মহানায়িকার চলে যাওয়ার ছয় বছর

বিানোদন ডেস্ক

বিনোদন ১৭ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ৭:০৩

দীর্ঘ ২৫ দিন লড়াই করে মৃত্যুর কাছে হার মানেন মহানায়িকা সুচিত্রা সেন। বাংলা সিনেমাকে তিনি নিয়ে গিয়েছিলেন এক অন্য উচ্চতায়। কিংবদন্তি এই অভিনেত্রীর ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৪ সালের ১৭ই জানুয়ারি কলকাতার বেল ভিউ হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৮২ বছর বয়সে মারা যান তিনি। সুচিত্রা সেনের জন্ম ১৯৩১ সালের ৬ই এপ্রিল, বাংলাদেশের পাবনায়। শৈশব কেটেছে সেখানেই। তার প্রকৃত নাম রমা দাশগুপ্ত। বাবা করুণাময় দাশগুপ্ত ছিলেন স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
মা-বাবার পঞ্চম সন্তান ছিলেন সুচিত্রা। ১৯৪৭ সালে কলকাতার বিশিষ্ট বাঙালি শিল্পপতি আদিনাথ সেনের ছেলে দীবানাথ সেনের সঙ্গে বিয়ে হয় তার। তাদের ঘরে একমাত্র সন্তান মুনমুন সেন। ১৯৫২ সালে তিনি চলচ্চিত্র জগতে প্রথম পা রাখেন। প্রথম ছবি করেন ‘শেষ কোথায়’। তবে ছবিটি আর মুক্তি পায়নি। এরপর ১৯৫৩ সালে মহানায়ক উত্তম কুমারের সঙ্গে ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ ছবি করে সাড়া ফেলে দেন চলচ্চিত্র অঙ্গনে। সুচিত্রা সেন বাংলা ও হিন্দি ছবিতে অভিনয় করেন। তার অভিনীত প্রথম হিন্দি ছবি ‘দেবদাস’ (১৯৫৫)। সুচিত্রা সেন ১৯৭৮ সালে প্রণয় পাশা ছবি করার পর লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যান। এরপর থেকে তিনি আর জনসমক্ষে আসেননি। বলিউড-টালিউডের বহু পরিচালক সুচিত্রা সেনকে নিয়ে ছবি করতে চাইলেও তিনি এতে সম্মত হননি। এমনকি দেশ-বিদেশের কোনো পরিচালক বা অভিনেতা বা অভিনেত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ দেননি তিনি। সেই থেকে তিনি লোকচক্ষুর অন্তরালেই থেকে যান। যদিও তার বাসভবনে তিনি কেবল কথা বলতেন তার একমাত্র মেয়ে মুনমুন সেন এবং দুই নাতনি রিয়া ও রাইমার সঙ্গে। এ উপলক্ষে তার স্মৃতিবিজড়িত পাবনায় আজ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সকালে পৈত্রিক বাড়িতে সুচিত্রা সেনের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন জেলা প্রশাসকসহ সাংস্কৃতিককর্মীরা। উল্লেখ্য, ১৯৫২ থেকে ১৯৭৮ এই ২৬ বছরে তিনি ৬২টি ছবিতে অভিনয় করেন।

সুচিত্রা সেন অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে: অগ্নি পরীক্ষা (১৯৫৪), গৃহ প্রবেশ (১৯৫৪), ঢুলি (১৯৫৪), মরণের পরে (১৯৫৪), দেবদাস (১৯৫৫-হিন্দি), শাপমোচন (১৯৫৫), সবার উপরে (১৯৫৫), মেঝ বউ (১৯৫৫), ভালবাসা (১৯৫৫), সাগরিকা (১৯৫৬), ত্রিযামা (১৯৫৬), শিল্পী (১৯৫৬), একটি রাত (১৯৫৬), হারানো সুর (১৯৫৭), পথে হল দেরী (১৯৫৭),জীবন তৃষ্ণা (১৯৫৭), চন্দ্রনাথ (১৯৫৭), মুশাফির (১৯৫৭-হিন্দি), রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত (১৯৫৮), ইন্দ্রানী (১৯৫৮), দ্বীপ জ্বেলে যাই (১৯৫৮), চাওয়া পাওয়া (১৯৫৯), হসপিটাল (১৯৬০), বোম্বাই কা বাবু (১৯৬০-হিন্দি), সপ্তপদী (১৯৬১), সাত পাকে বাঁধা (১৯৬৩), উত্তর ফাল্গুনী (১৯৬৩), মমতা (১৯৬৬), গৃহদাহ (১৯৬৭), কমললতা (১৯৬৯), মেঘ কালো (১৯৭০), ফরিয়াদ (১৯৭১), আলো আমার আলো (১৯৭২), হার মানা হার (১৯৭২), দেবী চৌধুরাণী (১৯৭৪), শ্রাবণ সন্ধ্যা (১৯৭৪), প্রিয়বান্ধবী (১৯৭৫), আঁধি (১৯৭৫-হিন্দি), দত্তা (১৯৭৬) এবং সর্বশেষ প্রণয়পাশা (১৯৭৮)।

আপনার মতামত দিন

বিনোদন অন্যান্য খবর

ফিরছেন মিষ্টি জান্নাত

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

টপ নিউজ

এক হাত নিলেন মিমি

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

টানা ১৩ দিন

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

চটেছেন শার্লিন

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

ফিরলেন আলিয়া

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

ফের সরব ন্যান্‌সি

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

প্রথমবারের মতো

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০



বিনোদন সর্বাধিক পঠিত