুর থেকেই অবস্থান নেন বিমানবন্দর রোডের ডিভাইডার, কুড়িল ফ্লাইওভার, বিমানবন্দর, কাউলা, খিলক্ষেত, কুড়িল ওভারব্রিজের ওপর। অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ড্যাবসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও অভ্যর্থনা জানাতে বিমানবন্দর সড়কে অবস্থান নেন। এদিকে খালেদা জিয়ার ফেরাকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দর থেকে কাকলী পর্যন্ত ব্যাপক নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বিমানবন্দরের ভেতরে মোতায়েন করা হয়েছিল অতিরিক্ত আর্মড পুলিশ। বিমানবন্দরে সামনে ও খিলক্ষেত এলাকায় জলকামান, এপিসি ও প্রিজন ভ্যানও প্রস্তুত রেখেছিল পুলিশ। সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালন করেছেন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তৎপর ছিলেন ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা। পুলিশের স্ট্রাইকিং ফোর্স ও মোবাইল টিমের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ যথাযথভাবেই নিয়ন্ত্রণ করেছে বিএনপি নেতাকর্মীদের ভিড়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও রাস্তায় যানচলাচল স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের তরফে করা হয়েছে দফায় দফায় মাইকিং। ওদিকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়া সিনিয়র নেতাদের ভিআইপি লাউঞ্জে ঢুকতে দেয়নি পুলিশ। ফলে তারা বিমানবন্দর মসজিদের কাছে সড়কে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে গাড়িতে থাকা খালেদাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। সময় তখন ৫টা ৫০ মিনিট। বিমানবন্দরের সামনের প্রধান সড়কে সিনিয়র নেতাদের সামনে এসে থামে খালেদা জিয়ার গাড়ি বহর। এ সময় নেতাকর্মীরা তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে উচ্চস্বরে জানতে চান- ‘ম্যাডাম, কেমন আছেন’। খালেদা জিয়া নেতাকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমি ভালো আছি, সুস্থ আছি। পরে নেতাকর্মীরা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন। স্লোগানে স্লোগানে বিমানবন্দর এলাকা মুখরিত করে তোলেন। সেখানে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, আবদুল মান্নান, মীর মো. নাসির, খন্দকার মাহবুব হোসেন, বরকত উল্লাহ বুলু, ডা. জাহিদ হোসেন, নিতাই রায় চৌধুরী, গিয়াস কাদের চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু, আহমেদ আজম খান, মে. জে. (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী, আমানউল্লাহ আমান, মিজানুর রহমান মিনু, আবদুস সালাম, লুৎফর রহমান খান আজাদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ, মাহবুবউদ্দিন খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, কেন্দ্রীয় নেতা ফজলুল হক মিলন, নজরুল ইসলাম মঞ্জু, বিলকিস জাহান শিরিন, সানাউল্লাহ মিয়া, হাবিবুল ইসলাম হাবিব, শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, যুবদল সভাপতি সাইফুল ইসলাম নিরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেক দল সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, ছাত্রদল সভাপতি রাজীব আহসান, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান, বিএনপির সাংস্কৃতিক সম্পাদক আশরাফউদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ডা. ফাইয়াজ শুভ, ফুটবলার আমিনুল হক, ড. খন্দকার মারুফ হোসেন, মীর হেলালসহ বিএনপি ও অঙ্গদলের সিনিয়র নেতারা। সেখানে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের নেত্রীর বিরুদ্ধে সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করিয়েছে। কিন্তু তিনি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাকে ভয় পান না। তিনি আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। শিগগিরই জামিনের জন্য তিনি আদালতে হাজির হবেন। ব্যারিস্টার মওদুদ অভিযোগ করে বলেন, আমাদের নেত্রী দেশে ফিরবেন বলে দলের নেতাকর্মীরা তাকে শুভেচ্ছা জানাতে এসেছে। অথচ দেখেন, পুলিশ কতভাবে তাদেরকে বাধা দিচ্ছে। চেয়ারপারসনকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দর এলাকায় আসার সময় নেতাকর্মীদের বাধা দিয়েছে পুলিশ। নেতাকর্মীদের বিমানবন্দরে যাওয়া ঠেকাতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে উত্তরা-গাজিপুরমুখী গণপরিবহন। স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, সরকারের নানা প্রতিবন্ধকতার পরও ব্যাপক মানুষের উপস্থিতি প্রমাণ করে জনগণ দেশনেত্রীর আগমনে শুভেচ্ছা জানাতে প্রস্তুত। তিনিই দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী। এদিকে সন্ধ্যার সময় বিমানবন্দর সড়কে কিছু সময়ের জন্য বন্ধ ছিল সড়ক বাতি। এ সময় মোবাইল নেটওয়ার্কেরও সমস্যা হচ্ছিল। সড়ক বাতি না থাকায় নেতাকর্মীরা মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে এর প্রতিবাদ করেন। এদিকে বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে আসার পর খালেদা জিয়ার গাড়ির হাতল ধরে দুইপাশে মানবঢাল তৈরি করেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান আমানউল্লাহ আমান, কেন্দ্রীয় নেতা নাজিমউদ্দিন আলম, ফজলুল হক মিলনসহ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা। এদিকে দুপুর থেকেই ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ বিএনপির থানা ও ওয়ার্ড ইউনিট, অঙ্গসংগঠনের প্রতিটি ইউনিট, ঢাকা জেলাসহ রাজধানীর প্রতিবেশী গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নরসিংদীর নেতাকর্মীরা ব্যানার নিয়ে বিমানবন্দর থেকে বনানী পর্যন্ত মহাসড়কের একপাশে অবস্থান নেন। দলের সিনিয়র নেতা, সাবেক মন্ত্রী-এমপিরাও কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে রাস্তাতেই অবস্থান নেন। কাওলা রেল ক্রসিং থেকে রেডিসন হোটেল পর্যন্ত রাস্তার পাশে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে অবস্থান নিয়ে চেয়ারপারসনকে স্বাগত জানান- স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ ও শাম্মী আক্তার, নারায়ণগঞ্জ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী মনির, রাজশাহীর মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বরিশালের সাবেক এমপি জহিরউদ্দিন স্বপন, ভোলার সাবেক এমপি হাফিজ ইব্রাহিম, বিএনপি নেতা শাহজাহান সাজু, সিলেটের সাবেক এমপি দিলদার হোসেন সেলিমসহ বিএনপি ও অঙ্গদলের সিনিয়র নেতারা। এদিকে গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’য় পৌঁছালে ছোট ভাই শামীম এস্কান্দরের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা, দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য সাবিহ উদ্দিন আহমেদ, আবদুল কাইয়ুম, বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, কেন্দ্রীয় নেতা শামা ওবায়েদ ও জেবা খানসহ নেতৃবৃন্দ খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানান।
ওদিকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দেশে ফেরা উপলক্ষে বিমানবন্দরে যে জনস্রোত, এটাই প্রমাণ করে তিনি জনপ্রিয় নেত্রী। আজকে বিমানবন্দরের বাইরে লাখ লাখ মানুষ তাদের প্রিয় নেত্রীকে তাদের প্রাণের অন্তঃস্তল থেকে সংবর্ধনা জানিয়েছে। এই সংবর্ধনা নজিরবিহীন। বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের জনগণ দেশনেত্রীকে সংবর্ধনা জানিয়েছে। এই সংবর্ধনায় প্রমাণিত হয়েছে খালেদা জিয়া দেশের সবচাইতে জনপ্রিয় নেতা। আমরা সব সময় প্রত্যাশা করি দেশের মানুষ যেভাবে তাকে ভালোবাসেন, গণতন্ত্রের জন্য তিনি যেভাবে সংগ্রাম করছেন, সেই সংগ্রামকে আমরা যেন অব্যাহত রাখতে পারি। বিজয় অর্জন করতে পারি- এটাই আমাদের প্রত্যাশা। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা আশা করছি বৃহস্পতিবার চেয়ারপারসন ঢাকা আলিয়া মাদরাসা মাঠের বিশেষ আদালতে যাবেন।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Mahabbat hossion

২০১৭-১০-১৯ ০৮:৫৮:৩৭

এতো দেখি বাংলাদেশের সব জায়গাথেকে মানুষ এনেছে।আগে দল গোছান পরে ভোটের হিসাব কইরেন।নইতো আপনার পোষা আইনজিবীরা কে মিডিয়ার সামনে কথা বলবে এই নিয়ে যেমনে মারামারি করছে আজ।কাল হইতো ফকরুল আর রিজভী মারামারি করবে।

মনির হোসেন

২০১৭-১০-১৯ ০৫:৪২:৩৯

শত প্রতিকূল অবস্হার মধ্যেও জন মানুষের ঢল!

আশরাফুর রহমান

২০১৭-১০-১৮ ২১:০০:১৪

সরকার সকাল ১০টার পর গন পরিবহন বন্ধ করে দিয়ে খালেদা জিয়ার অভ্যথ'না পন্ড করতে চেয়েছিলো।

আদার ব্যাপারী

২০১৭-১০-১৮ ১৮:৫৭:১১

বাংলাদেশে যে ভয়াবহ বেকার লোকের সংখ্যা বেড়েছে এই ছবি ই তা প্রমাণ করে। এই লোক গুলি কোন অর্থনৈতিক কাজে জড়িত নয়। বেকার! বেকার, বেকার, বেকার,বেকার এক্টাই উদ্দেশ্য ভবিষ্যতে রাজনিতিক ফায়দা লোটা।

আপনার মতামত দিন

বিএনপিকে ভোট দিয়ে অশান্তি ফিরিয়ে আনবে না জনগণ: প্রধানমন্ত্রী

অভিযোগ মিথ্যা এতিমখানার টাকা আত্মসাৎ করিনি

আরো ব্লগার হত্যার হিটলিস্ট

আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে মামলা, অতঃপর...

ফের বেড়েছে বিদ্যুতের দাম

চাহিদা নেই, তবুও রাজউকের নতুন ফ্ল্যাট প্রকল্প

‘আনিসুল হককে নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা ভিত্তিহীন’

মৌলভীবাজারে গ্রাহকের কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা ভিডিএন চেয়ারম্যান ও এমডি

সিলেটে জামায়াতের ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’, জল্পনা

সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ

রোহিঙ্গা জাতি নিধনের তুমুল সমালোচনা যুক্তরাষ্ট্রের

‘আমি হতবাক’

ডাক্তাররা বেশ প্রভাবশালী ও তদবিরে পাকা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

যশোর জেলা স্পেশাল জজের বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ

রোহিঙ্গা শব্দ ব্যবহার না করতে বলা হলো পোপকে

অসুস্থ রাজনীতি বাংলাদেশকে গ্রাস করছে: ড. কামাল হোসেন