দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেয়া তিন ঘটনা

চলতে ফিরতে

কাজল ঘোষ, কলকাতা থেকে ফিরে | ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ৬:১২
তিনদফায় কলকাতা ভ্রমণের বেশকিছু স্মরণীয় ঘটনার ছবি আঁকা রয়েছে মনে। প্রথম কলকাতা বেড়ানো পুরোটাই এক নতুন দেশ আর নতুন শহরে প্রথম পা ফেলার অনুভূতি। যেখানেই গিয়েছি, খেয়েছি সবকিছু যেন এখনো ছবির মতো। দ্বিতীয় দফা ছিল একেবারে উড়ন্ত হাওয়ায় গা ভাসিয়ে দেয়া। যা পছন্দ খাও। হলে সিনেমা দেখা আর মন যা চাই তাই করা। কিন্তু তৃতীয় দফা একেবারে পুত্র শ্রয়ণকে মাথায় রেখে চিন্তা করা। তা ঢাকার বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে ফেরা পর্যন্ত। বেচারার প্রথম দেশের বাইরে যাওয়া। কাজেই কি হবে আর কি না হবে এমন দুশ্চিন্তা ছিল প্রতিক্ষণ। তার দু একটি অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছি। যাতায়াত করেছি রিজেন্টের  উড়োজাহাজে। এর ভেতরে প্রবেশ করলে যখন দরোজা বন্ধ হয়ে যায় তখন উড়োজাহাজ একটি বাতাস বন্দি ঘর। শ্রয়ণ কখনো এমন বন্দিদশায় পরেনি। কাজেই সে খুব অস্থির অস্থির করছে। তার জন্য পৃথক আসন থাকলেও সে সেখানে বসবে না। কখনো উঠছে কখনো নামছে। সামনের যাত্রীদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কিভাবে ওকে সামলানো যায় এ নিয়েই আমরা আছি ঝক্কিতে। এরইমধ্যে বিমানবালা এসে বলে গেল ওকে সিটবেল্ট বেঁধে দিতে। সেতো কোনোভাবেই তা মানবে না। রীতিমত চিৎকার। পরে একসময় আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম না ওকে কোলে জোর করে বসিয়ে রাখা ছাড়া বিকল্প নেই। কিন্তু তা কি হয়। বিমানবালাদের বারবার তাগাদা সিটবেল্ট বাঁধুন। অনেকটা নিয়মের বাইরে শ্রয়ণ থাকলো পুরোটা সময়। বাইরে আবহওয়া খারাপ থাকায় বিমানের ঝাঁকির জন্য দু একবার ছোটখাট আঘাত যে সে পায়নি তা নয়। এতো গেল যাওয়ার দিন। আর ফেরার দিন ঘটলো আরেক বিপত্তি। তা আমাদের নিয়মিত দুর্ভোগ যানজট।  যেদিন ফিরি সেদিন ছিল মঙ্গলবার। ঢাকার রাস্তাঘাট এমনিতেই একটু ফাঁকা থাকে। চ্যানেল আইয়ের একটি গাড়ি বিমানবন্দর থেকে আমাদের নিয়ে রওনা হয় পাঁচটার দিকে। আমরা সেদিন বাসায় পৌঁছেছিলাম রাত দশটায়। এদিকে শ্রয়ণের অবস্থা খুবই কাহিল। দুপুর সাড়ে তিনটের বিমান ধরতে আমাদের হোস্টেল থেকে ঠিক এগারোটায় রওনা হয়ে আসতে হয়েছে দমদমে। তার উপর শ্রয়ণের ঠিকমতো খাওয়া হয়নি। অগত্যা ঢাকার রাস্তার যানজট আমাদের আরো কাহিল করে ফেলেছে। কলকাতা ভ্রমণের যতরকম সুখ তা উবে গেছে ঢাকার রাজপথেই। চরম বিরক্তি নিয়ে গুলিস্তান এলাকায় আমি ছেলেকে নিয়ে নেমে হেঁটে বাসায় ফিরি সেদিন। পুষ্পিতা লাগেজ নিয়ে বাসায় অনেক পরে পৌঁছায়। মূল প্রসঙ্গে যেতেই এতগুলো বিষয়ের অবতারণা। এবারের ভ্রমণে তিনটি ঘটনা সত্যিই দাগ কাটার মতো। বলা যায় আমার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়েছে।
