নি র্বা চ নী হা ল চা ল

আলোচনায় নতুন মুখ পুরনো ইস্যু

প্রথম পাতা

উৎপল রায় | ১৮ জুলাই ২০১৭, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:৫৮
ভোটের হাওয়া বইছে ঢাকা-৭ নির্বাচনী আসনে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা জনসমক্ষে আসার নানা কর্মসূচি নিয়ে কাজ করছেন। নির্বাচন সামনে রেখে আলোচনায় এসেছেন একাধিক নতুন মুখ। প্রার্থী হিসেবে নতুন মুখ আলোচনায় এলেও যানজট, জলাবদ্ধতার মতো পুরনো ইস্যুই সামনের নির্বাচনে প্রধান বিবেচ্য হিসেবে আসবে প্রার্থী ও ভোটারদের সামনে। এ নির্বাচনী এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, জনবহুল এ এলাকার সড়ক, ড্রেনেজ ব্যবস্থার তেমন কোনো উন্নতি হয়নি। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তা ডুবে যায়। সরু ও অপরিকল্পিত সড়কে যানজট লেগে থাকে দিনের পুরো সময়। এসব সমস্যা সমাধানে দৃশ্যত বড় কোন পরিবর্তন আসেনি। এজন্য সামনে এই ইস্যু নিয়ে প্রার্থীদের যেতে হবে ভোটারদের কাছে।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ১৩টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ঢাকা-৭ নির্বাচনী আসন। পুরনো ঢাকার লালবাগ-চকবাজার-বংশাল থানা এলাকার এই ওয়ার্ডগুলোতে নির্বাচনী আমেজ এখনো পুরোপুরি শুরু হয়নি। তবে, নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে হিসাব কষা শুরু করেছেন রাজনৈতিক দলগুলোর সম্ভাব্য প্রার্থী, স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটাররা। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুরনো ঢাকার এই নির্বাচনী (ঢাকা-৭) এলাকা বরাবরই ছিল আলোচনায়। ঢাকা-৭ নির্বাচনী এলাকা সরজমিনে ঘুরে ভোটার, এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা বিভিন্ন উপলক্ষ ও দিবসকে কেন্দ্র করে শুভেচ্ছা বিনিময়, পোস্টার, ব্যানার ফেস্টুনের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান ও প্রার্থিতার বিষয়টি জানান দিচ্ছেন। একই সঙ্গে প্রস্তুতি নিচ্ছেন একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার।
২০০১ সালের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ (আসন পুনর্বিন্যাসের পর বর্তমানে ঢাকা-৭) আসনে আওয়ামী লীগ নেতা হাজি মো. সেলিমকে পরাজিত করেন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি প্রয়াত নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টু। একই আসনে এর আগের নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন (১৯৯৬ সালে) হাজী সেলিম। ২০০৮ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে এই আসনের এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন ছাত্রলীগের সাবেক শীর্ষ নেতা ও চিকিৎসকদের সংগঠন বিএমএ’র (বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন। বিগত ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে কয়টি নির্বাচনী এলাকায় সরাসরি নির্বাচন হয়েছিল তার মধ্যে এটিও একটি (ঢাকা-৭)। তবে নির্বাচনী লড়াইটি হয় আওয়ামী লীগের মধ্যেই। ওই নির্বাচনে এই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন দলটির অভিক্ত ঢাকা মহানগর কমিটির যুগ্ম সম্পাদক হাজী মো. সেলিম এবং মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন। তবে, দলের হাইকমান্ড মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিনকে মনোনয়ন দেয়। মনোনয়ন না পাওয়ায় বিদ্রোহী হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন হাজী সেলিম। এলাকায় নিজের প্রভাব, ভোট ব্যাংক ও জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনে উৎরে যান হাজী সেলিম। পরাজিত করেন তারই দলের প্রার্থী মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিনকে। নির্বাচনে হাজী সেলিম পান ৪২ হাজার ৭২৮ ভোট। মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন পান ৩০ হাজার ৭৩৩ ভোট।