এনু-রূপনের বাড়ি থেকে সাড়ে ২৬ কোটি টাকা, ৫ কোটি টাকার এফডিআর, ১ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার

এ যেন বাড়ি নয়, ব্যাংক

স্টাফ রিপোর্টার

প্রথম পাতা ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ৬:০১

লকারের তাকে তাকে সাজানো টাকার বান্ডিল। ১ হাজার টাকার নোটের প্রতিটি বান্ডিল। পর পর রাখা ৫টি লকারে চুল পরিমাণ জায়গা খালি নেই। এক এক করে বের করে আনা হয় টাকার বান্ডিল। দুটি মেশিনে কয়েক ঘণ্টা ধরে টাকাগুলো গুনে রাখা হয় বস্তায়। একটি দুটি নয়, টাকা রাখার  জন্য আনা হয় ১২টি বস্তা ও ১টি ট্যাঙ্ক। শুধু নগদ টাকাই নয় পাওয়া যায় বিভিন্ন দেশের মুদ্রা, এক কেজি ওজনের স্বর্ণ ও ৫ কোটি টাকার এফডিআর। ঢাকার ওয়ারীর লালমোহন সাহা ষ্ট্রিটের ১১৯/১ মমতাজ ভিলা নামের একটি বাসার নিচতলায় অভিযান চালিয়ে র‌্যাব এসব টাকা, স্বর্ণ ও মুদ্রা উদ্ধার করে।
ক্যাসিনো কাণ্ডে গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগ নেতা এনামুল হক এনু ও তার ভাই রূপন ভূঁইয়ার কব্জায় ছিল এই বিপুল অর্থ। অভিযানকারীরা বলছেন, অভিযানের আগে এতো বিপুল পরিমানে নগদ অর্থ পাওয়া যাবে তা তাদের ধারণায় ছিল না। অভিযানের পর মনে হয়েছে এটি কোন বাসা নয় যেন বড় কোন ব্যাংকের শাখা। এর আগে ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের সময় র‌্যাব এই দু্‌ই ভাই, তাদের এক বন্ধু ও কর্মচারীর বাসা থেকে নগদ ৫ কোটি টাকা ও আট কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করেছিল। এই দুই ক্যাসিনো গডফাদার এখন কারাগারে রয়েছেন।

সোমবার সন্ধ্যা থেকে চালানো ওই অভিযান শেষ হয় গতকাল দুপুর দুইটা পর্যন্ত। যে বাসায় অভিযান চালানো হয়েছে বাসাটি ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের পরিচালক ও গেণ্ডারিয়া আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এনামুল হক এনু ও তার ভাই যুগ্ম সম্পাদক রূপন ভূঁইয়ার। র‌্যাবের অভিযানের ওই বাসার ৫টি লকার থেকে ২৬ কোটি ৫৫ লাখ ৬০০ টাকা, ১ কেজি স্বর্ণ, ৫ কোটি ১৫ লাখ টাকার এফডিআর, ৯ হাজার ৩০০ ইউএস ডলার, ১৭৪ মালেয়শিয়ান রিঙ্গিত, ৫ হাজার ৩৫০ ইন্ডিয়ান রুপি, ১ হাজার ১৯৫ চীনা ইয়ান, ১১ হাজার ৫৬০ থাই বাথ ও ১০০ দিরহাম উদ্ধার করা হয়েছে।
ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে রোববার সন্ধ্যার পর থেকে ওই বাসার আশে পাশে অবস্থান নেয় র‌্যাব। র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম অভিযানের নেতৃত্ব দেন। রাতভর অভিযানে গিয়ে অভিযানিক দল রীতিমত চমকে উঠেন। বাইরে থেকে পরিত্যক্ত মনে হলেও ভেতরের অংশ অনেকটা পরিকল্পিতভাবে সাজানো। ১১৯/১ মমতাজ ভিলাটি ৬তলা বিশিষ্ট। বাসার নিচতলার ডান পাশের ফ্ল্যাটটিতে মোট চারটি কক্ষ। প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশ করে ডান পাশের কক্ষটির দরজা অনেকটা ভিন্ন আঙ্গিকে তৈরি করা। গ্রিল আর আয়না দিয়ে তৈরি করা ওই কক্ষটি অনেকটা নিরাপত্তা বেষ্ঠিত। তার ভেতরেই সিন্দুকগুলো ও একটি খাট রাখা ছিল। এছাড়া বাম পাশের কক্ষটির এক পাশে রান্নাঘর ও অন্য পাশে ওয়াশরুম। রান্না করার জন্য তেমন কোনো হাড়ি পাতিল চোখে পড়েনি। এর পরের কক্ষে একটি টেবিল চেয়ার রাখা। আরেকটি কক্ষে তাকের মধ্যে কয়েকটি ফাইল, খাতা রাখা। নিরাপত্তা বেষ্টিত ওই কক্ষটির লকার খোলার পরে শুধু টাকার বাণ্ডিল দেখতে পান র‌্যাব সদস্যরা। ৫টি লকার থেকে হাজার টাকার বাণ্ডিলগুলো ১২টি বস্তা ও ১টি ট্র্যাঙ্কে রাখা হয়। তারপর পাওয়া যায় আমেরিকা, ইন্ডিয়া, চীনা, থাইল্যান্ডের মুদ্রা ও ৫ কোটি ১৫ লাখ টাকার এফডিআর। র‌্যাব সদস্যদের তখন নজর পড়ে কাঠ দিয়ে তৈরি করা কয়েকটি বক্সের দিকে। বক্সগুলো খুলে সেখান পাওয়া যায় বিপুল পরিমান স্বর্ণ।

