‘ট্যাক্স দিবেন মিষ্টি খাবেন, না দিলে ফাইন খাবেন’

স্টাফ রিপোটার

অনলাইন ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার, ৫:২৫ | সর্বশেষ আপডেট: ১২:২৯

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘ট্যাক্স দিবেন মিষ্টি খাবেন, আর যারা ট্যাক্স দিবেন না তারা ফাইন (জরিমানা) খাবেন। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় গুলশান ২ নম্বর গোলচত্বরে অবৈধ বিলবোর্ড, সাইনবোর্ড ইত্যাদি উচ্ছেদের সময় জনৈক ব্যবসায়ী ডিএনসিসি থেকে পূর্বেই অনুমোদন নিয়ে নির্ধারিত মাপে সাইনবোর্ড স্থাপন করায় মেয়র তাকে মিষ্টি খাওয়ানোর পর এ কথা বলেন। জনতা ব্যাংকের গুলশান শাখা তাদের সাইনবোর্ডের জন্য নির্ধারিত ফি জমা দেয়ায় ব্যাংকের এক কর্মকর্তাকেও তিনি ধন্যবাদ জানিয়ে মিষ্টি খাওয়ান।

পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, আমি সবাইকে বলব, এই শহরটা কিন্তু আমাদের, এই শহরে আমরা উপার্জন করি। আমাদের বাচ্চারা পড়াশোনা করে, এই শহরে আমারা বড় হয়েছি। এ শহরকে ভালবাসতে হবে। যে ঘরে আমি থাকি, সেই ঘরের প্রতি যদি মায়া না করি, যে ঘরে থাকি সে ঘরে যদি থুথু ফেলি, তাহলে হবে না। এই যে আজকে বড় বড় ডেভেলপাররা কীভাবে তাদের সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিল, সিটি করপোরেশনকে কোন ধরনের ট্যাক্স না দিয়ে? এই শহরে আপনাদের এত বড় বড় ব্র্যান্ডিং করবেন, আপনি ব্যবসা করবেন, আর সিটি কর্পোরেশনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কোন ট্যাক্স দিবেন না, এটি হতে পারে না। আমি সবাইকে বলতে চাই- শহরে কোন ধরনের সাইনবোর্ড লাগাতে গেলে, আগে দেখুন সিটি কর্পোরেশনের নিয়ম কি? বিদেশে তো আপনারা এরকম করতে পারবেন না।
এদেশে কেন করবেন? এই দেশেরও গার্জিয়ান আছে। জনগণ চায় সিটি পরিষ্কার থাকুক। জনগণ চায় তারা ফুটপাত দিয়ে যেন নির্বিঘ্নে হাঁটতে পারে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা ফুটপাত সড়কে অবৈধভাবে থাকা বিভিন্ন সামগ্রী নিলাম করে দিচ্ছি। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা আজ সাইনবোর্ড, বিলবোর্ড ইত্যাদি অপসারণ করছি। আমি জনগণকে অনুরোধ করবো আপনারা আমাদেরকে জানান। এরকম কোন কোন ফুটপাত ও রাস্তায় নির্মাণসামগ্রী রেখে দেয়।

মেয়র আরো বলেন, এই শহরে তারা ব্যবসা করছেন, তারা কিন্তু ‘ফিলান্থ্রোপি’ করছেন না। তারা ট্যাক্স দেবে না কেন? সিটিকে সুন্দর করতে গেলে সিটি করপোরেশনকে ট্যাক্স দিতে হবে। আজকে আমরা গুলশান, বনানী এবং প্রগতি সরণিতে অভিযান শুরু করেছি। বিলবোর্ড, সাইনবোর্ড স্থাপন করার জন্য নীতিমালা আছে। এগুলো লাগানোর সময় নীতিমালা মানতে হবে। আমরা এ বিষয়ে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছি, মিডিয়ায় প্রেস রিলিজের মাধ্যমে জানিয়েছি, প্রত্যেকটি গণমাধ্যমে এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, এমনকি মাইকিংও করা হয়েছে। অনেকেই গত দুই দিনে নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে অনুমোদন নিয়েছেন। একটি শহরের ভেতরে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম চলতে পারে না। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি ফুটপাত ও সড়কে রাখা অবৈধ মালামাল উচ্ছেদ অব্যাহত থাকবে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

shiblik

২০২০-০৯-১৬ ০৯:৪২:৫১

মধ্যবিত্তের রক্ত শুকিয়ে গেছে প্রায় -ট্যাক্স, চাঁদাবাজি (ঘুষ)-র চাপে।

মোল্লা মো: নুরুল ইসল

২০২০-০৯-১৫ ০৭:২১:২৬

অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করবেন না? পারলে খুশি হয়ে সব ট‍্যাক্স দিবো। সবাই দিবে।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

আইসিইউ’তে অ্যাটর্নি জেনারেল

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

পেঁয়াজের পারদে ঝাঁজ

বিক্রেতার চড়া সুর, ‘দাম বেশি হলে নেন কেন?’

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত