গ্যাসের উৎপাদন বাড়াতে নতুন ১০৮টি কূপ খনন করবে বাপেক্স

শেষের পাতা

দীন ইসলাম | ২১ এপ্রিল ২০১৭, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ২:৪০
গ্যাসের উৎপাদন বাড়াতে আরো ১০৮টি কূপ খনন করবে বাপেক্স। এরই মধ্যে এসব কূপের ত্রিমাত্রিক ভূতাত্ত্বিক জরিপ শেষ হয়েছে। এসব কূপ খননের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানি করার প্রক্রিয়া চলছে। এ জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এখন ঠিকাদার নিয়োগের কাজ বাকি রয়েছে। সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে তিনটি প্রস্তাব এসেছে।
ওই সব প্রস্তাব অনুমোদন পেলেই কূপ খননের কাজ শুরু হবে। বাপেক্স সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের মধ্যে প্রায় এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট স্থানীয় প্রাকৃতিক গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের টার্গেট নিয়ে এগুচ্ছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে ১০৮টি কূপ খননের কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। ১০৮টি কূপের মধ্যে ৫৩টি অনুসন্ধান কূপ, ৩৫টি উন্নয়ন কূপ ও ২০টি ওয়ার্কওভার কূপ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের কর্ম পরিকল্পনা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে চলমান ক্রয় সংক্রান্ত বিধি অনুসরণ করে নতুন গ্যাস ক্ষেত্র অনুসন্ধান, আবিষ্কার ও উন্নয়ন করে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করতে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হবে। এ কারণে সরকারের ‘রূপকল্প-২০২১’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গ্যাস উন্নয়ন তহবিল ও জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিলের অর্থায়নে ২০১৬-২০১৭ এবং ২০১৭-২০১৮ সময়ের জন্য বাপেক্স কর্তৃক ১০টি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। ওই সব প্রকল্প নেয়ার সময় বলা হয়, বিশেষ উদ্যোগে এসব প্রকল্প ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন-২০১০ এর আওতায় বাস্তবায়নের জন্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মন্ত্রী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদন নেয়া হয়। বাপেক্স সূত্রে জানা গেছে, এসব প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের জন্য একটি “প্রস্তাব প্রক্রিয়াকরণ কমিটি” রয়েছে। প্রস্তাব প্রক্রিয়াকরণ কমিটিকে সহায়তার জন্য একটি কারিগরি উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে। এদিকে ১০টি রূপকল্পের মধ্যে ‘রূপকল্প-৪’ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে শাহবাজপুর-২ নং কূপের ওয়ার্কওভার কার্যক্রম দ্রুত শুরু করতে লগিং সার্ভিসেস ভাড়া করতে হবে। এজন্য দরপত্র আহ্বান করে কার্যাদেশ দিতে অনেক সময়ের দরকার হবে। এ কারণে বাপেক্সের চলমান শাহজাদপুর-সুন্দলপুর কূপ খনন প্রকল্পের বিপরীতে লগিং সার্ভিস প্রদানকারী সিকো ইন-করপোরেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির প্রক্রিয়া চলছে। মন্ত্রিসভায় পাঠানো সারসংক্ষেপে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, সিকো ইন-করপোরেশন- এর মালামাল ও বিস্ফোরক বাংলাদেশে মজুত রয়েছে। তাই তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে সেবা দিতে পারবে। নতুন দরপত্র আহ্বান করে কার্যাদেশ দিতে গেলে অনেক সময়ের প্রয়োজন হবে। কারণ অন্য কোনো সার্ভিস প্রোভাইডার ওই কার্যাদেশ পেলে তাদের নতুন করে বিস্ফোরক আমদানির জন্য বিস্ফোরক অধিদপ্তরের অনুমতি নিতে হবে। এ কাজটি অনেক সময়সাপেক্ষ। এ কারণে সিকো ইন-করপোরেশন থেকে সার্ভিসটি নেয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বাপেক্স তার আওতাধীন সাতটি ছোটো ছোটো গ্যাস ক্ষেত্র থেকে দৈনিক ১০৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করছে। যা দেশের মোট উত্তোলিত গ্যাসের মাত্র ৪ শতাংশ। এই গ্যাস ক্ষেত্রগুলো হলো ভোলার শাহবাজপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সালদা,  মৌলভীবাজারের ফেঞ্চুগঞ্জ, খাগড়াছড়ির সেমুতাং, কুমিল্লার শ্রীকাইল, নোয়াখালীর সুন্দলপুর ও বেগমগঞ্জ।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের দাবি

এখনও আসছে রোহিঙ্গারা, সমঝোতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

৯০ টাকা ছাড়ালো পিয়াজের কেজি

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি মামুলি ব্যাপার

‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’

চিরঘুমে লোকসংগীতের মহীরুহ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্যার ক্ষতি পোষাতে দরকার ১০০ কোটি টাকা

জিম্বাবুয়ের নতুন প্রেসিডেন্টের শপথ

দুই দলেই হেভিওয়েট প্রার্থী

দরিদ্রদের জন্য বিচারের বাণী নীরবে কাঁদে

৭ই মার্চ ভাষণের স্বীকৃতিতে দেশব্যাপী শোভাযাত্রা আজ

সম্মতিপত্র প্রকাশের দাবি বিএনপির

ঘরে ঘুরে দাঁড়ালো চিটাগং

মিশরে মসজিদে জঙ্গি হামলা, নিহত কমপক্ষে ২৩০

‘শেষ মুহূর্তে হলে সরকার সমঝোতায় আসবে’

রবি-সোমবার সব সরকারি কলেজে কর্মবিরতি