ঘটনা-১: ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনের সঙ্গে আমার যোগাযোগ বহুকালের। একেবারে কৈশোরের পুরোটাই কেটেছে মিশনের অনুষ্ঠানাদিতে অংশ নিয়ে। এখানকার পুজো আর বার্ষিক উৎসবে আমি সবসময় স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করেছি। তখন থেকেই বেলুড়ে স্বামীজীর গড়া মঠের কথা শুনেছি। আবার কলকাতার রামকৃষ্ণ মিশন কালচারাল ইনস্টিটিউটের কথাও শুনেছি। এবার যেহেতু শ্রয়ণ প্রথমবার দেশের বাইরে যাবে তাই কোথায় থাকব এমন ভাবনায় নানা বিকল্প চিন্তা করছিলাম। ঘুরে ফিরে গোলপার্কের মিশনের কথাই আমরা জোড় দিয়ে ভাবছিলাম। যারা আগে এখানে থেকেছে তাদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি এটি সত্যিই অন্যরকম প্রতিষ্ঠান। ১৯৩৪ সালে কলকাতার কলেজ স্ট্রিটের অ্যালবার্ট হলে এর সূচনা হয়। পরে ১৯৬১ সালে গোলপার্কে নিজস্ব ভবনে কাজ শুরু করে। ইনস্টিটিউটের রয়েছে খোলা জায়গা। আছে অনেক বড় ফুল বাগান। তাছাড়া নিরিবিলি পরিবেশ। রয়েছে অসাধারণ একটি পাঠাগার, জাদুঘর। এখানে নানা দেশের ভাষা শেখার ব্যবস্থা আছে। রয়েছে বেদান্তনিয়ে উচ্চতর পড়াশোনার ব্যবস্থা। একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ প্রতিষ্ঠান। নিরাপত্তার কোনো সমস্যা নেই। আর সেই ইচ্ছার আগুনে ঘি ঢেলে দিল যশোর রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী জ্ঞানপ্রকাশানন্দ মহারাজ। যিনি মিন্টু মহারাজ বলে সবার কাছে খুব পরিচিত। তিনি শোনামাত্রই ফোনে কথা বললেন কলকাতায় তপন মহারাজের সঙ্গে। বললেন, সব ঠিকঠাক। আপনারা চলে যান কিচ্ছু ভাবতে হবে না। যাওয়ার পর যা ভেবে গিয়েছি তার চেয়ে অনেক বেশি কিছু পেয়েছি। ঠিক পঞ্চমদিন শ্রয়ণের গা খানিকটা গরম। আর দুদিন পর আমাদের ফেরা। কি করা যায়? মহারাজকে জানাতেই তিনি বললেন, আমি রুমে ডাক্তারি পড়াশোনা করছে একটি ছেলেকে নিয়ে আসছি। তিনি পাঁচ মিনিটের মধ্যেই হাজির। সব দেখে তরুণ ভদ্রলোক পরামর্শ দিলেন রাতে জ্বর বাড়ার ঝুঁকি থাকে। ভালো হয় যদি আপনারা কোনো একজন শিশু চিকিৎসক দেখিয়ে নিন। দিনটি ছিল রোববার। কলকাতায় বন্ধ দিবস। কাজেই বেশিরভাগ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ বন্ধ। দু চারটে থাকলেও শিশু চিকিৎসক নেই। মহারাজ সবকিছু চিন্তা করে জানালেন, আপনারা ছেলেকে তৈরি করে অফিস রুমে আসুন। দেখছি কি করা যায়? আমরা নিচে নামতেই দেখি মহারাজ ফোনে কথা বলছেন নিকটস্থ আমরি হাসপাতালে। গোলপার্কের কাছাকাছি যে শাখা আছে সেখানে কোনো চিকিৎসক নেই। আমাদের যেতে হবে বাইপাস রোডে মুকুন্দপুর আমরি হাসপাতালের শাখায়। তিনি সেখানেও ফোনে আমাদের কথা জানিয়ে রাখলেন। তা বলেই যে ক্ষান্ত হলেন তা নয়। আমাদের কাছে রুপি আছে কিনা জানতে চাইলেন। নিজেই ফোনে ট্যাক্সি ডেকে দরোজায় এসে গাড়িতে তুলে দিলেন। আর গাড়ির চালককে বুঝিয়ে দিলেন, আমরা বাংলাদেশ থেকে এসেছি। কোনো উল্টো পথে যেন না নিয়ে যায়। আমরি পৌঁছে আমরা বুঝে গিয়েছি রামকৃষ্ণ মিশন কালচারাল ইনস্টিটিউট থেকে এখানে ফোনে সবকিছু বলা আছে। আমরা তাদের নিয়ম মেনে চিকিৎসক দেখিয়ে রুমে ফিরতেই ফের মহারাজের ফোন, কি অবস্থা? সব ঠিক আছে তো? এরপরের দু দিন একাধিকবার তিনি খোঁজ নিয়েছেন। জানতে চেয়েছেন কোনোকিছুর প্রয়োজন আছে কি না? হাসপাতাল থেকে ফেরার পর থেকে দেশে আসা অবধি এখনো মনে হয়েছে এ যেন মায়ের আশ্রয়ে ছিলাম। বোধকরি অনেকসময় নিজ পরিবারেও এতটা ব্যাকুলতা থাকে না।