সরজমিন দেখা যায়, লালমোহন সাহা ষ্ট্রিটের মসজিদ গলিটি অনেকটা সরু। ভালভাবে দুইজন লোক চলাফেলা করার উপায় নাই। ওই গলির ভেতর প্রবেশ করেই হাতের বামপাশে ১১২/এ মমতাজ ভিলা নামের একটি বাসার দেখা মিলে। ওই বাসা থেকে বামে মোড় নিয়ে কয়েক কদম সামনে গিয়েই নীল রঙ্গের আরেকটি ১০ তলা বাড়ি পাওয়া যায়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন ভিন্ন নামে হলেও এই বাড়িটিও এনু-রূপনের। বাড়িটির ঠিক পেছনে ১০৬ মমতাজ ভিলা নামের আরেকটি ১০ তলা বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়িতে এনু-রূপন ছোটবেলা থেকে বড় হয়েছেন। বাড়িটি ১০ তলা হলেও পুরো বাড়িটি তাদের পরিবারের সদস্যরাই ব্যবহার করেন। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, বাড়িটির বাইরের দিক দেখলে অনেকটা সাধারণ মনে হলেও ভেতরে অংশ আলিশানভাবে তৈরি করা হয়েছে। দেখলে যে কেউ অবাক হয়ে যাবেন।  আধুনিক জীবনযাপন আমোদ-প্রমোদের যাবতীয় ব্যবস্থা রয়েছে। মনোরঞ্জনের জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা আছে। বাসাটিতে বহু মানুষের আনোগোনা ছিল। র‌্যাব সদস্যরা গত বছর তাদের এই বাড়িতে অভিযান চালিয়েছিলেন। কিন্তু এখান থেকে তেমন কিছু উদ্ধার করতে পারেননি। অভিযানের খবর পেয়েই বাসা থেকে সবকিছু অন্যত্র সরিয়ে ফেলেন। ওই বাড়ি থেকে বের হয়ে কয়েক গজ সামনে গেলেই  ডানপাশের এক সরু গলিতে ১১৯/১ মমতাজ ভিলাটি পাওয়া যায়।

