আমাদের সাধের সংবিধানেরও অনেক কিছু চলে গেল

বই থেকে নেয়া

| ১৫ আগস্ট ২০১৭, মঙ্গলবার
যে-মহানগরে চোখ মেলেছিলাম, তার রূপরসশব্দবর্ণগন্ধস্পর্শ ভালো করে উপভোগ করার আগেই সেখানে এক-এক করে ভিড় করে নানা অভিঘাত : মন্বন্তর, জাপানি বোমা, লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান, সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলন, হিন্দু-মুসলমান ভাই ভাই এবং তা ছাপিয়ে বড়রকম সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, দেশভাগ। স্থানান্তর ঘটে নিজেদের- একবার নয়, দুবার।
নতুন রাজধানী শহরে অভ্যস্ত নাগরিক-সুবিধের অনেক কিছু মেলে না, কিন্তু অন্য এক জগৎ উন্মোচিত হয়। পাড়ার এক পারিবারিক গ্রন্থাগারের সুবাদে বাংলা সাহিত্যের প্রধান লেখকদের সঙ্গে নিবিড় পরিচয় ঘটে। রবীন্দ্রনাথের কবিতা আবৃত্তি করতে করতে আমাকে নিয়ে পথ চলেন কোনো অগ্রজপ্রতিম প্রতিবেশী। বেড়ার ঘরের চা-খানায় নিবিষ্টমনে আলোচনা শুনি সাহিত্যের, ইতিহাসের। অগ্রজপ্রতিম এক শিল্পশিক্ষার্থী পরিচয় করিয়ে দেন তাঁর লেখক-শিল্পী বন্ধুদের সঙ্গে। গড়ে ওঠে সাহিত্য-সংগঠন, তাতে যোগ দিই। সেখানে শুধু নিজেদের লেখাপড়া হয় এবং তার সমালোচনা হয়, তাই নয়, ঘটা করে আলোচনা হয় রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, সুকান্ত, ম্যাক্সিম গোর্কি নিয়ে। এঁদের বেশির ভাগের বিশ্বাস, সংস্কৃতিকে করেত তুলতে হবে সমাজপরিবর্তনের হাতিয়ার। বাড়ির কাছে খুঁজে পাই অসাম্প্রদায়িক অরাজনৈতিক যুবসংগঠন। কলেজের নবীন পড়–য়া আমি, ভিড়ে যাই সেখানে। আর ঠিক তক্ষুনি রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের প্রবল ঢেউ ভাসিয়ে নিয়ে যায় আমাদের। সেই কিশোর বয়সে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন : কি ও কেন? নামে একটি পুস্তিকা লিখেছিলাম, সেটা প্রকাশিত হয়েছিল যুবলীগ থেকে। ভাবতে ভালো লাগে যে, সেটাই ছিল রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের পক্ষে ১৯৫২ সালে বের হওয়া প্রথম পুস্তিকা।
ভাষা-আন্দোলন আমাদের জীবনের মর্মমূলে এমন আঘাত হানে যে, আমরা অন্য মানুষ হয়ে যাই। এ-আন্দোলনে মেয়েদের অংশগ্রহণ সমাজের স্থির চিত্রটাকে চঞ্চল করে দেয়। দেশ, ভাষা আর নিজের অস্তিত্ব একাকার হয়ে যায়। সে-আন্দোলনের অনুরণন কখনো থামে না, তা বাসা বাঁধে আমাদের চৈতন্যের গভীরে, তাকে ঘিরে নতুন সাহিত্য-শিল্প-সংগীত সৃষ্টি হয়। জাগরণের নতুন বেদনা, জীবনের নতুন উল্লাস ছড়িয়ে পড়ে দেশের এ-প্রান্ত থেকে ও-প্রান্তে। নতুন ছাত্রসংগঠন, নতুন রাজনৈতিক দল আমাদের আন্দোলিত করে। ভাষা-আন্দোলনের পরে সংশ্লিষ্টতা ঘটে বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে। সে-যোগাযোগ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি, কিন্তু তা আমার দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে খুব সহায়ক হয়েছিল।
দেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ লাভ ঘটে। সহশিক্ষার সঙ্গে সেই প্রথম পরিচয়, কিন্তু কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া মেয়েদের সঙ্গে কথা বলা বারণ। ধীরে ধীরে তার ব্যতিক্রমই নিয়ম হয়ে দাঁড়ায়। সহ-অভিনয়েরও অনুমতি পাওয়া যায়। শিক্ষকেরা সবাই ব্যক্তিগতভাবে যতœ নেন আমাদের, খোঁজ দেন অজানা সব বইয়ের, পাঠ্যতালিকার বাইরেও মনটা চারিয়ে দিতে চান। বিশ্ববিদ্যালয়-গ্রন্থাগার খুলে দেয় এক নতুন জগৎ। পুরোনো পত্রিকার জীর্ণ পাতা, সদ্য সংগৃহীত বইয়ের কাগজ-কালির স্পর্শগন্ধ, তার বাণী শুধু জানায় না, জাগায় আমাদের। এমনকি, চায়ের শ্রীহীন দোকানটাও একটা জীবন্ত সত্তা নিয়ে আমাদের ডাকে। সেখানে বসে হরেক রকম কথা, তর্ক, কলহ, মৈত্রী। জীবনটা আরও বেশি ভালোবাসবার যোগ্য মনে হয়।
সেই যে স্কুলে থাকতে ছোটগল্প লেখা শুরু করেছিলাম, হাতে লেখা কাগজ থেকে প্রবেশাধিকার ঘটেবিল দৈনিক কাগজের সাহিত্য-পাতায় এবং মাসিকপত্রে। এখন গল্পকে বিদায় দিয়ে প্রবন্ধ লিখতে মন গেল। বিভাগীয় প্রধান বললেন, পাশ করে গবেষণা কোরো। পরীক্ষার পাট শেষ করে ঝুঁকলাম সেদিকেই। সদ্য প্রতিষ্ঠিত বাংলা একাডেমি থেকে একটা বৃত্তি পাওয়া গেল। হঠাৎ শিক্ষক বললেন, বিভাগে শিক্ষকের অভাব, তুমি যোগ দাও। তথাস্তু। প্রথম যেদিন বক্তৃতা দিতে যাই ক্লাসে, বেশ স্বচ্ছন্দই ছিলাম। যেই না ছাত্রছাত্রীরা খাতা খুলে নোট নিতে আরম্ভ করেছে, আমার আত্মারাম খাঁচাছাড়া। মনে হলো, যদি ভুল কিছু বলে ফেলি, তাহলে কালির অক্ষরে খাতার পাতায় তা অক্ষয় হয়ে থাকবে। আরেক দিন এমএ প্রাথমিকের টিউটোরিয়াল নিয়ে বেরিয়ে আসছি, পেছন থেকে নারীকণ্ঠে ‘সার’ বলে ডাক শুনলাম। করিডোরে দাঁড়িয়ে পড়লাম। ভদ্রমহিলা আমাকে ধরে ফেলে বললেন, ‘সার, আপনি আমার ছেলের বয়সী।’
এর মধ্যে দেশে সামরিক শাসন জারি হয়ে গেছে। আমাদের মূল্যবোধ, আমাদের আদর্শ, ভারি ধাক্কা খেলো। চেষ্টা করলাম ক্ষমতার বলয় থেকে দূরে থাকার। শাসকের আত্মজীবনীর বঙ্গানুবাদের নির্ঘণ্ট তৈরি করার আমন্ত্রণ এলÑভালো টাকা পাওয়া যাবে। তাঁর বিপ্লবের দশ বছরপূর্তি উপলক্ষে বেতারে কথিকা পড়ার এবং টেলিভিশনে আলোচনায় অংশ নেওয়ার অনুরোধ এল। কোনোমতে আত্মরক্ষা করলাম। তবে আমার অভিসন্দর্ভটি সরকার-পৃষ্ঠপোষিত লেখক সংঘ থেকে প্রকাশিত হয়। তার জন্য তাদের সাহিত্য-পুরস্কারও পাওয়া যায়। তাকে যদি কেউ সরকারি অনুগ্রহ পাওয়া বলেন, তার জবাব থাকবে না আমার কাছে।
মার্কিন বৃত্তি নিয়ে শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে কাটিয়ে এলাম এক শিক্ষাবর্ষ। পরীক্ষার ঝামেলা নেই- নিজের মতো পড়ি, দু-একটা বক্তৃতা দিই, দু-একটা সম্মেলনে যাই, কিছু অনুবাদ করি- দিন ভালোই কাটে। তখন যাঁরা সেখানে ছিলেন- ছাত্র কিংবা শিক্ষক- তাঁদের মধ্যে যাঁরা বেঁচে আছেন, তাঁরা যে এখনো আমাকে স্মরণ করেন, এ আমার সৌভাগ্য।
দশ বছর ঢাকায় পড়িয়ে চলে গেলাম চট্টগ্রামে, নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে। দেশ তখন অগ্নিগর্ভ। একটা গণ-অভ্যুত্থান হয়ে গেছে, আরেকটা হতে প্রস্তুত। আমাদেরও তা কি স্পর্শ না করে পারে! সাধারণ নির্বাচনের পরে যখন অসহযোগ আন্দোলনের ডাক এল, আমরাও যথাসাধ্য করলাম। গণহত্যা শুরু হলে প্রতিরোধ যখন দেখা দিল, আমরাও চেষ্টা করলাম তাতে শামিল হতে। সে-প্রচেষ্টার ব্যর্থতার পর মাসখানেক দেশের মধ্যে জায়গা বদলে থেকেস পরিবারে সীমান্ত পার হয়ে গেলাম। আমার কাজ হলো, সকল ধরনের শরণার্থী শিক্ষকদের নিয়ে সমিতি গড়া এবং তাঁদের জরুরি প্রয়োজনে অর্থ সাহায্যের ব্যবস্থা করা; ভারতের শিক্ষক সম্প্রদায়ের কাছে মুক্তিযুদ্ধের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করা; ভারত সরকারের উচ্চপর্যায়ে আমাদের কিছু দাবি-দাওয়া তুলে ধরা। বাংলাদেশ সরকার পরিকল্পনা কমিশন গঠন করলে সদস্য হিসেবে তাতে যোগদান করি; আর প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ লিখতে সহায়তা করি।