ঘটনা-২: এরপরের ঘটনাটি আমার কাছে আরো বেশি বিস্ময়কর। আমরা ফিরে এসেছি পয়লা আগস্ট। ঠিক তারপর দিন দুপুরে কলকাতার গোলপার্ক রামকৃষ্ণ মিশন থেকে ফোন। তপন মহারাজ কথা বলবেন? নমস্কার মহারাজ বলতেই, তিনি জানতে চাইলেন আমরা ঠিকমতো পৌঁছেছি কিনা? সব শুনে তিনি আমার মিসেসের সঙ্গে কথা বলতে চাইলেন। আমি বাইরে বলায় তিনি বললেন, তাহলে আপনাকেই বলি। সম্ভবত ভুল করে আপনাদের একজোড়া স্বর্ণের বালা হোটেল রুমে ফেলে গেছেন। আমি আকাশ থেকে পরলাম। আমার নিজের আসলে এ বিষয়ে জানা ছিল না। আর শেষবারের মতো রুম আমিই ভালো করে পরীক্ষা করে দেখছি। কোনোকিছু ফেলে এসেছি বলে মনে পরে না। এমন ভাবনার মধ্যেই মহারাজ এই বলে শেষ করলেন, বালা জোড়া আমাদের অফিস রুমে রাখা আছে। আপনারা যদি কখনো আসেন তাহলে নিয়ে নেবেন। আর তা না হলে কলকাতার কাউকে পাঠিয়ে দিলেও আমরা দিয়ে দিব। আমি তখন ভাবছি এই রুমতো মহারাজ পরিষ্কার করেন নি। করেছে একজন ক্লিনার বা রুম বয়। সে যদি এটা নিয়ে যেত তাহলে কে জানত? পরে জেনেছি সুপারভাইজার পবিত্র পানিগ্রাহী রুম পরিষ্কার করতে গিয়ে তা পেয়ে অফিসে জমা করেন। হয়তো তাদের সেই কর্মনিষ্ঠা ও সততার শিক্ষা রয়েছে। যা রামকৃষ্ণ মিশন বলেই সম্ভব হয়েছে। মহারাজের ফোন রাখতেই বাসা থেকে ফোনে জানতে চাইল আমি কোনো বালা দেখেছি কিনা? বললাম, মহারাজ জানিয়েছেন, এটি তাদের অফিস রুমে রাখা আছে। আসলে শ্রয়ণ খেলতে গিয়ে বালা বিছানার নিচে রেখে দিয়েছিল তা আমাদের খেয়াল নেই। রামকৃষ্ণ মিশনকে ফোনে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছি। আর এখনো আমাদের এ নিয়ে বিস্ময়ের ঘোর কাটছে না। শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস, শ্রী মা সারদা দেবী ও শ্রী স্বামী বিবেকানন্দ প্রতিষ্ঠিত রামকৃষ্ণ মিশন আমার দৃষ্টিভঙ্গির পালে নতুন করে ধাক্কা দিল। সততা, নীতি, আদর্শ এসব কিছু যে এখনো শেষ হয়ে যায়নি তার দেখা পেলাম এবারের কলকাতা সফরে।
ঘটনা-৩: কলকাতা নিয়ে একটি কথা খুবই প্রচলিত। দাদা খেয়ে এসেছেন, না কি যেয়ে খাবেন। যারাই ঘটি তারা এই ধরনের সংস্কৃতি লালন করে। অনেকের ধারণা, কলকাতার লোকজন খুবই কিপ্টে। যদিও আমার ঠিক ততটা মনে হয়নি। তবে আমাদের মতো ভোজন বিলাসি কিনা তা নিয়ে আলোচনা থাকতেই পারে। প্রথমবার কলকাতা ভ্রমণে গিয়ে এক বাসায় নিমন্ত্রণে গিয়েছিলাম। তিনি আনন্দ পুরস্কারপ্রাপ্ত এক লেখিকা। আড্ডার এক ফাঁকে সেই লেখিকার স্বামী বলছিলেন, তোমরা আসবে বলে দু কিলো মাটন কিনে রেখেছি। কথাটা আমার কানে লেগেছে কিছুটা। কিন্তু খাবার টেবিলে কোনো কমতি ছিল তা মনে পরে না। ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসের বন্ধুদের আমন্ত্রণে যে কবার গিয়েছি তাতেও খাওয়ার কোনো কমতি চোখে পরেনি। তবে যে কথাটি বলা হয় তার যৌক্তিকতা কি জানি না। একবার মিষ্টি কিনতে গিয়ে হোঁচট খেয়েছি। যাব বেহালায় পুষ্পিতার মাসির বাসায়। মানে আমার মাসি শাশুড়ী। প্রথমবার যাচ্ছি কাজেই একটু মিষ্টি নিয়ে যাই। আমি গৌড়ের মিষ্টির দোকানে গিয়ে দু কেজি মিষ্টি চাইতেই ওনি চোখ বড় করে আমার দিকে তাকালেন। দাদা বলেন কি? দু কেজি মিষ্টি একবারে দেয়ার প্যাকেটতো নেই। আমি বললাম তাহলে এক কেজি করে দু প্যাকেটে দিন। না তাও হবে না। পরে পাঁচশো গ্রামের প্যাকেটে আলাদা করে নিতে হয়েছিল। কিন্তু আমাদের এখানেতো ভোজন রসিক বাঙালি রসগোল্লা পেলে একবারেই দু-তিন কেজি সাবার করে দেয় এমন পাগলও আছে। তবে এখন কলকাতাও অনেক বদলেছে। পুরো শহরজুড়েই নানান পদের বাহারি খাবার দোকান হয়েছে। ম্যাকডোনাল্ড, পিৎজা হাট থেকে শুরু করে পৃথিবীখ্যাত সবরকম ব্র্যান্ডের খাবারের দোকান কলকাতায় হয়েছে। গড়িয়াহাট পার হয়ে নিউমার্কেটের দিকে যেতে হলদিরামের চার/পাঁচতলা একটি রেস্টুরেন্ট চোখে পড়েছে। যেখানে দলে দলে লোক খেতে ঢুকছে। আর এবারতো ভিড়ের কারণে কফি হাউজে ঢুকতেই পারিনি। তবে আমার ভাবনায় এবার জল ঢেলেছে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানের দুটো মূল আয়োজনে অংশ নিয়ে। এবারের কলকাতা সফরের অন্যতম বিষয় ছিল আমার শ্যালিকা শাশ্বতীর বিয়েতে অংশ নেয়া। শাশ্বতী আর জয়ন্তর নতুন জীবনে শুভকামনা জানাতে আমরা গিয়েছি বেহালার মেন্টনে। অবাক হয়েছি, কনেপক্ষের বিয়ের ধর্মীয় আচারের বাইরে অন্য কোনো বিষয়ে ব্যস্ততা নেই। খাবার থেকে শুরু করে জুসবার আর কফিশপ সবই দেয়া আছে চুক্তিতে এক কোম্পানিকে। আপনি মূল খাবার টেবিলে যাওয়ার পরপরই আপনার হাতে একটি খাবারের প্লেটসহ মেন্যু ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে। সেখানে সবরকম খাদ্য তালিকা উল্লেখ আছে। আপনি মাসালা কুলচা খাবেন, নাকি ছানা মাসালা খাবেন, চিকেন তন্দুরি, ভেজিটেবল সাশলিক, স্টিম ভেটকি পাতুরি, পনির পাতুরি, ভেজিটেবল কোফতা, মাটন কষা আর এর সঙ্গে স্টিম বাসমতি রাইস না দেরাদুন পোলাও নেবেন সবই আপনার অপেক্ষায়। এর বাইরে মিষ্টি বা ঝালের জন্য রয়েছে পৃথক কাউন্টার। একই দৃশ্য দেখেছি বরপক্ষের বউভাত অনুষ্ঠানেও। সেখানেও অতিথিদের প্রবেশমুখেই দেয়া আছে খাদ্য তালিকা। ডায়মন্ড ফিশ ফ্রাই, চিকেন ড্রাম স্টিক কারি, মাটন বিরিয়ানি, ছানা মাসালা, স্টাফড পটেটো। আর দুই জায়গাতেই দেখেছি ভেজ নন ভেজ দুটি কর্নার। সামাজিক অনুষ্ঠানে চোখে পরেনি কোনো কথা কাটাকাটি। নীরব আবহ সংগীতের তালে তালে চলছে পারিবারিক নানা বন্ধনের খুনশুটি। আমাদের এই শহরে নিজেও অনেক অনুষ্ঠান আয়োজনে যুক্ত থাকলেও এমনটা ঠিক এখনো সবখানে চোখে পরে না। এই আপসোসটা থেকে যাবে কিছুকাল। আপাতত এ স্মৃতি নিয়েই এবারের কলকাতা সফরের ধারাবাহিক লেখার ইতি টানছি।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Mac

২০১৭-০৯-২৫ ০১:৪২:৩৪

Dadarato onek valo hoye gese, khub je change mone hochse.....

বিশ্বনাথ

২০১৭-০৯-০১ ১০:২৭:২৮

এত প্রশংসা ভাল না

আপনার মতামত দিন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ত্রাণ বিতরণ এক সপ্তাহ স্থগিত

বাকেরগঞ্জে সাবেক এমপি মাসুদ রেজার ভাই গুলিবিদ্ধ

বিরাট-আনুশকার বিয়ে সম্পন্ন

কংগ্রেসের নতুন প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধী

কলকাতায় ডিয়াগো ম্যারাডোনা, খেলবেন ফুটবল

আওয়ামী লীগকে হারানোর মতো দল নেই: জয়

কুমিল্লাকে হারিয়ে রংপুর ফাইনালে

স্বর্ণের দাম কমেছে

‘আওয়ামী লীগ নেতার নির্দেশে ছাত্রলীগ নেতাকে গুলি করি’

১৫টি পদের ১৪টিতেই আওয়ামীপন্থীদের জয়

ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে আন্দোলনে প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন

নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাবিধির গেজেট প্রকাশ

রাজধানীতে গলাকাটা লাশ উদ্ধার

অতিরিক্ত সচিব হলেন ১২৮ জন

ভুয়া ডাক্তারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

এবি ব্যাংক চেয়ারম্যানসহ ৪ জনকে দুদকে তলব