সকালে ঢুকতো ব্যাগ ভর্তি টাকা: স্থানীয়রা জানিয়েছেন বহু বছর ধরে এনু-রূপন দুই ভাইকে দেখে আসছি। সাহেব আলী নামের এক ব্যক্তি বলেন, তাদের দুটো নেশা ছিল আর সেটি হলো জুয়া খেলা ও বাড়ি কেনা। এই এলাকায় যে তাদের কতটি বাড়ি আছে তার হিসেব নাই। নামে বেনামে গেণ্ডারিয়া, ওয়ারী ও সূত্রাপুর এলাকার তাদের অন্তত শতাধিক বাড়ি, ফ্ল্যাট ও প্লট আছে। যেখানেই তারা সুযোগ পান সেখানেই বাড়ি কিনেন। জহিরুল নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, ক্লাবে জুয়া পরিচালনা করতেন তারা। এলাকায় এটিকে বৈধ ব্যবসা হিসেবেই ধরে নিত। কিন্তু এখন বুঝতে পারছি এটি কতটা খারাপ। কত মানুষকে নিঃস্ব করে দিয়ে তারা টাকার পাহাড় করেছেন। এখন অনেকেই বলাবলি করছে প্রতিদিন সকালে নাকি তারা দুই ভাই ব্যাগ ভর্তি টাকা নিয়ে বাসায় ঢুকতেন। সারারাত ক্লাবে জুয়া খেলা চলতো আর সকালে তারা টাকা নিয়ে বাসায় ফিরতেন। ফারজানা নামের এক নারী জানান, সাহায্য করতো অনেককেই। কেউ বিপদে পড়লে নিরাশ করতো না। এলাকার অনেক ছেলেদের চাকরি দিয়েছে। এদিকে গতকাল এনু-রূপনের বাড়িতে ‘টাকার খনির’ সন্ধান পাওয়া গেছে এই খবর পেয়ে শত শত উৎসুক লোক এসে লালমোহন ষ্ট্রিটে জড়ো হোন। র‌্যাব সদস্যরা উৎসুক জনতার সামাল দিতে রীতিমত হিমশিম খান। অভিযান শেষে স্থানীয় শ্রমিক দিয়ে ৫টি টাকার লকার, ১২ বস্তা ও ১ ট্র্যাঙ্ক টাকা ব্যারিকেড দিয়ে র‌্যাবের গাড়িতে তোলা হয়। এসময় অনেকেই ভিডিও ও ছবি তুলছিলেন। অভিযান শেষে র‌্যাব-৩-এর অধিনায়ক লে.কর্নেল রকিবুল হাসান বলেন, গত বছরের ১৮ই সেপ্টেম্বর থেকে দুর্নীতি বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারীর লালমোহন সাহা স্ট্রিটের একটি বাসার নিচতলায় গতকাল রাত থেকে আমরা অভিযান চালিয়েছি। বাসটি এনামুল হক এনু ও রুপন ভূঁইয়ার নিজেদের বাড়ি। অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান নগদ টাকা, এফডিআর বিদেশি মুদ্রা, স্বর্ন উদ্ধার করেছি। এখন আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এগুলো থানায় হস্তান্ত করবো। পরবর্তীতে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেয়া হবে। আর কোনো বাসায় অভিযান চালানো হবে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে র‌্যাব সিও বলেন, আমরা আরেকটি বাসার সন্ধান পেয়েছিলাম। কিন্তু ওই বাসায় অভিযান চালানোর মত কিছু নেই বলে গোয়েন্দা তথ্যে জানা গেছে। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই টাকা কিসের টাকা, কোথা থেকে এসেছে, কারা এই টাকা এনেছে, গন্তব্যস্থল কোথায় সেটি তদন্ত করে বের করা হবে।

২৪ সেপ্টেম্বের অভিযানের পর এই টাকা এখানে আনা হয়েছে কিনা এ ব্যাপারে র‌্যাবের এই কর্মকর্তা কিছু জানাতে পারেননি। এছাড়া এই অভিযানের কাউকে আটকও করা হয়নি। র‌্যাব-৩ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়জুল ইসলাম বলেন, এনু ও রূপনকে তদন্ত করতে গিয়ে আমরা দুই ডজন বাসার খোঁজ পেয়েছি। ঢাকায় তাদের বহু বাড়ি, ফ্ল্যাট ও প্লট আছে। অনুসন্ধান করতে গিয়ে আমরা এই বাড়িটির সন্ধান পাই। পরে সোমবার রাত থেকে অভিযান চালিয়ে নগদ টাকা, স্বর্ণ ও ক্যাসিনো সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়েছে। অভিযান পরিচালনাকারী র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম বলেন, সরু গলির অনেকটা পরিত্যক্ত ওই বাড়ির নিচতলায় কেউ থাকতো না। বাসার ভেতরে ছোট-বড় ৫ টি সিন্দুক থেকে আমরা ১২ বস্তা ও ১ ট্র্যাঙ্ক টাকা পেয়েছি। এছাড়া বাসার ভেতরের কয়েকটি স্থানে বক্স তৈরি করে স্বর্ণ রাখা ছিলো। এছাড়া বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ও ক্যাসিনো সরঞ্জামাদি পাওয়া গেছে।

গত বছরের ১৮ সেপ্টেমর র‌্যাব ঢাকার ক্লাব পাড়ায় ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান চালায়। ওই দিন অন্যান্য ক্লাবের সঙ্গে মতিঝিলের ওয়ান্ডারার্স ক্লাবে অভিযান চালিয়ে ক্যাসিনো সরঞ্জাম, নগদ কয়েক লাখ টাকা ও বিপুল পরিমান মদ উদ্ধার করে। তার কয়েকদিন পর ২৪শে সেপ্টেম্বর ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের পরিচালক ও গেণ্ডরিয়া আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা এনামুল হক এনু ও তার ভাই রূপন ভূঁ্‌ইয়ার বাড়ি ও তাদের এক কর্মচারি ও বন্ধুর বাসায় অভিযান চালিয়ে পাঁচটি সিন্দুক থেকে ৫ কোটি টাকা, আট কেজি স্বর্ণ ও ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়। ওই সময় তাদের দুই ভাই ও তাদের সহযোগী কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি র‌্যাব। ওই সময় র‌্যাব জানিয়েছিলো, ওয়ান্ডারার্স ক্লাবে অবৈধভাবে ক্যাসিনো পরিচালনা করে এই দুই ভাই বিপুল অর্থের মালিক হয়েছে। টাকা রাখতে বেশি জায়গার প্রয়োজন তাই তারা স্বর্ণ কিনে রেখেছিলো। কারণ কম জায়গায় অনেক টাকার স্বর্ণ রাখা যায়। ওই ঘটনার পরে দু্‌ই ভাইয়ের বিরুদ্ধে সাতটি মামলা করা হয়। এরমধ্যে অবৈধভাবে ক্যাসিনো পরিচালনা ও অর্থপাচারের অভিযোগ আনা হয় তাদের বিরুদ্ধে। অর্থপাচারের দায়ের করা চারটি মামলার তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তখন অভিযানের খবর পেয়েই পালিয়ে যান এনু ও রূপন। র‌্যাব অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি। পরে বেশ কিছু দিন পলাতক থাকার পর চলতি বছরের ১৩ই জানুয়ারি কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যার একটি ভবন থেকে এনু, রূপন ও তাদের এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। গ্রেপ্তার পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে সিআইডি জানিয়েছে, ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের পরপরই দুই ভাই কক্সবাজার চলে যায়। সেখান থেকে তারা নৌপথে মালেয়শিয়া যাওয়ার চেষ্টা করেছিলো। কিন্তু সেই চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে তারা কেরানীগঞ্জে এসে আশ্রয় নেন। কেরানীগঞ্জ থেকে ভুয়া পাসপোর্ট তৈরির মাধ্যমে ভারত হয়ে নেপালে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের। সিআইডির হাতে গ্রেপ্তারের পর তাদের সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

এনায়েত

২০২০-০২-২৫ ২২:২৯:৩৭

চুরি করা টাকা উদ্ধার করে কার কাছে রাখবে? আমরাতো সবাই চোর। আমরা চুরি করা শিখাই, আবার চোর বলে ধাওয়া করি। এই হচ্ছে আমাদের নীতি। আর যে দেশে চোরের বিচার চোরে করে, সে দেশে চুরি বন্ধ হবে কেমনে ?

শওকত আলী

২০২০-০২-২৬ ১০:০৪:২২

টাকার অভাবে ব্যাংক খালি। অথচ এক একজন পাতি নেতার বাড়িতে এত টাকা! ভাবতেই লজ্জা লাগে। এতে একটি বিষয় পরিষ্কার যে, ব্যাংকের টাকা আসলে কোথায় যাচ্ছে?

kamal

২০২০-০২-২৬ ০৯:৪১:২০

বাংলাদেশ ব্যাংক, তফশিলী ব্যাংক লুটেরাদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে না কেন? এনু, রুপন ও পাপিয়া কি শাক দিয়ে মাছ ডাকার চেষ্টা?

সৈয়দ সরওয়ার উদ্দিন আ

২০২০-০২-২৬ ০৯:২৪:৩১

গুটিকয়েক আওয়ামীলীগারদের অপকর্ম পত্রিকায় পড়ে দিনগুজরান করে সময়ঘন্টা নষ্ট করা ছাড়া আর কিছুই হচ্ছেনা !! এক একটি ওয়ার্ড সভাপতি যেন এক একটি ব্যাংক। এদিকে ব্যাংকগুলো দেউলিয়া হয়ে পড়ছে।

জাফর আহমেদ

২০২০-০২-২৫ ১২:৩৪:১১

অতি নগন্য একজন পাতি নেতার বেশে চোরের কাছে,যদি এতো সম্পদ থাকে, তাহলে এদের আশ্রয় প্রশ্রয় দেয়া বড় চোর লুটেরা দের কাছে কতটা সম্পদ আছে দেশে বিদেশে।

আপনার মতামত দিন



প্রথম পাতা অন্যান্য খবর

‘লকডাউন’

২৭ মার্চ ২০২০

ছুটির নোটিশ

২৬ মার্চ ২০২০

আজ ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে মানবজমিন-এর সকল বিভাগ বন্ধ থাকবে। তবে ...



প্রথম পাতা সর্বাধিক পঠিত