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে যোগ দিতে গেলাম প্যারিসে ওরিয়েন্টালিস্ট কংগ্রেসের দু শ বছরপূর্তি অনুষ্ঠানে। আয়োজকদের একজন বন্ধুপ্রীতিবশত আমাকে বানিয়ে দিলেন এক অধিবেশনের সভাপতি। আমার মতো অল্প বিদ্যা নিয়ে আর-কেউ বোধহয় অমন সম্মানের আসনে বসেনি। সম্মেলনের বাইরে আলাপ হলো এক মিশরীয় সমাজতাত্ত্বিকের সঙ্গে। পরের বছর মন্ট্রিয়লে এক সেমিনারে তিনি আমার যাওয়ার ব্যবস্থা করলেন। আরও পরে তিনি যখন জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা-প্রকল্প হাতে নিলেন, তার সঙ্গে যুক্ত করলেন আমাকে। এশিয়া, আরব বিশ্ব, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার নিজস্ব সংস্কৃতিতে সৃষ্টিশীলতা নিয়ে সেমিনার করতে গেলাম জাপানে, কুয়েতে, আলজেরিয়ায়, মেক্সিকোতে, ইংল্যান্ডে। একটা সেমিনারের রিপোর্ট সম্পাদনা করলাম প্যারিসে বসে। সেটা বের হলো যুগপৎ টোকিও ও লন্ডন থেকে।
স্বাধীন বাংলাদেশে আমার প্রধানতম দায়িত্ব ছিল সংবিধানের বাংলা ভাষ্য রচনার কাজে নেতৃত্ব দেওয়া। প্রথম শিক্ষা-কমিশনের কাজ করতেও ভালো লেগেছিল, তবে শেষ পর্যন্ত আমাদের সুপারিশ গৃহীত হয়নি। কমিশনের কাজ শেষ করে আমি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে গেলাম এক শিক্ষাবর্ষের জন্য। সেখানে ইন্ডিয়া অফিস লাইব্রেরিতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাজার দুই বাংলা চিঠি পেয়ে গেলাম আঠারো শতকে লেখা। লাইব্রেরি-কর্তৃপক্ষের কথামতো তার একটা ক্ষুদ্র তালিকা (‘হ্যান্ডলিস্ট’) করে দিলাম। ফিরে আসতে না আসতে রক্তের স্রোতে দেশ ভেসে গেল, তাতে আমাদের সাধের সংবিধানেরও অনেক কিছু চলে গেল। পর পর দুবার সামরিক শাসন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়ন দূরে ঠেলে দিল। স্বৈরাচারী শাসকের কাছ থেকে অবশ্য রাষ্ট্রীয় সম্মান পেয়েছিলাম।
পরে ইন্ডিয়া অফিস লাইব্রেরির আমন্ত্রণে লন্ডনে যাই আরও দুবার- ওই চিঠিপত্রের পূর্ণাঙ্গ পরিচয় আর প্রত্যেক চিঠির ইংরেজি সারমর্ম করে দিতে। বইটা পরে তাঁরাই বের করেছিলেন।
ষোলো বছর পর ফিরে এলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। যখন আমার বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পালা এল, তখন তা প্রত্যাখ্যান করেছিলাম কিছু পুরোনো অপ্রীতিকর ঘটনার কথা ভেবে। তাতে নির্ভার হতে পেরেছিলাম। বাইরের কাজ নিয়ে বেশি ব্যস্ত থাকলাম। তার মধ্যে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন একটা, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রতিরোধ একটা, রাষ্ট্রধর্ম-প্রবর্তনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা রুজু করা আরেকটা।
গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ফিরে এল। তার প্রথম ধাক্কায় যুদ্ধাপরাধীদের মধ্যে যিনি প্রধান, তাঁর প্রতীকী বিচারের আয়োজন হয়েছিল। তিনজন অভিযোগকারীর একজন আমি। কয়েকদিন পরে আমাদের চব্বিশ জনের নামে রাষ্ট্রদ্রোহের এবং আরও নানা অপরাধের মামলা হয়েছিল। আরও পরে তত্ত্বাবধায়ক সরকার সে-মামলা প্রত্যাহার করে নেয়। নতুন করে যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হয়, সাক্ষ্য দিয়েছি দুটি মামলায়। দুটিতেই অভিযুক্তের চরম দ- হয়েছে।
গণতান্ত্রিক সরকারের আমলে কিছু কিছু স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে অবৈতনিক কাজ করেছি, আবার মর্যাদায় আঘাত লাগলে তা ছেড়েও দিয়েছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমার প্রতি সদয় হয়ে অবসরগ্রহণের পরেও আমাকে রেখে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কেন্দ্রের সঙ্গেও যুক্ত আছি।
বই অনেকগুলো লিখেছি। অভিসন্দর্ভে বলেছিলাম মূলত উনিশ শতকের মুসলমান লেখকদের মানসগঠনের কথা। পরে একটি বইতে বাঙালি পরিচয়ের পুনঃপ্রতিষ্ঠার কথা বলেছি। একটি বইতে বলার চেষ্টা করেছি, যেখান থেকে বাংলা গদ্যের ইতিহাস শুরু করা হয়, তার অনেক আগে থেকে সে-ইতিহাসের শুরু। আরও নানা বিষয়ে লিখেছি। কারও ভালো লেগেছে, কারও লাগেনি। কিছু বই সম্পাদনা করেছি।
জীবনে কিছু তিরস্কার ও অনেক পুরস্কার পেয়েছি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র-ভারতী, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতার এশিয়াটিক সোসাইটি সম্মাননা জানিয়েছে, প্যারিস ও নর্থ ক্যারোলাইনা স্টেট ইউনিভার্সিটি এবং বিশ্বভারতী অতিথি করে নিয়ে গেছে। দেশেও গেঁয়ো যোগী কিছু সম্মান পেয়েছে। ভারত সরকার সম্মান দিয়েছে। বলতেই হবে, ভালোবাসার পাল্লাটাই ভারি। এর চেয়ে অধিক কী চাইবার আছে? ব্যক্তিগত জীবনেও কিছু দুঃখ আছে, আনন্দের ভাগই বেশি। সহজেই তাই বলতে পারি, কোনো খেদ নেই।
  •  আনিসুজ্জামান : লেখক, গবেষক ও ভাবুক; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক। জন্ম ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৭, কলকাতা। বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং একুশে ও স্বাধীনতা পদকে ভূষিত।
 * সূত্র মতিউর রহমান সম্পাদিত ‘সফলদের স্বপ্নগাথা: বাংলাদেশের নায়কেরা’

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ত্রাণ বিতরণ এক সপ্তাহ স্থগিত

বাকেরগঞ্জে সাবেক এমপি মাসুদ রেজার ভাই গুলিবিদ্ধ

বিরাট-আনুশকার বিয়ে সম্পন্ন

কংগ্রেসের নতুন প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধী

কলকাতায় ডিয়াগো ম্যারাডোনা, খেলবেন ফুটবল

আওয়ামী লীগকে হারানোর মতো দল নেই: জয়

কুমিল্লাকে হারিয়ে রংপুর ফাইনালে

স্বর্ণের দাম কমেছে

‘আওয়ামী লীগ নেতার নির্দেশে ছাত্রলীগ নেতাকে গুলি করি’

১৫টি পদের ১৪টিতেই আওয়ামীপন্থীদের জয়

ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে আন্দোলনে প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন

নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাবিধির গেজেট প্রকাশ

রাজধানীতে গলাকাটা লাশ উদ্ধার

অতিরিক্ত সচিব হলেন ১২৮ জন

ভুয়া ডাক্তারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

এবি ব্যাংক চেয়ারম্যানসহ ৪ জনকে দুদকে তলব