মৌলভীবাজারে বান্ধবীসহ কলেজ ছাত্রীকে গণধর্ষণ

স্টাফ রিপোর্টার,মৌলভীবাজার থেকে

অনলাইন ১৪ জানুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার, ১১:৪৪ | সর্বশেষ আপডেট: ১২:২৬

কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে মৌলভীবাজার সরকারী মহিলা কলেজের একাদশ দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রী বান্ধবীসহ গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে সদরের ওয়াপদা (স্টেডিয়াম)এলাকায় গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের শিকার দুজনই মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অভিযোগের ভিত্তিতে দুই ধর্ষককে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনার পর বিকেল গড়িয়ে গেলেও তা রাত ৯ টার দিকে বিষয়টি লোকমুখে ছড়িয়ে পড়ে। শহরের মধ্যে ধর্ষকদের এমন দু:সাহসীকতায় হতবাক সচেতন মহল। তারা ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। জানা যায় মঙ্গলবার বিকেলের দিকে কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের সামনে এসে একটি সিএনজি চালিত অটো রিকশায় কলেজ ছাত্রী (১৮) ও তার বান্ধবী (২০) উঠলে কিছুক্ষন পর যাত্রী বেশে চারজন ছেলে সিএনজি অটোরিক্সাতে উঠে।
তখন তারা চালককে সিএনজি ঘুরিয়ে নিতে নির্দেশ দেয়। চালক তাদের কথামত গাড়ি নিয়ে চলে। ওই চারজন গাড়ির পর্দা টেনে দুই বান্ধবীর হাত ও মুখ বেঁধে ফেলে স্টেডিয়াম এলাকার পেছনে একটি ঝোঁপে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের মারধর করে মোবাইল, বই ও টাকা ছিনিয়ে নিয়ে তাদেরকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে তারা কৌশলে সেখান থেকে বেরিয়ে এসে পুলিশকে জানালে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ ধর্ষিতাদের আত্মীয় স্বজনকে খবর দিয়ে চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে তাদের ভর্তি করেন। এবিষয়ে ধর্ষিত কলেজ ছাত্রী বাদী হয়ে ৫ জনকে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা দায়ের করেন। মৌলভীবাজার মডেল থানায় দায়েরকৃত মামলা নং-১২। তারিখ ১৪.০১.২০২০। পুলিশ অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত আকাশ ও মুন্না নামে দুই জনকে আটক করেছে। মুন্না সদর উপজেলার ১১নং মোস্তফাপুর ইউনিয়নের উওরজগন্নাথপুর গ্রামের ইসলাম মিয়ার ছেলে বলে জানা গেছে। অন্য আসামীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ। মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আলমঙ্গীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ধর্ষিতাদের বাড়ি সদর উপজেলার বাউরভাগ গ্রামে। এ বিষয়ে ধর্ষিতা কলেজ ছাত্রী বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামী করে থানায় একটি মামলা করেছেন। ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের আটক করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Sunny

২০২০-০১-১৫ ১৫:৩৮:০৭

I agree with Kazi vai.

Reza

২০২০-০১-১৫ ১৩:০৬:০০

না কাজী ভাই ! আগাছা উপড়ে ফেলতে হবে ,কাজেই ক্রস ফায়ার দিয়ে মারা ছাড়া অন্য কোন অপশন নেই !

ferdous

২০২০-০১-১৫ ০৯:১৫:৫১

just shoot them immediately as an example of punishment.

Alayer Khan

২০২০-০১-১৪ ১৫:২৮:৪৮

ভারতের মত আমাদের যেন ধর্ষণ মহামারীতে রুপ না নেয় সেজন্য কটুর আইনের দরকার।

Dip

২০২০-০১-১৪ ১৪:৪৪:০৫

Just hang them up.

Kazi

২০২০-০১-১৪ ১১:২০:২৮

সংসদে জোরালো দাবি উঠেছে ধর্ষককে ক্রসফায়ারের। কিন্তু আমি অনুরোধ করব এমপিরা সর্ব সম্মতিক্রমে আইন পাশ করুন ধর্ষককে খোঁজা করা হউক। ১। যাতে সমাজে বেঁচ থাকবে সাজার প্রমাণ বাহক ধর্ষণকারী হিসাবে অন্যদের সতর্কীকরণের জন্য। ২। বিবাহিত ধর্ষক সামনে নিজের স্ত্রীকে স্পর্শ করার ক্ষমতাহীন হয়ে বাকি জীবন অনুতাপে জ্বলবে। ৩। অবিবাহিত ধর্ষকের জন্য এটাই হবে কোন নারীর সঙ্গে জীবনের শেষ সংস্পর্শ । তারা হবে ধর্ষণ বিরোধী সতর্ক বার্তাবাহক। পৃথিবীর অনেক দেশে এই আইন রয়েছে। নতুন নয়।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

ঐক্যফ্রন্টের সংবাদ সম্মেলন

ঢাকা সিটি নির্বাচনে ইভিএম বাতিলের আহ্বান

১৮ জানুয়ারি ২০২০

হঠাৎ জরুরি বৈঠকে ইসি

১৮ জানুয়ারি ২০২০

মির্জাগঞ্জে জমি নিয়ে সংঘর্ষ

মহিলাসহ আহত-২

১৮ জানুয়ারি ২০২০

ধামরাইয়ে বাসচাপায় নিহত ১

১৮ জানুয়ারি ২০২০





অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



একই পরিবারের ৩ জন নিহত

স্বামীর ঘরে যাওয়া হলো না পিয়াশার