কুমিল্লায় করোনার ও উপসর্গে আরো ৮ জনের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা থেকে

অনলাইন ৪ জুলাই ২০২০, শনিবার, ৫:৪২

কুমিল্লায় করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘন্টায় এক নারীসহ আরো ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৩ জন এবং উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৫ জন। কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয় এবং কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের কোভিড-১৯ ইউনিটের তথ্য শাখা থেকে এ ৮ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
জানা গেছে, বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল পর্যন্ত সময়ে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের কোভিড-১৯ ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এ ৫ জন মারা যান। ২৪ ঘন্টায় করোনা উপসর্গ নিয়ে ৫ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমেক হাসপাতালের কোভিড ইউনিটের তথ্য শাখার সহকারী সার্জন মুক্তা রানী ভূঁইয়া। তিনি জানান, ‘গত ২৪ ঘন্টায় মারা যাওয়া ৫ জনের মধ্যে চারজন আইসিইউতে এবং একজন আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।’
কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের কোভিড-১৯ ইউনিটে গত ২৪ ঘন্টায় মারা যাওয়া ৫ জন হলেন- কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার ইউসুফ আলী (৪৯), কুমিল্লা নগরীর ঠাকুরপাড়া এলাকার নাবিল (২৮), দেবীদ্বার উপজেলার হাজী জব্বার আলী (৮০), ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার দুদ মিয়া (৬৪) এবং কুমিল্লা সদর উপজেলার রিনা আক্তার (৫৩)।
এ নিয়ে হাসপাতালটিতে ৪৮ ঘন্টায় (দুই দিনে) করোনা উপসর্গ নিয়ে ১১ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটলো। বুধবার ২৪ ঘন্টা সময়ে কুমেকের কোডিভ-১৯ ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে মারা যান ৬ জন।
অপরদিকে, কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে করোনা আক্রান্ত বিষয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে কুমিল্লায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়ে ৩ জনের মৃত্যুর বিষয়টি জানানো হয়। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার একজন, চৌদ্দগ্রামের একজন এবং কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন এলাকার একজন রয়েছেন। এ নিয়ে কুমিল্লায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ১০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানায় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
একই দিনে  জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন আরও ১৩৭ জন ।
আক্রান্তদের মধ্যে, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ১৬ জন, চৌদ্দগ্রামে ২৬ জন, হোমনায় ১৫জন, বরুড়ায় ১১জন, আদর্শ সদর, মুরাদনগর, মনোহরগঞ্জ ও লালমাই উপজেলার প্রতিটিতে ৮জন করে, নাঙ্গলকোট ৭জন, লাকসাম ৬জন, মেঘনায় ৫জন, সদর দক্ষিণ, চান্দিনা ও তিতাস প্রতিটিতে ৪জন করে, বুড়িচংয়ে ও ব্রাক্ষণপাড়ায় প্রতিটিতে ৩জন করে এবং দাউদকান্দির একজন রয়েছেন।
এদিকে করোনা ইউনিটে উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিগের বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মজিবুর রহমান বলেন, ‘জ্বর সর্দি কাশি শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন জটিল রোগীরাই এখানে বেশি আসেন। এর মধ্যে অনেক রোগীই আসেন একেবারেই শেষ পর্যায়ে- সংকটাপন্ন অবস্থায়। ফলে চিকিৎসকদের শত চেষ্টা ব্যর্থ করে অনেকেই মারা যান।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



আরব নিউজের রিপোর্ট

ঢাকা-ইসলামাবাদের শান্ত কূটনীতি