রণক্ষেত্র দিল্লি নিহত বেড়ে ১০

মানবজমিন ডেস্ক

শেষের পাতা ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:২৭

নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের বিরোধী পক্ষ এবং এর পক্ষশক্তির মধ্যে সংঘর্ষে সোমবার ভারতের রাজধানী দিল্লি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। গতকালও সেখানে থমথমে অবস্থা বিরাজ করেছে। মঙ্গলবার নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০ জনে পৌঁছেছে। আহত হয়েছেন ১০০ জন। এ অবস্থায় সেখানে আধা-সামরিক বাহিনীর ৩৫টি কোম্পানি মোতায়েন করা হয়েছে। গতকাল ভারতের সরকারি বার্তা সংস্থা পিটিআইকে উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে অনলাইন জি নিউজ। এতে বলা হয়েছে, দিল্লির নর্থ-ইস্ট জেলার দশটি স্থানে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। জাফরাবাদ, মউজপুর-বাবরপুর, গোকুলপুরি, জোহরি এনক্লেভ ও শিব বিহারের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিপুলসংখ্যক পুলিশ।
দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ও ইকোনমিক অফেন্স উইংয়ের কর্মকর্তারা জাতীয় রাজধানী দিল্লির এই পরিস্থিতির দিকে ঘনিষ্ঠ দৃষ্টি রাখছেন। পূর্ব সতর্কতা হিসেবে ওয়েলকাম মেট্রো স্টেশনের বেশকিছু ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে বলে গতকাল জানিয়েছেন সরকারি কিছু সূত্র।

এ ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটছে যখন ভারত সফরে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। সরকারি সূত্রগুলো বলেছেন, তার এ সফরের সময় দেশের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করতে এই সহিংসতা বেছে নেয়া হয়েছে। সহিংসতায় দিল্লি পুলিশের প্রধান কনস্টেবলদের একজনসহ মোট ৭ জন নিহত হয়েছেন সোম ও মঙ্গলবার। এতে নিহত দু’জন বেসামরিক ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা হলেন শাহিদ ও ফুরকান। ভজনপুরাতে নাগরিকত্ব সংশোধন আইন নিয়ে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন ফুরকান। এ সময় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১০০ জন পুলিশ সদস্য। পুলিশের নিহত প্রধান কনস্টেবলের নাম রতন লাল। তিনি মারা গেছেন গোকুলপুরিতে। তিনি রাজস্থানের শিকারের বাসিন্দা।
পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি বলেছেন, নর্থ-ইস্ট দিল্লিতে সহিংসতা ঘটনো হয়েছে ট্রাম্পের ভারত সফরকে সামনে রেখে। এর নিন্দা জানান তিনি। তিনি সতর্ক করে বলেন, কখনো সহিংসতাকে প্রশ্রয় দেবে না ভারত সরকার। তারা এর জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

আপনার মতামত দিন



শেষের পাতা অন্যান্য খবর

বড় সংকটে শ্রমবাজার

২৭ মার্চ ২০২০

করোনা ভাইরাস নিয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল

দক্ষিণ এশিয়ায় বাড়ছে সংক্রমণ

২৭ মার্চ ২০২০

আতঙ্কের জনপদ নিউ ইয়র্ক

আরো চার বাংলাদেশির মৃত্যু

২৬ মার্চ ২০২০



শেষের পাতা সর্বাধিক পঠিত