পুলিশের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে এটাই শেষ ঘটনা: আইএসপিআর

স্টাফ রিপোর্টার

অনলাইন ৬ আগস্ট ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৬:৫৮

কক্সবাজার ঘটনায় সেনাবাহিনী প্রধান ও পুলিশ মহাপরির্দশক স্ব স্ব বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আইএসপিআর জানিয়েছে, অনাকাঙ্খিত এই ঘটনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অত্যন্ত মর্মাহত। পুলিশও অত্যন্ত মর্মাহত এবং পুলিশের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে এটাই শেষ ঘটনা। এছাড়া  এলাকায় মানুষের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথ টহল পরিচালনা করবে।

আইএসপিআর এর পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৩১শে জুলাই রাতে কক্সবাজারের টেকনাফে মেরিন ড্রাইভের শামলাপুর পুলিশ চেকপোষ্টে অবসর প্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান একজন পুলিশ সদস্যের গুলিতে মর্মান্তিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন। অনাকাঙ্খিত এই ঘটনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অত্যন্ত মর্মাহত। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি উচ্চ পর্যায়ের যৌথ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, যারা গত ৪ঠা আগস্ট থেকে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছেন। ৫ই আগস্ট সেনাবাহিনী প্রধান ও পুলিশের আইজি সরজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং স্ব স্ব বাহিনীর স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ও প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।


আইএসপিআর জানিয়েছে, সেনাবাহিনী প্রধান ও পুলিশের আইজি উভয়ই ঘটনাটিকে একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করেন এবং ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের দায়ভার বাহিনী নিবে না বলে উল্লেখ করেন। ওই ঘটনায় দুই বাহিনীর দীর্ঘদিনের পারস্পরিক সুসম্পর্কে চিড় ধরবে না। সুষ্ঠু তদন্ত এবং সুবিচারের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হবে ও সুষ্ঠু তদন্ত কার্যে কোন প্রকার হস্তক্ষেপ করা হবে না এবং সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত পরিচালিত হবে এই মর্মে স্ব স্ব বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

আইএসপিআর আরো জানিয়েছে, অনাকাঙ্খিত এই ঘটনায় বাংলাদেশ পুলিশও অত্যন্ত মর্মাহত এবং পুলিশের পক্ষ থেকে আশ্বস্থ করা হয়েছে এটাই শেষ ঘটনা। ভবিষ্যতে এ ধরণের কোন ঘটনার পূনরাবৃত্তি ঘটবে না। আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে ও মানুষের মাঝে আস্থা ফিরিয়ে আনতে ওই এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ টহল পরিচালনা করা হবে বলে সেনাবাহিনী প্রধান এবং পুলিশের আইজি উভয়ই সম্মত হয়ে স্ব স্ব বাহিনীকে নির্দেশনা প্রদান করেন। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দুই বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান আস্থা আরও গভীর ও সুদৃঢ় করবে বলে উভয়ই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Rita

২০২০-০৮-০৬ ০৮:৩৭:৪৮

ওসি প্রদীপের আরেক ভাই যিনি চট্টগাম বায়েজীদ থানার দালাল। অপকর্মে মহানায়ক তাকেও রিমানডে নিয়ে সম্পদের হিসাব নেওয়ার দাবী জানাচ্ছি ।

Kodir

২০২০-০৮-০৬ ০৬:৪৮:৫১

এখন পুলিশ সদর দপ্তরথেকে অনুতাপ ও দুঃখ প্রকাশ করে একটা পাব্লিক স্টেটম্যান এর খুব দরকার ছিল। কারন তারা তো এই দুঃখজনক ঘটনার কর্তৃপক্ষ।

জিলানী, লন্ডন

২০২০-০৮-০৬ ০৬:৩৩:৩৪

সিনহা ভাই, কত বড় দেশ প্রেমিক নিজের জীবন বিসর্জন দিয়ে, দেশের অসহায় সাধারণ মানুষের জান মালের নিরাপত্তা দিলেন। সবাই কে আহ্বান সিনহা ভাই র নামে, আসুন ‌একটা ক্লাব গঠন করি, উনার অসমাপ্ত কাজ আমরা সম্পন্ন করব। এ ব্যাপারে আমি আমার সাধ্য মত জান মাল নিয়ে এগিয়ে আসব।

জামশেদ পাটোয়ারী

২০২০-০৮-০৬ ১৯:২৭:৪৭

দলীয় পরিচয়ে নিয়োগ পাওয়া এসআইদের পুলিশ কোনভাবেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেনা। এরা কিছুদিন পর পর এধরনের ঘটনা ঘটাবেই। পুলিশের এধরনের প্রতিশ্রুতিতে অপরাধীরা পার পেয়ে গেলে সামনে পুলিশ আরো বেশী বেপরোয়া হয়ে উঠবে। সুতরাং অভিলম্বে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভকে ক্রসফায়ার ড্রাইভ বানানোর হোতাদের কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা ছাড়া কোন বিকল্প নাই।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

হাটহাজারীর ঢেউ!

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

কবিতা

ভালোবাসা

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

আল্লামা শফী আর নেই

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

বাসে আটকে রেখে গণধর্ষণ

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত