রোহিঙ্গা ত্রাণ ব্যবস্থাপনায় নামছে সেনাবাহিনী

প্রথম পাতা

দীন ইসলাম | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:২৩
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনায় নামছে সশস্ত্রবাহিনী। সহসাই কাজ শুরু করবে তারা। গত ১৪ই সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চ পর্যায়ের বিশেষ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এরই ভিত্তিতে সশস্ত্রবাহিনী এই সহায়তায় নামছে। এরই মধ্যে সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ নিজেদের প্রস্তুতি ও কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর মাধ্যমে কিভাবে এ ব্যবস্থাপনা করা হবে তা চিঠি দিয়ে সরকারকে জানিয়েছে। সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ, সেনা সদর, সেনাবাহিনী, নৌ ও বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে চার কর্মকর্তাকে সমন্বয়কারী অফিসার হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
ত্রাণ পরিবহনকালে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দেবে পুলিশ বাহিনী। এ বিষয়ে জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে পুলিশ সদর দপ্তরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সশস্ত্র বাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত কার্যক্রমের আওতায় চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ও চট্টগ্রাম নৌ-বন্দর এলাকায় ত্রাণ গ্রহণ ও বিতরণ কেন্দ্র খোলা হবে। এসব কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকবেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। এর মধ্যে সেনাবাহিনী চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ও চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরে আসা বৈদেশিক ত্রাণসামগ্রী গ্রহণ করবে। এরপর ত্রাণসামগ্রী শরণার্থীদের আশ্রয়স্থল কুতুপালং এলাকায় পরিবহন করে নিয়ে বেসামরিক প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করবে। পাশাপাশি কুতুপালং এলাকায় দুই হাজার একর জায়গায় ১৪ হাজার আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য প্রস্তুত থাকবে সেনাবাহিনী। এছাড়া, শরণার্থীদের নির্ধারিত আশ্রয়স্থলে স্থানান্তর করার আগ পর্যন্ত বিশ্বখাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) তত্ত্বাবধানে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে সেনাবাহিনী প্রস্তুত থাকবে। একই সঙ্গে ত্রাণ বিতরণের সুবিধার জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে সড়ক ব্যবস্থার সংস্কার ও নির্মাণে সহযোগিতা করবে সেনাবাহিনী। এদিকে নৌবাহিনী বিভিন্ন দেশ বা সংস্থা কর্তৃক চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর এলাকায় ত্রাণসামগ্রী আসার পর পোর্ট ক্লিয়ারেন্স সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করবে। এছাড়া নৌবন্দর এলাকায় ত্রাণসামগ্রী রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ওয়্যার হাউসের ব্যবস্থা করবে তারা। একই সঙ্গে সেনাবাহিনীর অনুরোধ অনুযায়ী সহায়তা করবে নৌবাহিনী। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনায় বিমানবাহিনী চার ধরনের দায়িত্ব পালন করবে। তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে জানা গেছে, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দর এলাকায় বিভিন্ন দেশ বা সংস্থা থেকে আসা ত্রাণসামগ্রী নেয়ার জন্য বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে পোর্ট ক্লিয়ারেন্সের ব্যবস্থা করবে বিমান বাহিনী। এছাড়া, এ দুই বিমানবন্দরে আসা ত্রাণসামগ্রী রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ওয়্যার হাউসেরও ব্যবস্থা করবে তারা। বিমানবন্দর এলাকায় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে সেনাবাহিনীর কাছে ত্রাণসামগ্রী হস্তান্তর করবে তারা। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর অনুরোধে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে তারা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের সার্বিক কার্যক্রমের সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Md. Shahan Al-Imran

২০১৭-০৯-২১ ০৩:০৯:৩৯

AlhamduLillah

মোঃ রেজাউল করিম

২০১৭-০৯-২০ ২২:৫৭:১৮

Very good decision.

B. Rahman

২০১৭-০৯-২০ ১৯:১৪:০৭

Good and Appropriate decision.

আপনার মতামত দিন

‘অভিযোগ কাল্পনিক ও বানোয়াট’

মইনকে আশ্বস্ত করেছিলেন প্রণব

ব্লু হোয়েল গেম জায়েজ নয়

শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন চায় জেপি

রোহিঙ্গাদের দেখতে আসছেন জর্ডানের রানী

পেপ্যাল ‘জুম’ সার্ভিস বাংলাদেশে

হাওরে সরকারি প্রকল্পে লুটপাট হয়েছে

প্রার্থী নিয়ে নির্ভার আওয়ামী লীগ-বিএনপি

গণমাধ্যম-সশস্ত্র বাহিনীর সম্পর্ক নিয়ে সেমিনার

সিলেটে ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত, সেক্রেটারিসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

খালেদা জিয়ার পুরো জবানবন্দি

বরিশালে বিচারকের ভূমিকায় বেঞ্চ সহকারী, তোলপাড়

গাজীপুরে প্রাক্তন তিন সেনা সদস্যসহ ৪জন গ্রেপ্তার

খান আতা ইস্যুতে এফডিসিতে চলচ্চিত্র পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

আদালত অঙ্গনে খালেদার আইনজীবীদের হাতাহাতি

বন্যায় ৩০ শতাংশ ধান উৎপাদন কম হতে পারে