নীলফামারীতে মাদ্রাসা ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ

নীলফামারী প্রতিনিধি

এক্সক্লুসিভ ২৯ জুলাই ২০২০, বুধবার

কিশোরীগঞ্জ কেশবা ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবন নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারসহ ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মিত দেখভালের অভাবে ভবনের গ্রেট বিম ও ছাদ ঢালাইসহ অন্যান্য কাজে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করায় ভবনটির ছাদ ঢালাইয়ের একদিনের মাথায় সমস্ত খোয়া বের হয়ে  গেছে। প্রকল্প এলাকায় কাজের বিবরণ ও তথ্য সংবলিত সাইনবোর্ড সাঁটানোর কথা থাকলেও তার কোন হদিস নেই। এলাকাবাসীর অভিযোগ ভবনের গ্রেটবিম ঢালাইয়ে নিম্নমানের সামগ্রী এবং রট কম দেওয়ায় গ্রেট বিম হেলে পড়ে। বিষয়টি তদারকি কর্মকর্তাকে জানালে, তড়িঘড়ি করে গ্রেট বিম ভেঙে ফেলে নতুন করে বিম তৈরী করা হয়। তবে নীলফামারী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী এবং ভবন নির্মাণ তদারকির কাজে নিয়োজিত লতিফুর রহমান লিখন সাংবাদিকদের বলেন, একটি কলামের এ্যালাইনমেন্ট ঠিক না থাকার কারণে সেটি ভেঙে ফেলে নতুন করে কলাম নির্মাণ করা হয়েছে। সরজমিনে দেখা গেছে, কেশবা ফাজিল মাদ্রাসাটির চারতলা ভবনের নির্মাণ কাজ চলমান। এ মাদ্রাসাটি গোটা উপজেলার মাদ্রাসা ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন পরীক্ষায় কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহার হওয়ায় শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর চারতলা ভবন নির্মাণে তিন কোটি ২৬ লাখ টাকায় ভবনটির নির্মাণ করছে।
সূত্র জানায়, নির্মাণ কাজের কার্যাদেশ পায় দিনাজপুর জেলার মা এন্টারপ্রাইজ নামের ঠিকাদরি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু মজার ব্যাপার ওই প্রতিষ্ঠানের বদলে কাজ করছে দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার মেসার্স শাহিন এন্টারপ্রাইজ। সমপ্রতি সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অফিস বন্ধের দিন চারতলা ভবনের প্রথম তলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ চলছে। ঢালাইয়ে সিলেকশন বালু, পিকেট ইটের খোয়া এবং মানসম্নত সিমেন্ট দিয়ে ঢালাই করার কথা থাকলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে নিম্নমানের সিমেন্ট, লোকাল বালু এবং নিম্নমানের খোয়া দিয়ে ঢালাই কাজে ব্যাবহার হচ্ছে। এর একদিন পর গিয়ে দেখা যায়, ছাদের খোয়া বের হয়ে গেছে। সাংবাদিক দেখে ঠিকাদারের লোকজন তড়িঘড়ি সিমেন্ট দিয়ে খোয়া ঢেকে দেয়ার চেষ্টা করেন। স্থানীয় অধিবাসী শাকিল আহম্মেদসহ বেশ কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, ভবনটির গ্রেট বিম ঢালাইয়ের সময় রট কম দেয়ার কারণে বিম হেলে পড়েছিল। এছাড়া ভবনটির ছাদ ঢালাইসহ অন্যন্য কাজে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে ঐ ফাজিল মাদ্রাসার সুপার জালাল উদ্দিন জানান, মাদ্রাসা ভবনের ছাদ ঢালাইয়ের সময় বেশি করে বালু এবং কম সিমেন্ট ব্যবহার করার বিষয়টি তাৎক্ষনিক ভাবে তদারকি কর্মকর্তাকে অবহিত করেছিলাম। বাকিটা উনিই বলতে পারবেন। নীলফামারী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. শাহিনুর ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ভবন নির্মাণ কাজ আপাতত বন্ধ থাকবে এবং সরজমিনে কাজ দেখে অনিয়ম হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত দিন

এক্সক্লুসিভ অন্যান্য খবর

স্মরণ

আতাউস সামাদ

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

ইন্ডিপেন্ডেন্টের রিপোর্ট

জেএন্ডজের সিঙ্গেল ডোজ পরীক্ষা শুরু

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

৪ঠা অক্টোবর থেকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

আগামী ৪ থেকে ১৭ই অক্টোবর পর্যন্ত দুই সপ্তাহব্যাপী ধাপে ধাপে সারা দেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ ...

করোনাজয়ী তমার আর্জি

২২ সেপ্টেম্বর ২০২০

হিলি স্থলবন্দরে পিয়াজ আমদানি বন্ধ

১১ ট্রাক পচা পিয়াজ নিয়ে বিপাকে ব্যবসায়ীরা

২১ সেপ্টেম্বর ২০২০



এক্সক্লুসিভ সর্বাধিক পঠিত