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ হাজী সেলিম রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে অনেকটা দূরে। অসুস্থতার কারণে প্রকাশ্যে সমাবেশে আর তাকে দেখা যাচ্ছে না। তার রাজনৈতিক অনুসারীরা বলছেন, অসুস্থ হাজী সেলিমের পক্ষে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সম্ভাবনা একেবারেই নেই। সেক্ষেত্রে এই আসনে দলের মনোনয়নের জন্য প্রধান দাবিদার মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন। কারণ, এখন পর্যন্ত তাকে চ্যালেঞ্জ করার মতো আওয়ামী লীগের উল্লেখযোগ্য প্রার্থী নেই। তবে, বিষয়টি সহজ হবে না বলে মনে করেন হাজী সেলিমের রাজনৈতিক অনুসারীরা। তারা বলছেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় হাজী সেলিম তার ছেলে ব্যবসায়ী সোলায়মান সেলিমকে তার উত্তরসূরি হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নামাচ্ছেন। আর যদি তাই হয়, তাহলে মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিনের মনোনয়নের ক্ষেত্রে বাধা হতে পারেন সোলায়মান সেলিম। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ছেলের ব্যাপারে দলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে যোগাযোগ রাখছেন হাজী সেলিম। তার রাজনৈতিক অনুসারী হিসেবে পরিচিত ঢাকা-৭ নির্বাচনী এলাকার ৩৬ নম্বর (দক্ষিণ) ওয়ার্ড কমিশনার রঞ্জন কুমার বিশ্বাস মানবজমিনকে বলেন, অসুস্থ অবস্থায় হাজী সেলিমের নির্বাচন করার প্রশ্নই ওঠে না। তবে, ছেলে সোলায়মান সেলিমকে নির্বাচনী মাঠে নামাতে পারেন তিনি। ইতিমধ্যে দলের কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তাকে (সোলায়মান সেলিম) পরিচয়ও করিয়ে দেয়া হয়েছে। আমরাও তাকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর চেষ্টায় আছি। তিনি বলেন, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন এমপি থাকাকালে এলাকায় তেমন কোনো উন্নয়ন করেননি। এলাকায় তিনি জনপ্রিয়ও নন। যে কারণে আমরা হাজী সেলিমের ছেলের পক্ষে মনোনয়ন চাইব। জানতে চাইলে মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন মানবজমিনকে বলেন, নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা এগিয়ে যাচ্ছে। দেখা যাক দল থেকে কাকে মনোনয়ন দেয়া হয়। তবে, আমি মনোনয়নের ব্যাপারে আশাবাদী। বিএনপির প্রার্থী হিসেবে যে নামটি (নাসিমা আক্তার কল্পনা) আলোচনায় আছে এটি ছাড়াও আরো কিছু নাম শুনছি। হাজী সেলিমের ছেলের প্রার্থিতার বিষয়টি সম্পর্কে তিনি বলেন, এটি আমিও শুনেছি।
ঢাকা-৭ নির্বাচনী আসনে বিএনপি দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে এখন পর্যন্ত আলোচনায় আছেন বিএনপির সাবেক নেতা ও সংসদ সদস্য প্রয়াত নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টুর স্ত্রী নাসিমা আক্তার কল্পনা। বর্তমানে তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০৯ সালে পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহের হত্যা মামলায় রায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হন পিন্টু। পরে ২০১৫ সালের ৩রা মে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কারাবন্দি অবস্থায় মারা যান তিনি। স্বামী পিন্টুর মৃত্যুর পরই আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে আসেন নাসিমা আক্তার কল্পনা। এর আগে  ২০০২ সালে অনুষ্ঠিত ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে সংরক্ষিত ১৯ নম্বর মহিলা ওয়ার্ড কমিশনার নির্বাচিত হন কল্পনা। সেই সময় থেকেই তিনি রাজনীতির মাঠে ছিলেন। আগামী সংসদ নির্বাচনে এই আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়নের অন্যতম দাবিদারও তিনি। তবে, তাকে নিয়ে ক্ষোভ ও হতাশা আছে ওই নির্বাচনী এলাকার বিএনপির নেতা কর্মীদের একাংশের মধ্যে। ঢাকা মহানগর বিএনপি ও ওই নির্বাচনী এলাকার একাধিক নেতা অভিযোগ করেন দলের জন্য প্রয়াত পিন্টুর অনেক অবদান ছিল। এলাকাবাসীর সুখে দুঃখে তাকে (পিন্টু) কাছে পাওয়া যেত। নেতাকর্মীদের বিপদেও পাশে থাকতেন তিনি। কিন্তু বর্তমান সরকারের আমলে সারাদেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে মামলার ধারাবাহিকতায় ওই নির্বাচনী এলাকার নেতাকর্মীদের নামেও মামলা রয়েছে। কিন্তু নেতাকর্মীদের পাশে নাসিমা আক্তার কল্পনা খুব একটা ছিলেন না। অতীতেও সরকারবিরোধী আন্দোলনে তাকে খুব একটা পাশে পাওয়া যায়নি।
এদিকে ঢাকা-৭ আসনে নাসিমা আক্তার কল্পনার পাশাপাশি বিএনপি থেকে মনোনয়নের জন্য আরো বেশকজন প্রার্থী দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। এর মধ্যে ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক, কোতোয়ালি থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আরিফুর রহমান নাদিম, ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম রাসেল, মহানগর (দক্ষিণ) বিএনপির ভাইস প্রেসিডেন্ট মোশাররফ হোসেন খোকন, ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুল মোতালেব, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক মীর নেওয়াজ আলী। এর মধ্যে মীর নেওয়াজ আলী বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপুর ভাই। জানা গেছে, ভাইয়ের প্রার্থিতা নিশ্চিত করতে দলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে জোর লবিং, তদবির করছেন সপু। তবে, ঢাকা-৭ নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ডে দীর্ঘ সময়েও বিএনপির কমিটি না হওয়ায় দলীয় কার্যক্রমে স্থবিরতা, এলাকার নেতাকর্মীদের নামে মামলায় পর্যদস্ত অবস্থা বিএনপির। তাই, এখানে বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডও তেমন দৃশ্যমান নয়। তবে, বিএনপির নেতাকর্মীদের আশা নির্বাচন ঘনিয়ে এলেই দলীয় কর্মকাণ্ডসহ সবকিছুই স্বাভাবিক হয়ে যাবে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থিতা দাবিদার ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আরিফুর রহমান নাদিম মানবজমিনকে বলেন, আমি মনোনয়ন পাবার চেষ্টা করবো। দল থেকে যদি মনোনয়ন দেয়া হয় তাহলে নির্বাচনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলবো। তিনি বলেন, আমাদের নির্বাচনী এলাকার অসংখ্য নেতাকর্মী বিগত কয়েক বছরে মামলা ও পুলিশি ঝামেলার ভয়ে একপ্রকার ফেরারি জীবন পার করছেন। আগামী সংসদ নির্বাচন যদি সুষ্ঠু ও অবাধ হয় তাহলে নির্বাচনে এলাকাবাসী এর জবাব দেবে। আর দলীয় কার্যক্রমের সমস্যা যেগুলো আছে নির্বাচনী জোয়ার শুরু হলে সেগুলো থাকবে না। এদিকে ঢাকা-৭ নির্বাচনী এলাকায় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সাইফ উদ্দিন আহমেদ মিলনকে নিয়ে রয়েছে কৌতূহল ও আলোচনা। বিগত কয়েক বছরে রাজধানীতে ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুনের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালান মিলন। তবে, এখন প্রচারণায় কিছুটা ভাটা পড়েছে। যদিও তার ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, আগামী সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আটঘাট বেঁধেই মাঠে নামছেন তিনি।
