ইবিতে হিন্দি গানের তালে বর্ষবরণ

শিক্ষাঙ্গন

ইমরান শুভ্র, ইবি প্রতিনিধি | ১৫ এপ্রিল ২০১৭, শনিবার
“না জানি কোহি, ক্যাসে হে এ জিন্দেগানি, হামারি আদুরি কাহানী।” গানটি শুনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে ভিসি, ট্রেজারারসহ শত শত দর্শক মেতে উঠলেন। হাত তালি আর সুরে সুর মিলিয়ে দুলতে থাকেন সবাই। গান শেষে গায়ককে প্রক্টরের বাহবা আর ‘ব্যাপক জমে উঠেছে না?’ কথাটি শুনে দর্শক প্রক্টর কেও বাহবা দেয়। এভাবেই বিদেশী সংস্কৃতি আর কৃষ্টিকালচার দিয়ে চলছে ইবির বর্ষবরণ।

এদিকে শুক্রবার বৈশাখী অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে কোকাকোলা পান করে। বৈশাখী মঞ্চে বসেই কোকাকোলা খেয়েছেন ভিসি, প্রো-ভিসিসহ বৈশাখী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। এমটাই দেখা মিলেছে গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে। এতে দেখা যায় অতিথিদের সামনে একটি করে কোকাকোলা ও পানি। এই কোকাকোলা বাঙালি সংস্কৃতির কোনো অংশ কিনা এটা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এছাড়াও পয়লা বৈশাখ শুক্রবারের দিনে ইবিতে আযান চলাকালীন মঞ্চে উচ্চস্বরে গান বাজনার সাথে নৃত্য পরিবেশন করা হয়েছে। তিনদিনব্যাপী আয়োজিত মেলার দ্বিতীয় দিনে রাত সাড়ে সাতটার দিকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে সাদ্দাম নামের এক শিল্পী হিন্দি গান শুরু করেন। এসময় ভিসি, ট্রেজারারসহ অন্যান্য অতিথিদের চেহারায় বাড়তি আনন্দ লক্ষ্য করা গেছে। দর্শকরাও ছিল পুলকিত। গান শেষে প্রক্টর মঞ্চে এসে গানের জন্য গায়ককে বাহবা দেন। একইসাথে দর্শকদের প্রশ্ন ছুড়ে দেন ‘ব্যপক জমে গেছে না?’ এভাবেই ইবির দ্বিতীয় দিনের মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষ হয়।

বাঙালি জাতির বাঙালিপনার উৎসব বৈশাখ। তবে কালের পরিক্রমায় তা আজ শুধু আনুষ্ঠানিকতায় রুপ নিয়েছে। আগের দিনে এতো জমকালো আয়োজনে বৈশাখী উৎসব পালন করতে না পারলেও বাঙলি তার নিজের সভ্যতা-সংস্কৃতি পৃথিবীর দুয়ারে তুলে ধরত এই দিনে।
 
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন