চ্যালেঞ্জের নাম বেসিন রিজার্ভ

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার | ১২ জানুয়ারি ২০১৭, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১২:২২
১৯৩০ সালের ২৪শে জানুয়ারি ওয়েলিংটনের বেসিন রিজার্ভ স্টেডিয়ামের অভিষেক টেস্টে নিউজিল্যান্ডের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে কিউই দুই ওপেনার চার্লস স্টুয়ার্ট ডেম্পস্টার ও জ্যাকি মিলস সেঞ্চুরি করেন। প্রথম ইনিংসে ৪৪০ রানের জবাবে ইংল্যান্ড ৩২০ রানে গুটিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত অবশ্য ম্যাচটি ড্র হয়েছিল। কিন্তু এরপর থেকে এই মাঠে নিউজিল্যান্ড দল খেলেছে ৫৮টি টেস্ট ম্যাচ। জিতেছে ১৬ ম্যাচে ও ড্র ২৩ টিতে।
টেস্ট ভেন্যু হিসেবে বেসিন রিজার্ভের অভিষেকের ৭০ বছর পর টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হয় বাংলাদেশ দলের ২০০০ সালে। ঠিক তার পরের বছর নিজেদের ৮ম টেস্ট ম্যাচটি টাইগারদের খেলার সুযোগ হয়েছিল এই মাঠেই। প্রথম টেস্টে নিউজিল্যান্ড জিতে নিয়েছিল ইনিংস ও ৭৮ রানের ব্যবধানে। এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে ২০০৮ সালের ১২ই জানুয়ারি এই মাঠে দ্বিতীয় টেস্ট খেলে দুই দল। সেবারও নিউজিল্যান্ড ইনিংস ও ১৩৫ রানের বড় ব্যবধানে জয় তুলে নেয়। ঠিক ৮ বছর পর কাকতালীয় ভাবে সেই ১২ই জানুয়ারি এই মাঠে তৃতীয় টেস্ট খেলতে নামছে মুশফিকুর রহীম বাহিনী। অবশ্য এই দলের অধিনায়ক সেই বার ছিলেন শুধুই উইকেরক্ষক ব্যাটসম্যান। এছাড়াও সেই ম্যাচে খেলা তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসানও আছেন এই দলে। দুইদল এই পর্যন্ত ১১ টেস্ট ম্যাচ খেলেছে। এর মধ্যে নিউজিল্যান্ড ৮টিতে জয় পায়। এর মধ্যে নিজেদের মাটিতে ৫টির একটিতেও হারেনি তারা।
এই মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে একমাত্র সাকিব ছাড়া সেই ম্যাচে গোটা বাংলাদেশ দলই ছিল ব্যর্থ। সাকিব প্রথম ইনিংসে ৫ রান করলেও দ্বিতীয় ইনিংসে অপরাজিত ছিলেন ৪১ রানে। এক ইনিংসে ১৯ ওভার বল করার সুযোগে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। এছাড়াও শাহাদাত হোসেন রাজীব ৩টি, মাশরাফি ২টি ও আফতাব আহমেদ ২টি করে উইকেট নেন। প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ১৪৩ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। পরে বোলাররা ব্ল্যাক ক্যাপসদের ৩৯৩ রানে বেঁধে ফেলে কিছুটা হলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়েন। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে আরো বড় ব্যাটিং ব্যর্থতা। ১১৩ রানে গুটিয়ে গিয়ে লজ্জার হার। ৯২ বল খেলে একাই অপরাজিত থাকেন সাকিব। তামিম ইকবালের ব্যাট থেকে প্রথম ইনিংসে এসেছিল ১৫ রান। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে অসুস্থ থাকায় খেলতেই পারেননি এই ওপেনার।
এরপরও বাংলাদেশের হয়ে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে সর্বোচ্চ রান তামিম ইকবালের ৩ ম্যাচে তার সংগ্রহ ৩ ফিফটিতে ২৫০ রান। তারপরই আছেন সাকিব আল হাসান ১টি সেঞ্চুরি ও ফিফটিতে ২৩৩ রান। সেই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে টেস্ট ক্যারিয়ারে অধিনায়ক সাকিবের আগেই প্রথম সেঞ্চুরিটি করেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। তার ব্যাট থেকে এসেছিল ১১৫ রান ও সাকিব করেছিলেন ১০০ রান। ২০১০ সালে কিউইদের মাটিতে শেষ টেস্ট ম্যাচে ১২১ রানে হারলেও দারুণ লড়াই করেছিল দল। সেই দলে থাকা তামিম, সাকিব, মুশফিকুর রহীম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও রুবেল হোসেন আছেন এবারের সফরে।
অন্যদিকে বেসিন রিজার্ভ স্টেডিয়ামে টাইগারদের আরো একটি চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে। ব্ল্যাক ক্যাপস অধিনায়ক কেন উলিয়ামসন ২০১১ সালে থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ৭ ম্যাচে করেছেন ১টি ডবলসহ দু’টি করে সেঞ্চুরি ও ফিফটিতে ৭২.২০ গড়ে ৭২২  রান। অপরাজিত ছিলেন ২৪২ রানে। এছাড়া উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান বিজে ওয়েটলিং ২টি  সেঞ্চুরি ও ফিফটিতে করেছেন ৪৬২ রান। বল হাতে ট্রেন্ট বোল্ট  ২২ ও টিম সাউদির এই মাঠে শিকার ২০ উইকেট।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

টসে জিতে ব্যাটিংয়ে রাজশাহী কিংস

গুম আর জোর করে গুম এক নয়

আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু

‘দুর্নীতি বাড়ার জন্য রাজনীতিবিদরা দায়ী’

রংপুর ও রাজশাহীতে শীত বাড়ছে

‘ভারত ও চীন রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বাড়ি ঘর নির্মাণে সহায়তা করবে’

দিনাজপুরে পরিবহন ধর্মঘট অব্যাহত: যাত্রীদের চরম দূর্ভোগ

বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় হাইকোর্টের রায় কাল

বরিশালে রানী এলিজাবেথের পুত্রবধূর একদিন

ইরান-সৌদি আরব বাকযুদ্ধ

বরখাস্ত তিনজন, তদন্ত কমিটি

‘শিগগিরই সুখবরটি শুনতে পাবেন’

যে রাস্তাগুলো বন্ধ থাকবে আজ

জেলা, উপজেলা, পৌরসভা এবং ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চূড়ান্ত

‘শেষ মুহূর্তে হলে সরকার সমঝোতায় আসবে’

রবি-সোমবার সব সরকারি কলেজে কর্মবিরতি