ঢাকা-৭ নির্বাচনী আসনের লালবাগ, চকবাজার, বংশালের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা জানান, নির্বাচনের যেহেতু ঢের সময় বাকি বাকি তাই এ নিয়ে তাদের এখনই কোনো প্রস্তুতি নেই। তবে, এলাকার কিছু জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সমাধান দীর্ঘ দিনেও না হওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের। বিশেষ করে এই নির্বাচনী আসনের বিভিন্ন এলাকার জলাবদ্ধতা ও যানজট নিরসন না হওয়ায় ক্ষোভ রয়েছে বাসিন্দাদের। ঢাকা-৭ নির্বাচনী আসনের নাজিমউদ্দিন রোড, নাজিরাবাজার, চকবাজার, আগাসাদেক রোড, তাতীবাজার, শাখারীবাজার, কোর্ট এলাকা, ইসলামপুর, নবাববাড়ি, লালবাগের কেল্লা এলাকা, আগামসি লেনসহ বিভিন্ন এলাকার বেশকিছু ওয়ার্ড ও এলাকাভিত্তিক বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্ষাকালে জলাবদ্ধতার সমস্যা প্রকট হয়। এ নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে ভোটার ও সাধারণদের। আবার কিছু এলাকায় মাঝেমধ্যে দেখা দেয় বিশুদ্ধ পানির সংকট। এ ছাড়া কিছু এলাকায় গ্যাস সংকট ও বিদ্যুৎ সমস্যাও থাকে। ঢাকা-৭ নির্বাচনী এলাকার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের কোতোয়ালি (তাঁতীবাজার) এলাকার ব্যবসায়ী শহীদ মিয়া বলেন, তাঁতীবাজারের কিছু গলিতে ড্রেনেজ সিস্টেম খুবই নাজুক। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এছাড়া কয়েকদিন পর পর খোঁড়াখুঁড়িতো আছেই। তিনি বলেন, এমপি আসে এমপি যায়, নির্বাচনের আগে অনেক প্রতিশ্রুতিই শুনি। কিন্তু সমস্যার সমাধান আর হয় না। এই নির্বাচনী এলাকার ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের একজন বাসিন্দা জানান, পুরনো ঢাকার এই এলাকার রাস্তা এমনিতেই সরু। তার ওপর ড্রেনেজ সিস্টেম দুর্বল হওয়াতে জলজট ও যানজট এখানকার নিত্য সঙ্গী। কখনো কখনো বিশুদ্ধ পানির সংকট চরমে থাকে। তিনি বলেন, ১৯৯১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অনেক এমপিই জনপ্রতিনিধি হয়ে এসেছেন। কিন্তু সমস্যার সমাধান হয়নি।
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

সুচিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোন

সিরাজগঞ্জে ভিজিডির ৭০ টন চাল উদ্ধার, আটক ১

শাহজালাল বিমানবন্দরে কোটি টাকার স্বর্ণ জব্দ

ইমরান এইচ সরকারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

‘সব মুসলিম, সব রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নন’

ছবিতে মেক্সিকো ভূমিকম্প

বেলকুচিতে নিখোঁজের দুদিন পর কলেজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার: আটক ২

‘সেনা অভিযান বন্ধ করুন’, মিয়ানমারের সেনাদের প্রশিক্ষণ বন্ধ করেছে বৃটেন

মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক গণআদালতে রোহিঙ্গা নির্যাতনের লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন বাংলাদেশের রাজিয়া

‘মনপছন্দ চরিত্র পেলে আমি দুই ধরনের ছবিতেই কাজ করব’

মেক্সিকোতে ভয়াবহ ভূমিকম্প, নিহত কমপক্ষে ২২৬, বহু ভবন ধস